চঞ্চল চৌধুরীর ছেলে শু’দ্ধ স্কুলে ফিরল, পোষ্ট ভাইরাল।

করোনাভাইরাস মহামা’রীর মধ্যে প্রায় দেড় বছরের ঘরব’ন্দি সময় পার করে স্কুলের চিরচেনা ক্লাসরুম আর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় ফিরেছে অ’ভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর ছেলে শৈশব রোদ্দুর শু’দ্ধ; ছেলের সঙ্গে তোলা একটি ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এ অ’ভিনেতা।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

১২ বছর বয়সী শু’দ্ধ রাজধানীর একটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী; চঞ্চল চৌধুরী ও চিকিৎসক শান্তা চৌধুরী দম্পতির একমাত্র সন্তান শু’দ্ধ।
রোববার সকালে ছেলেকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে তার সঙ্গে তোলা একটি ছবি ফেইসবুকে দিয়ে চঞ্চল চৌধুরী লিখেছেন, “গতকাল ছিল শু’দ্ধর জন্ম’দিন। যারা শু’দ্ধকে ভালোবাসেন, স্নেহ করেন, সবাই আশীর্বাদ করেছেন। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। প্রায় দেড় বছর পর আজ শু’দ্ধর স্কুল খুলল।

ওকে স্কুল থেকে আনাটাও আমা’র কাছে মহাআনন্দের একটা কাজ। শু’দ্ধকে স্কুলে নামানো-উঠানোর কাজটা অবশ্য ওর মা-ই করে।”
দেড় বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে যখন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একযোগে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রু হিসেবে শেষবারের মত ক্লাস করেছিল শু’দ্ধ; ঘরব’ন্দি সময়েই পঞ্চম শ্রেণিতে উঠেছে সে।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

পড়াশোনার ফাঁ’কে ফাঁ’কে সংগীতের শিক্ষকের কাছে তালিম নিচ্ছে শু’দ্ধ; বছর দুয়েক আগে বাবা-ছেলের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত ‘পুরানো সেই দিনের কথা’ ফেইসবুকে প্রকাশের পর শ্রোতাদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছিল।

বাবা-মায়েদের জন্য চঞ্চল চৌধুরীর বার্তা

রোববার দুপুরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে আলাপকালে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, সন্তানদের প্রতি বাবা-মায়েদের ‘বিশেষ যত্ন’ নেওয়া উচিত। আমা’দের বাবা-মায়ের থেকে এতটা কেয়ারিং আমর’া আসলে… অনেকগু’লো ভাই-বোন থাকলে একজন আরেকজনকে দেখে-শুনে রাখত। এখনকার বেশিরভাগ পরিবারে একটা কিংবা দুইটা বেবি; আবার বাবা-মাও কর্মজীবী হন। সন্তানের প্রতি একটু স্পেশাল কেয়ার রাখা উচিত।

আমা’র সন্তান বড় হবে আর কেয়ার করব না- তা তো হয় না। সন্তানের সঙ্গে আ’ষ্টেপৃ’ষ্টে লেগে থাকতে হয়। শুধু লেখাপড়া করলেই হয় না। সময় দেওয়া উচিত। এই সময় বিপজ্জনক সময়। কিশোর-কিশোরীদের জন্য স্পেশাল কেয়ার রাখা উচিত। তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছা, কোথায় তারা যায়, কী করে-খেয়াল রাখা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে চলে গেলে আর কোনো ঝামেলা নেই।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *