এবার পরীমণির ৩ কোটি টাকার গাড়ির রহস্য জানা গেল

সুনির্দি’ষ্ট কিছু অ’ভিযোগ নিয়ে ঢাকাই সিনেমা’র আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির বনানীর বাসায় অ’ভিযান চালায় র‍্যাব’। বাসা থেকে পরীমনিকে বিদেশি ম’দ ও বিপুল পরিমাণ মা’দকসহ আট’কের পর র‌্যাব’ের প্রধান কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

চিত্রনায়িকা পরীমনির গ্রে’ফতার হওয়ার পর বি’ষয়ে একে একে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য বের হয়ে আসছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে। এর মধ্যে তার তিন কোটি টাকার মাসেরাতি ব্র্যান্ডের একটি গাড়িরও মালিক নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। অনেক সূত্রে জানা যায়, নীল রঙের ওই গাড়িটি তিনি উপহার পেয়েছেন। তার ওই গাড়ি নিয়ে আরও কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) অটো মিউজিয়ামের কর্ণধার ও ব্যবসায়ী নেতা হাবিব উল্লাহ ডন দাবি করেন, পরীর যে গাড়ি নিয়ে এত গু’ঞ্জন, সেই গাড়িটি না-কি ‘বিক্রিই হয়নি। টেস্ট ড্রাইভ বা ট্রায়াল দিতে একদিনের জন্য অটো মিউজিয়াম নামে একটি প্রতিষ্ঠানের শোরুম থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন পরীমণি।

তিনি আরও বলেন, টাকা পরিশোধ না করায় পরদিনই শোরুমে ফিরিয়ে নেয়া হয় মাসেরাতির গাড়িটি। সেই গাড়ি এখনো অটো মিউজিয়ামের গু’লশানের শোরুমে রয়েছে। ওই নারী (পরীমণি) আমা’দের শোরুমের জিএমের কাছ থেকে টেস্ট ড্রাইভ বা ট্রায়াল দিতে একদিনের জন্য গাড়িটি নিয়েছিলেন।

কবিরাজ: তপন দেবসাধনা,ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

হাবিব উল্লাহ ডন বলেন, ব্যাংকের মাধ্যমে তিনি টাকা পরিশোধ করে কিনবেন জানিয়েছিলেন। তার অ্যাডভান্স টাকা দেয়ার কথা ছিল, কিন্তু পরদিন সেটা দিতে পারেননি। পরে শোরুমের জিএম তাকে গাড়িটি ফেরত দিতে বলায় তিনি পরদিনই গাড়িটি ফেরত দেন।

গত ৪ আগস্ট নিজ বাসা থেকে মা’দকসহ গ্রে’ফতার করা হয় পরীমনিকে। পরে তাকে রি’মান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, পরীমণি গাড়িটি ব্যাংক লোন অথবা ক্যাশ টাকা দিয়ে কেনননি। দেশের একটি বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

ওই সম্পর্কের ভিত্তিতে পরীমনি তার কাছ থেকে গাড়িটি উপহার হিসেবে পেয়েছেন। সূত্র আরও জানায়, পরীমনির সঙ্গে সম্পর্ক থাকা ওই ব্যাংক চেয়ারম্যানের বি’ষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তিনিও নজরদারিতে রয়েছেন। এছাড়া ওই ব্যাংকে পরীমনির বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেগু’লো ইতোমধ্যে ফ্রিজ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৪ শে জুন তার সাদা রঙের হ্যারিয়ার গাড়িটি দু’র্ঘটনায় দুমড়ে মুচড়ে যায়। এর ২৪ ঘণ্টা পার ‘হতে না ‘হতেই তিনি প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার রয়েল ব্লু-রঙের মাসেরাতি গাড়ি কেনেন। ইতালিয়ান অ’ভিজাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফিয়াট অটোমোবাইলসের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘মাসেরাতি’।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *