আড়াই বছরের এক শিশু,সৎ-মায়ের যৌন নিপীড়নে প্রাণ গেল।

সৎ-মায়ের যৌন নিপীড়নের শিকার আড়াই বছরের এক শিশু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার রোববার সন্ধ্যায় মারা যায় সে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার চাচা তারেক মিয়া বাবু। তিনি হাসপাতালে শিশুটির তদারকিতে ছিলেন। তিনি বলেন, নির্যাতনে পায়ুপথ ও যৌনাঙ্গে সংক্রমণ তৈরি হয়ে তা ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো শরীরে।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

চিকিৎসকরা শিশুটির অস্ত্রোপচারও করেছিলেন। আড়াই বছর বয়সী শিশুটি ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার বাঁশিয়া গ্রামের মোস্তফা কামালের মেয়ে। মোস্তফা কামাল গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামে ১৪ শতাংশ জমি কিনে বহুতল ভবন গড়ে তোলেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরেই দুবাই প্রবাসী। তার প্রথম স্ত্রীর ঘরের জন্ম হয় শিশুটির। পরে দুবাইপ্রবাসী আলিফা আক্তার রিপার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়লে শিশুটির চার মাস বয়সেই তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স হয় কামালের। এ সময় আলিফা আক্তারকে বিয়ে করে দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন তিনি। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গেই থাকত শিশুটি। কয়েকমাস পূর্বে তিনি দুবাই চলে যান।

পরে নিজ নামে এ বাড়িটি লিখে নিতে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন আলিফা। একপর্যায়ে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন শুরু করেন এই সৎ-মা। সে বিভিন্ন রাসায়নিকদ্রব্য প্রয়োগ করে শিশুটির পায়ুপথ ও যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করেন। পরে অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।

এ ঘটনায় শিশুটির দাদা বাদী হয়ে তার সৎ-মায়ের বিরুদ্ধে ১২ আগস্ট শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পরে তা মামলা রুজু হয়। গত ১৫ আগস্ট অভিযুক্ত সৎ-মা আলিফা আক্তার রিপাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।

অভিযুক্ত রিপা মাগুরার সদর উপজেলার ধনপাড়া গ্রামের রজব আলী বিশ্বাসের মেয়ে। শিশুটির দাদা আফাজ উদ্দিন বলেন, তার দ্বিতীয় পুত্রবধূ একটু উগ্র প্রকৃতির। সে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের অঘটনের চেষ্টা করেছে। এ বাসাটি লিখে নিতে সে নানা ধরনের ফন্দি তৈরি করেছিল।

১১ আগস্ট তার নাতনিকে দেখতে এসে তারা দেখতে পান সে খুব অসুস্থ। পরে দেখেন তার পায়ু ও যৌনাঙ্গ গভীর ক্ষত। এ সময় তার পুত্রবধূকে জিজ্ঞাসা করলে সে একেক সময় একে কথাবার্তা বলতে থাকেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এরআগে কয়েকবার তার নাতনিকে তার সৎ-মা নানাভাবে নির্যাতন করেছে। তারা বিভিন্নভাবে সতর্ক করছিল অভিযুক্তকে। এরপরও তাদের কথা না শুনে শিশুকে এভাবে নির্যাতন করে হত্যার পরিকল্পনা ছিল তার সৎ-মায়ের।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার এসআই আলী জিন্নাহ বলেন, শিশুটির মৃত্যুর খবর শুনেছি। এখন লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে। সে অনুযায়ী দ্রুত মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *