নিশ্চয়ই জানেন, আট অভ্যাস কমিয়ে দিতে পারে পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট ।

বন্ধ্যাত্বের জন্য যে কেবল নারীরা দায়ী তা কিন্তু নয়। বর্তমান পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ বন্ধ্যাত্বের জন্যই দায়ি পুরুষেরা। পরিবার পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে পুরুষের পর্যাপ্ত স্পার্ম কাউন্ট বা শুক্রাণুর সংখ্যা।

নিশ্চয়ই জানেন, পিতা হওয়ার সুখ পেতে চাইলে পুরুষের পর্যাপ্ত স্পার্ম কাউন্ট বা শুক্রাণুর সংখ্যা থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। মদ্যপান, ধূমপান, ব্যায়াম বা শ্রমসাধ্য শরীরচর্চার মতো একাধিক বিষয় স্পার্ম কাউন্টের ওপর প্রভাব ফেলে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক এমন ৮টি কারণ যেগুলো আপনার অজান্তেই কমিয়ে দিতে পারে স্পার্ম কাউন্ট বা শুক্রাণুর সংখ্যা।

মাত্রাতিরিক্ত কাজের চাপ শুক্রাণুর স্বাভাবিক উত্পাদনে বাধা সৃষ্টি করে।

সানস্ক্রিনের মধ্যে থাকা বিপি-২, ৩০এইচ-বিপি শুক্রাণুর সংখ্যা কমিয়ে দেয়। তাই অতিরিক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

স্পার্ম কাউন্ট স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত সুস্থ, স্বাভাবিক যৌন জীবন। তা না হলে ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে শুক্রাণুর সংখ্যা।

পিতৃত্ব সুখ পেতে চাইলে অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। কারণ একাধিক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে যে অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে শুক্রাণুর স্বাভাবিক উত্পাদন বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে ধীরে ধীরে কমে যায় শুক্রাণুর সংখ্যা।

অতিরিক্ত আঁটোসাঁটো আন্ডারওয়্যার বা অন্তর্বাস পরলে কমে যায় স্পার্ম কাউন্ট। সম্প্রতি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির হিউম্যান রিপ্রোডাকশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

শুক্রাশয় থাকে শরীরের বাইরে। কোলের উপর ল্যাপটপ রেখে কাজ করার ফলে উত্তপ্ত ল্যাপটপের সংস্পর্শে স্পার্মের স্বাভাবিক উত্পাদন বাধাপ্রাপ্ত হয়।

মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের অভ্যাস শরীরে ফ্লুইডের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। ফলে কমে আসে স্পার্ম কাউন্ট। তাছাড়া নিকোটিন শুক্রাণুর স্বাভাবিক উত্পাদনে পরোক্ষভাবে বাধা সৃষ্টি করে।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসল করার অভ্যাস শুক্রাশয়ের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে শুক্রাণুর স্বাভাবিক উত্পাদন বাধাপ্রাপ্ত হয়। যে কারণে ধীরে ধীরে কমে যায় শুক্রাণুর সংখ্যা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *