প্রাচীন আয়ুর্বেদ বলেঃ প্রতিদিন তুলসি পাতা খেলে দূরে থাকবে যেসব কঠিন রোগ।

আদিকাল থেকে বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে তুলসি পাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত আছে বেশ কিছু শক্তিশালী উপাদান। যা আমাদের নানাবিধ রোগ সারাতে দারুণভাবে সাহায্য করে। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও এর উল্লেখ রয়েছে।
তবে তুলসি পাতা চিবিয়ে খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, এই কথা অনেকেই জানেন না।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, তুলসি পাতা চিবানোর সময় তা থেকে প্রচুর মাত্রায় আয়রন এবং মার্কিউরি স্যালাইভা সঙ্গে মিশতে শুরু করে। ফলে দাঁতের মারাত্মক ক্ষতি হয়। সেই সঙ্গে শরীরের উপরও কু-প্রভাব পরে। তাই তো তুলসি পাতা না চিবিয়ে পানির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। আর যদি পানির সঙ্গে খেতে ইচ্ছা না করে।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

তাহলে সরাসরি পাতাটা গিলেও ফেলতে পারেন। আর যদি এমনটাও করতে ইচ্ছা না করে, তাহলে তুলসি পাতা দিয়ে বানানো চা খেতে পারেন। এমনটা করলেও দারুণ উপকার মেলে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে প্রতিদিন তুলসি পাতা খাওয়া শুরু করলে কী কী উপকার মিলতে পারে চলুন এবার সেগুলো জেনে নেয়া যাক-

ডায়াবেটিস দূরে থাকে

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত তুলসি পাতা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাও বাড়ে। ফলে শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই থাকে না। প্রসঙ্গত, মেটাবলিক ড্য়ামেজ-এর হাত থেকে লিভার এবং কিডনি-কে বাঁচাতেও তুলসি পাতা দারুণভাবে সাহায্য করে।

ক্যান্সার দূরে থাকে

তুলসি পাতায় উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীরের ভেতরকার ক্যান্সার সেল যাতে কোনোভাবেই জন্ম নিতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগ পায় না। প্রসঙ্গত, গবেষণায় দেখা গেছে তুলসি পাতা লাংস, লিভার, ওরাল এবং স্কিন ক্যান্সার-এর প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে ফাইটোনিউট্রেয়েন্ট-এর পাশাপাশি তুলসি পাতায় থাকা একাধিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ব্রণের প্রকোপ কমে

তুলসি পাতায় উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণুদের সঙ্গে সঙ্গে মেরে ফেলে। ফলে ব্রণের প্রকোপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে নানাবিধ সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, ব্রণের চিকিৎসায় তুলসি পাতা খেতে পারেন অথবা সরাসরি মুখে পেস্ট বানিয়ে লাগাতেও পারেন। দুই ক্ষেত্রেই সমান উপকার পাওয়া যায়।

রক্ত পরিশুদ্ধ হয়

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ২ থেকে ৩টি তুলসি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান এবং টক্সিন শরীরের বাইরে বেরিয়ে যায়। ফলে শরীর ভেতর থেকে চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

স্ট্রেস কমায়

তুলসি পাতা খাওয়া মাত্র কর্টিসল হরমোনের ক্ষরণ কমে যেতে শুরু করে। ফলে স্ট্রেস লেভেলও কমতে শুরু করে। কারণ কর্টিসল হরমোনের সঙ্গে স্ট্রেস-এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। প্রসঙ্গত, ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমাতেও তুলসি পাতা দারুণভাবে সাহায্য করে। তাই তো এবার থেকে যখনই মনে হবে মানসিক চাপ হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখনই তুলসি পাতা খাওয়া শুরু করবেন। দেখবেন উপকার মিলবে।

মাথা যন্ত্রণা কমায়

সিডেটিভ এবং ডিসইনফেকটেন্ট প্রপাটিজ থাকার কারণে তুলসি পাতা যে কোনো ধরনের মাথা যন্ত্রণা কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে। তাই আপনি যদি প্রায়শই সাইনাস বা মাইগ্রেন-এর সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে কষ্ট কমাতে তুলসি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে

একাধিক পুষ্টিগুণে ভরপুর তুলসি পাতা, দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ছানি এবং গ্লুকোমার মতো চোখের রোগকে দূরে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন আটকাতেও সাহায্য করে।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

সর্দি-জ্বরের প্রকোপ কমায়

তুলসি পাতা হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। তাই তো জ্বর এবং সর্দি-কাশি সারাতে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে তুলসি পাতা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র যে যে ভাইরাসের কারণে জ্বর হয়েছে, সেই জীবাণুগুলোকে মারতে শুরু করে। ফলে শরীর ধীরে ধীরে চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *