জানেন কখন সহ’বাস করলে বাচ্চা হয় না? ছেলে মেয়ে সকলের অবশ্যই জানা দরকার

গ’র্ভধারন বিষয়টি আসলে একটি নিখুঁত হিসাবের সঙ্গে জড়িত। যারা এই হিসাব বোঝেন তাদের গ’র্ভধারন রোধ করতে অন্য কোন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়না।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে পিরিয়ডের বা মাসিকের ৭ দিন পর্যন্ত গ’র্ভধারনের কোন সম্ভাবনা থাকেনা। পিরিয়ডের ৮ দিন থেকে ১৭ দিনের মধ্যে হল গ’র্ভধারনের মোক্ষম সময়। আবার ১৮ দিন থেকে পিরিয়ড হওয়া পর্যন্ত গর্ভধারণ করা সম্ভব নয়।

৮ দিন থেকে ১৭ দিনের মধ্যে সহবাসে কোন সাবধানতা অবলম্বন না করলেই গ’র্ভধারন অনিবার্য। অর্থাৎ পিরিয়ডের আগের ও পরের ৭ দিন নিরাপদ। এই সময়ে গর্ভধারণ হয় না। মাঝামাঝি দিনগুলিতে গ’র্ভধারণের সম্ভবনা অনেক বেশী।

সবাই নিজের মতই পরিবার পরিকল্পনা করতে চায়। তারা যখন নিজেদের জীবনে একটি নতুন প্রান আনতে চান তখনই আনা উচিৎ। পরিকল্পনা মাফিক কিছু না হলে তখন পুরো ব্যপারটা ঘেঁটে যায়। নতুন অথিতির আসার আনন্দের জায়গায় এসে উপস্থিত হয় হতাশা।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

যে কোন ধরনের জন্মনিরোধক পদ্ধতিই শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। তাই এইগুলি জানা থাকলে আপনাদের সুবিধা হবে। জানবেন কখন আপনার গ’র্ভবতী হয়ার ঝুঁকি বেশি আছে। আর জানার পর আপনি ক্ষতিকারক জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি অবলম্বন না করে প্রাকৃতিক উপায়ে জন্ম নিয়ন্ত্রন করবেন।

আরো কিছু লক্ষন আছে যা আপনার জানা থাকলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা কতটা। শরীরের তাপমাত্রা, স্রাবের ঘনত্ব, স্রাবের প্রকৃতির ওপর নজর রাখলেই আপনি বুঝতে পারবেন কখন আপনার গ’র্ভধারনের সময়। সেই বুঝে আপনি সহবাস করুন, কোন জন্মনিরোধক ছাড়াই।

আপনি যদি এই নিয়মগুলি অনুসরন করে সহবাস করেন তাহলে আপনার অনৈচ্ছিক গর্ভধারন ৯০ শতাংশ কার্যকর হবেনা। আপনার পিরিয়ডের আগের বা পরের দিন গুনে হিসেব করার থেকে আরো সহজ পদ্ধতি হল আপনার নিজের শরীর পর্যবেক্ষন করা।

দেখুন আপনার শরীরের তাপমাত্রা অন্যান্য সময়ের থেকে বেশি আছে কিনা অথবা আপনার সাদা স্রাব হচ্ছে কিনা, সেই স্রাবের ঘনত্ব কেমন। যদি দেখেন ঘন স্রাব হচ্ছে বা শরীরের তাপমাত্রা নিজে থেকেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তাহলে বুঝবেন আপনার গর্ভবতী হওয়ার সময় এটি।

যদি আপনি তখন গর্ভবতী না হতে চান তাহলে বিরত থাকুন সহবাস থেকে। এইভাবে যদি আপনি আপনার শারীরিক লক্ষণগুলি ৪-৬ মাসিক চক্র ধরে খেয়াল করেন, তাহলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কোন সময় সহবাস করলে আপনার গর্ভবতী হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং কোন সময় ঝুঁকি কম।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *