এই এক টুকরো জমিতেই যমুনা রানী -মুসলিমাদের খুশি

যশোরের চৌগাছায় মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহারের ঘর পেয়েছে ৩৫টি গৃহহীন-ভূমিহীন পরিবার। ২ শতাংশের এক টুকরো জমি আর সেমিপাকা ঘর যমুনা-মুসলিমার মতো অসহায়দের দিয়েছে অনেক অনেক খুশি।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুধু সৃষ্টি কিংবা মুসলিমা নয়- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ উপহার পেয়েছেন স্বামী পরিত্যক্তা আনুবালা, বিধবা সীতা রানিসহ ৩৫ জন হতদরিদ্র। ইউএনও এবং পিআইও নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন অসহায় এসব মানুষের।

স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখেই আছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাওয়া মুসলিমা স্বামী পরিত্যক্তা আনুবালা জানান, কৈশরে বিয়ে হওয়ার কিছুদিন পরই স্বামী তাকে রেখে চলে যায়। এক পর্যায়ে বৃদ্ধা মাকে নিয়ে শুরু করেন ভিক্ষাবৃত্তি। জায়গা-জমি না থাকায় গ্রামের একজনের জমিতে কোনোরকমে ঝুপড়ি তুলে মাথা গুঁজতেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের মতো অসহায়দের দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন। মাথা গোঁজার ঠাঁই দিয়েছেন। এখন আর তাদের ভিক্ষা করতে হবে না। ঝড়-বাদল মাথায় নিয়ে রাত কাটাতে হবে না। একই উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের গুয়াতলী গ্রামের বাসিন্দা যমুনা রানি জানান।

আগে দিনমজুর স্বামীর আয়ে তারা কোনোরকমে খেতে পারতেন। এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে ভালোভাবেই খেয়ে-পড়ে বাঁচতে পারছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ঘরে স্বামী ও একমাত্র ছেলেকে নিয়ে থাকছেন। এখন আর তাদের কোনো দুঃখ-কষ্ট নেই।

সেমিপাকা ঘর ও ২ শতাংশ জমি সৃষ্টি দাস-যমুনা রানিকে এনে দিয়েছে অঢেল খুশি আনুবালা-যমুনা রানির মতো একই কথা বললেন একই গ্রামের সহায়-সম্বলহীন বিলকিস, জরিনা, মুসলিমা সাগরিকা। ২ শতাংশ জমি আর সেমিপাকা ঘরই যেন তাদের কাছে অঢেল খুশি নিয়ে এসেছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, চৌগাছায় মুজিববর্ষে প্রথম পর্যায়ে ২৫ জনকে জমিসহ ঘর দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে আরো ১০ জনকে। প্রতিটি পরিবার সুখে আছে।

চৌগাছার ইউএনও প্রকৌশলী এনামুল হক বলেন, সরকারি জমিতে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৩৫টি অসহায় পরিাবরকে ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের অর্থের সঠিক ব্যবহার করে পর্যায়ক্রমে উপজেলার সবগুলো ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *