অবিবাহিত নায়িকাদের স্বামীর অভাব হয় না – পপি

ঢালিউডের অনিন্দ্য সুন্দরী নায়িকা সাদিকা পারভিন পপি। বেশ কয়েক মাস ধরেই আড়ালে আছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা মুঠোফোনেও হদিস মিলছে না জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই নায়িকার। গুঞ্জন আছে, বিয়ে করে স্বামী-সংসার নিয়ে ব্যস্ত আছেন পপি। তবে বাস্তবে এ ঘটনার সত্যতা মেলেনি।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

এবার ‘নিখোঁজ’ থাকা প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন পপি। গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘আমি কিছু ঝামেলায় আছি। ঝামেলা শেষ হয়ে গেলেই আমি আবার সবার সঙ্গে যোগাযোগ করবো। সব কিছুই নজরে রাখছি। সময় মতো সব মোকাবিলা করবো।’

এই নায়িকা আরও বলেন, ‘আমি গণমাধ্যমের সৃষ্টি। ‘আনন্দ বিচিত্রা’ আমাকে তারকা জগতে উত্তরণের সিঁড়ি তৈরি করে দিয়েছে। তাই গণমাধ্যম আমার স্বজন। গণমাধ্যমের কারণেই আমি আজকের পপি। সেই গণমাধ্যমের সঙ্গে বিতণ্ডায় যাওয়া আমার পছন্দ নয়।’

বিয়ে প্রসঙ্গে পপি বলেন, ‘অবিবাহিত তারকাদের জামাই আর জামার অভাব হয় না- আমারও অভাব নেই। কিন্তু বিয়ে করতে হলেও পুরুষ লোকটির সঙ্গে দুটো মিষ্টি কথা বলতে হয়। আমার তো সে সময়ই নেই। এছাড়া আমি কারো সঙ্গে মিষ্টি করে কথা বলতে পারি না।’

গেলো মাসে নতুন করে আলোচনায় এসেছিলেন পপি। সেই আলোচনায় আসার সূত্রপাত তার মায়ের কারণে। মাকে ভীষণ ভালোবাসেন নায়িকা। মায়ের সহযোগিতাতেই নায়িকা হয়েছেন, পেয়েছেন সাফল্য। আর এখন তিনি সেই মায়ের খবর নেন না। এমনকি মায়ের ভরণপোষণও দেন না বলে অভিযোগ করেছেন তার মা মরিয়ম বেগম।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

পপির মা বলেন, ‘২০০৭ সালের পর থেকে পপি আমার সঙ্গে থাকে না। সে কোথায় থাকে আমি জানি না, আমি কোথায় আছি সেটাও পপি জানে না। পপি বলে, সে আমাকে ভরণপোষণ দেয়। সব মিথ্যা।’

তবে পপির মায়ের এমন বক্তব্যে খানিকটা গড়মিল নজরে পড়ে। উনার ভাষ্যমতে, ২০০৭ সালের পর তারা একে অন্যের থেকে আলাদা আছেন। অথচ ২০১৯ সালে পপির সুবাদে ‘গরবিনী মা সম্মাননা’ লাভ করেন মরিয়ম বেগম। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন। সে সময় পপিকে তার মায়ের সঙ্গেই দেখা গেছে। তবে মায়ের এমন বক্তব্যে সেসময় পপির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *