সায়েম সোবহানের নির্দোষ খবরে মুখ খুললেন মুনিয়ার বোন

রাজধানী ঢাকা শহরের গু’লশানের একটি ফ্ল্যাটে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনি’য়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা নিয়ে এখনো ব্যাপক আলোচনা চলছে। ওই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনি’য়ার পরিবার থেকে কয়েকজনের বিরু’দ্ধে অ’ভিযোগ এনে মাম’লা করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই ঘটনা তদ’ন্তে নামে। দীর্ঘ কয়েকদিন ধরে তদ’ন্ত চলতে থাকে। এদিকে, এই ঘটনার জন্য বসুন্ধ’রা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরু’দ্ধে মুনি’য়ার পরিবার থেকে অ’ভিযোগ এনে মাম’লা করে। অবশেষে সেই মাম’লায় নির্দোষ হয়েছেন তিনি। এবার এই খবরে মুখ খুললেন মুনি’য়ার বড় বোন।

দেশের চাঞ্চল্যকর কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনি’য়ার রহস্যজনক মৃ’’’ত্যু’’র ঘটনায় বসুন্ধ’রা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরু’দ্ধে মাম’লা দায়ের করা হয়। মাম’লার বাদী হন মুনি’য়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া। সংশ্লি’ষ্ট মাম’লায় আনভীরের জড়িত থাকার কোন তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে আ’দালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এরপরই এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মুনি’য়ার বোন নুসরাত। তিনি বলছেন, মাম’লা থেকে আনভীরের অব্যা’হতির আবেদনের ওপর নারাজি (প্রতিবেদনের ওপর অনাস্থা) দেবো।

বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) ‘বিকেল পাঁচটায় বাদী নুসরাত জাহান তানিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ’তাকে এ মাম’লা থেকে অব্যা’হতি দেওয়া হয়েছে, এটা তো অন্যায়। আমি আ’দালতে নারাজি দেব। আনভীরকে যদি অব্যা’হতি দেওয়া হয়, তাহলে দেশে অন্যায়ের বিচার হবে কী করে?’ তিনি বলেন, ’দেড় মাস আগে এডিসি নাজমুল সাহেবের সঙ্গে আমা’র কথা হয়েছে। তারপর আমি অনেকবার পুলিশকে ফোন দিয়েছি। কিন্তু তারা আমা’র ফোন আর ধরে না। ফোন না ধ’রায় আমি বুঝতে পেরেছি কোনো একটা কিছু ‘হতে যাচ্ছে। আজ গণমাধ্যমে জানতে পারলাম, তাকে অব্যা’হতি দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ’পুলিশ শুরুতেই বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে। কিন্তু আনভীর জড়িত থাকার পরও তাকে কেন তাকে অব্যা’হতি দেওয়া হল, সেটা তো আমি জানি না। তবে আগামী ২৯ জুলাই ধার্য তারিখ রয়েছে। আমি আ’দালতে যাব’ এবং নারাজি দেব।’

বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) ডিএমপি’র গু’লশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমা’র চক্রবর্তী বলেন, ’মুনি’য়া ঘটনার প্ররোচনা মাম’লায় বসুন্ধ’রার এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যা’হতি দিয়ে আ’দালতে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে। এটি গত সোমবার (১৯ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আ’দালতে দাখিল করা হয়।’

উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল রাতে গু’লশানের একটি ফ্ল্যাটে ওই কলেজছাত্রীর নিথর দে’হ উ’দ্ধার করা হয়। এরপর তার পরিবার থেকে বেশ কিছু অ’ভিযোগ তুলে বসুন্ধ’রা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের বিরু’দ্ধে মাম’লা করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই কলেজছাত্রীর ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে বেশ কিছু জিনিস উ’দ্ধার করে। এমনকি ওই কলেজছাত্রীর কয়েকটি ডায়েরি উ’দ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে এবার ওই মাম’লা থেকে সায়েম সোবহানকে অব্যা’হতি দেওয়া হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *