জেনে নিন- ট্রাফিক পুলিশের’ বিলাসবহুল বাড়িতে সোনায় মোড়ানো টয়লেট।

সোনায় মোড়ানো টয়লেট। শুধু তাই নয়, রান্নাঘরেও রয়েছে বিভিন্ন আসবাবপত্র। সবই সোনা দিয়ে মোড়ানো। একজন পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতেই রয়েছে এসব। পুলিশের চাকরি করে এতকিছু বানানো কি আসলেই সম্ভব? না! তিনি এসব বানিয়েছেন ঘুষের টাকা দিয়ে।

রাশিয়ার পুলিশের ঘুষ নেয়ার তদন্তে এমনই এক কর্মকর্তার বৃহৎ অট্টালিকায় সোনায় মোড়ানো টয়লেটসহ বেরিয়ে এসেছে বিভিন্ন বিলাশী সামগ্রী। দুর্নীতিবাজ পুলিশের একটি চক্রকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রুশ তদন্তকারীরা। বুধবার এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

বেডরুম

দ্য ইনভেস্টিগেটিভ কমিটির (এসকে) ওয়েবসাইটে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে একটি বৃহৎ অট্টালিকাসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনায় অভিযান চালানো হয়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলীয় স্তাভরোপোল অঞ্চলের ট্রাফিক পুলিশের প্রধান কর্নেল আলেক্সেই সাফোনোভসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ভুয়া অনুমতি দিয়ে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ রয়েছে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে।

রান্নাঘরেও রয়েছে সোনায় মোড়ানো বিভিন্ন আসবাবপত্র

এ অনুমতি নিয়ে চালকরা পুলিশের চেকপয়েন্ট পাড়ি দিতে পারেন অনুমোদনহীন শস্য ও নির্মাণ সামগ্রীর কার্গো নিয়ে। তবে অভিযোগ সম্পর্কে এখনো কোনো মন্তব্য জানাননি অভিযুক্তরা।

দুর্নীতিবিরোধী এ অভিযানে অংশ নিয়েছে রাশিয়ার নর্থ ককেশাস অঞ্চলের পুলিশবাহিনী। এসকে জানায়, তারা ৮০টি জায়গায় অভিযান চালিয়েছে। অভিযানে মোটা অংকের টাকা ও বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করেছেন তারা।

পুলিশ কর্মকর্তার বিলাসবহুল বাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই-এর আদলে রাশিয়ার এসকে জানায়, এ চক্রটি বেশ কয়েক বছর ধরে সক্রিয়। ঘুষ হিসেবে ১৯ মিলিয়ন রুবল হস্তগত করেছে। সাফোনোভ দোষী সাব্যস্ত হলে ১৫ বছরের কারাভোগ করতে পারেন। তার পূর্বসূরি আলেক্সান্ডার আরজহানুখিনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

ক্রেমলিনপন্থী ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টির এমপি আলেক্সান্ডার খিন্সটেইন জানান, অঞ্চলটির ৩৫ জনের বেশি ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *