এরা ব্যাংক কর্মক’র্তা থেকে একসঙ্গে বিসিএস ক্যাডার স্বামী-স্ত্রী’

স্বামী-স্ত্রী’ দুজনই চাকরি করেন একই ব্যাংকে। এবার একস’ঙ্গে বিসিএস ক্যাডার (পদার্থ বিজ্ঞান) হলেন তারা। স্বামী মেধা তালিকায় (পদার্থ বিজ্ঞান) ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করেছেন। স্ত্রী’ও কম যাননি। তিনিও শিক্ষা ক্যাডার (পদার্থ বিজ্ঞান) অ’ষ্টম হয়েছেন। স্বামী-স্ত্রী’র তাক লাগানো এমন কৃতিত্বে দুই পরিবারে বইছে আনন্দের ব’ন্যা। ৩৮তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে (পদার্থ বিজ্ঞান) মেধা তালিকায় ৬ষ্ঠ ও অ’ষ্টম স্থান অর্জনকারী এই দম্পতি হলেন সৈয়দ সাদেকুর রহমান শাহীন ও মা’দে’হা

বেগম চৌধুরী শোভা। এই দম্পতি সিলেট নগরের বাসি’ন্দা। তারা দুজন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে কর্ম’রত। এর মধ্যে স্বামী শাহিন ব্যাংকটির সিনিয়র কর্মক’র্তা ও স্ত্রী’ মা’দে’হা বেগম চৌধুরী শোভা নগরের আম্বরখানা শাখার সাধারণ কর্মক’র্তা। মা’দে’হা বেগম চৌধুরী শোভা জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিটি সন্তান যদি তাদের বাবা-মায়ের কথামতো চলে তাহলে জীবন সংগ্রামে জয়ী হবেই। ছোটবেলা থেকেই আমা’র বাবা-মা পড়ালেখার জন্য খুবই যত্নশীল ছিলেন। বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল আমি

যেন বিসিএস ক্যাডার হই। তাদের স্বপ্ন একসময় আমা’র স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়। আজ বাবা-মায়ের জন্যই আমা’র স্বপ্নপূরণ হয়েছে। এতে আম’রা সবাই খুশি। শহুরে জীবনে বেড়ে ওঠা শোভা’র পড়াশোনা শুরু সিলেটের হ’জরত শাহ’জালাল ডি ওয়াই কামিল (এমএ) মা’দরাসা থেকে। ছোটবেলা থেকে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ায় প্রাথমিকে বৃত্তি পান তিনি। এ সাফল্যকে পুঁজি করে এগিয়ে যান শোভা। নগরের সোবহানিঘাট এলাকায় অবস্থিত হ’জরত শাহ’জালাল ডি ওয়াই কামিল (এমএ) মা’দরাসায়

পড়াশোনা চালিয়ে যান নিজের মতো করে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পান জিপিএ-৫। এরপর ভর্তি হন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে। বাবা-মায়ের কাছ থেকে পেয়েছেন সবসময় সহযোগিতা। কলেজ জীবনেও তিনি সাফল্য ধরে রাখেন। এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ অর্জন করেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তিনি স্বপ্ন দেখেন শিক্ষক হওয়ার। সেই সময় থেকে নিজেকে শিক্ষকতা পেশার জন্য প্রস্তুত করেন। শিক্ষার্থীদের মননে এবার শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার পালা তার।

মা’দে’হা চৌধুরী শোভা বলেন, আমা’র সব সাফল্যের কৃতিত্ব বাবা মো. ফারুক আহম’দ চৌধুরী এবং মা জোবেদা বেগম চৌধুরীর। বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণাকে কাজে লাগিয়ে এ সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। কোনো রকমের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন না হলেও ৩৮তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সময় অ’সুস্থ ছিলাম। অ’সুস্থতা নিয়ে মৌখিক পরীক্ষা দিয়েছি। তিনি বলেন, বিসিএসের প্রস্তুতিতে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সবার সহযোগিতা পেয়েছি। আমা’র সাফল্যে স্বামীও খুশি। বিসিএসের পরীক্ষার

আগে দিনে ১২-১৩ ঘণ্টা পড়াশোনা করেছি। সৈয়দ সাদিকুর রহমান শাহিনের গ্রামের বাড়ি নরসিংদীতে। তিনি নরসিংদীর বিরাজনগর হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি ও নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি সিলেটের বিজ্ঞান ও প্রযু’ক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেন।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

শাহিন বর্তমানে সিলেট শহরে বসবাস করছেন। সৈয়দ সাদিকুর রহমান বলেন, আমা’র এ ফলাফলের পেছনে মা-বাবা ও স্ত্রী’র সর্বাত্মক সহযোগিতা রয়েছে। বাবা-মায়ের এবং শিক্ষকদের দোয়ায় আমি সফল হয়েছি। ২০১৮ সালে আমা’র আর শোভা’র বিয়ে হয়। সবাই আমা’দের জন্য দোয়া করবেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *