সম্প্রতি বাবা IAS হতে পারেনি, তাই মেয়ে IAS হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করলেন

কেউ একজন খুব খাঁটি একটি কথা বলেছিলেন যে প্রতিটি বাবাই তার কন্যা সন্তানের জন্য গর্বিত।আমরা প্রায় সময়ই এমন অনেক প্রতিবেদন সুমি যেখানে দেশের মেধাবী কন্যারা কেবল তাদের পরিবারের ই নয় পুরো দেশের নাম উজ্জ্বল করে। এই কারণে কন্যা সন্তানদের বাবাদের তাদের জন্য গর্ববোধ হয়।

আজ আমরা এমনই একজনের কথা আপনাকে বলতে যাচ্ছি যে তার বাবার স্বপ্ন পূরণ করেছে। তার নাম সাক্ষী যিনি কঠোর অধ্যয়ন করেছেন এবং তিনি আই এ এস অফিসার হয়েছেন এবং তার বাবার স্বপ্নকে পূরণ করেছেন।

উত্তরপ্রদেশের রবার্ট গঞ্জে বসবাসকারী সাক্ষী 2018 সালের ব্যাচে আইএএস হয়েছেন। তিনি নিজের সম্পর্কে বলেছেন যে তিনি প্রথম থেকেই পড়াশোনায় ভালো ছিলেন।

তিনি রবার্ট গঞ্জে স্নাতক পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। সাক্ষী পড়াশোনায় খুব ভাল ছিলেন তিনি দশম শ্রেণীতে 76 শতাংশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে 81.4 শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। তারপরে চিনি সরকারি মহিলা কলেজ থেকে বিএ পাস করেছেন। দ্বাদশ শ্রেণি পরীক্ষা দেওয়ার পরে সাক্ষী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে তিনি ইউপিএসসি করার প্রস্তুতি নেবেন।

তারপরে তিনি যখন ভালো নাম্বার নিয়ে উত্তীর্ণ হন তখন তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হোন কিন্তু সেই সময়ে রবার গঞ্জে কোন প্রতিযোগিতা পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার উপযুক্ত উপায় ছিল না।তাই সাক্ষী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে তার স্নাতক শেষ হলেই ইউপিএস এর জন্য প্রস্তুতি শুরু করবে।

সাক্ষী বলেছেন যে স্নাতক শেষ করার পর তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে তিনি দিল্লি গিয়ে ইউপিএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেবেন। তিনি যখন এই বিষয়ে তার বাবাকে জানালেন যে তিনি পড়াশোনার জন্য দিল্লি যাবেন এবং ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আইএএস অফিসার হতে চান তখন তার বাবা খুব খুশি হন কারণ তিনি নিজেই আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

সাক্ষীর বাবা তাকে অনেক সমর্থন করেছিলেন, তার বাবার নাম কৃষ্ণ কুমার গার্গ এবং তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার মা রেনুদেবী একজন গৃহিণী। সাক্ষী বলেছেন যে তার বাবা আইএএস হতে চেয়েছিলেন তবে কিছু কারণে তার ইচ্ছা পূরণ হয়নি।

তাই তিনি সর্বদা সাক্ষীকে ইউপিএসসি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য মানসিকভাবে সমর্থন করেছেন এবং তাকে প্রস্তুতিতে অনেক হেল্প করেছেন। সাথী বাবা বলেছেন যে তিনি খুব খুশি যে তার মেয়েরদ্বারা তার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন টি পূরণ হয়েছে। আমরা সবাই দেশের এই মেয়েদের নিয়ে খুবই গর্বিত।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *