সম্প্রতি মা কারাগারে, ছোট্ট ভাইকে নিয়ে যন্ত্রণায় কাটছে আলিফের জীবন

রবীন্দ্রনাথ তাঁর প্রশ্ন কবিতায় লিখেছিলেন বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। বেঁচে থাকলে হয়তো এখন তাঁকে লিখতে ‘হতো বিচারের বাণী সরবে আ’দালতের বারান্দায় প্রকাশ্যে কাঁদে। বলবো দুই শিশুর আ’দালতে কান্নার গল্প। সারাদিন আ’দালতের বারান্দায় ঘুরেও মেলেনি জামিন। গল্পটা হয়তো বিচারকের বিচারিক মন প্রয়োগ না করার ফলও বলা যায়। আলিফের বয়স ১২ বছর।

ছোট্ট শিশু গা’লিফ মাত্র দুই বছর পেরিয়ে তিনের কাছাকাছি, অথচ মা নেই কাছে, নেই মায়ের ঘ্রাণ, আদর আর আবদার। বারান্দায় নি:শ্চুপ যন্ত্রণায় খুঁজে ফিরছে মাকেই। গেল বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে দাদীর করা মাম’লায় চৌদ্দ শিকের ভেতর আট’কে আছে মা, সাথে নেই বাবাও। পারিবারিক কলহের জের ধরে বরগু’নায় দাদীর দায়ের করা মিথ্যে মাম’লায় মা এখনো কারা’গারে।

একই মাম’লায় বাবা গ্রে’ফতারি পরোয়ানা নিয়ে আ’ত্মগোপ’নে। দাদী ও ফুফু শিশু সন্তানদের ঘর থেকে বের করে দেয়ায় বাধ্য হয়ে দুগ্ধপোষ্য শিশুভ্রাতাকে সঙ্গে নিয়ে মায়ের মুক্তি চেয়ে আজ জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্তরে অবস্হান কর্মসূচি করে ১২ বছরের অ’সহায় শিশু আলিফ। গতকাল শনিবার (১৭ জুলাই) সকালে শহরের টাউনহল এলাকার অ’গ্নিঝরা একাত্তরের পাদদেশে অ’সহায় দুই শিশুর এ অবস্থান কর্মসূচি দেখতে ভিড় জমান উৎসুক জনতা।

আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই। ভুক্তভোগী শিশু আলিফের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাবার চাকুরির সুবাদে তারা গাজিপুর জেলায় বসবাস করে আসছিল। সে সেখানকার একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের স’প্ত ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে মেধাবী শিক্ষার্থী আলিফ ইংল্যান্ডে লেখাপড়ার সুযোগ পেয়েছে। তার ভিসাও প্রস্তুত। করোনার কারণে তার ইংল্যান্ড যাওয়া বিলম্বিত হয়েছে।

অথচ এমন একটি সময়ে তার দাদীর দায়ের করা মিথ্যে মাম’লায় কারা’গারে রয়েছে তাদের মা আনিতা জামান। শিশু আলিফ আরও জানায়, তার বয়স এখন ১২ বছর। অথচ মিথ্যে মাম’লায় তার বয়স ১৮ বছর দেখিয়ে তাকেও আসামী করা হয়েছে!
অন্যদিকে উভ’য়পক্ষের আইনজীবীর সাথে কথা বলে জানা গেছে,

করোণাকালীন সময়ে গত দুই তিনমাস ধরে শিশু আালিফ ও গা’লিফকে নিয়ে মা আনিতা জামান বরগু’নায় তাদের গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার আয়লাপাতাকা’টা ইউনিয়নের খেজুর তলা গ্রামে বসবাস করছে। জমিজমা সংক্রা’ন্ত বি’ষয় নিয়ে পারিবারিকভাবে আলিফ ও গা’লিফের বাবা মনিরুজ্জামান জুয়েল ও তার মা-বোনদের মাঝে কলহ চলছে। মাম’লায় আলিফের বাবা-মায়ের বিরু’দ্ধে বৃ’দ্ধ দাদীকে মা’রধরের অ’ভিযোগ করা হয়েছে।

ওদিকে বাবা মো. মনিরুজ্জামান জুয়েল গাজিপুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। মাম’লায় ঘটনার যে সময় দেখানো হয়েছে সেসময় আলিফের বাবা মো. মনিরুজ্জামান জুয়েল তার কর্মস্থলে ছিলেন। সেখানে ডিজিটাল হাজিরায় তার হাজিরা রয়েছে। অথচ মিথ্যে তথ্য দিয়ে সেই মাম’লায় তার বাবা মনিরুজ্জামান জুয়েলকেও আসামী করা হয়েছে। তার নামে গ্রে’ফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

এ অবস্থায় ২ বছরের দুগ্ধপোষ্য শিশু ছোট ভাই গা’লিফকে নিয়ে চরম অ’সহায়ত্বের মধ্য দিয়ে দিন কাটছে তাদের। তাই প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে এ মিথ্যে মাম’লা থেকে মায়ের মুক্তির দাবি জানিয়েছে অ’সহায় দুই শিশু আলিফ ও গা’লিফ। মা অনিতা জামানের জামিন চাইতে ভার্চুয়াল আ’দালতে এসেছিলেন আলিফ এবং গা’লিফ।শুনানির জন্য পুনরায় আগামীকাল (সোমবার) দিন ধার্য করেছেন আ’দালত।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *