চুলুন জেনে নেই- নিঃসন্তান দিলীপের ছেলের মত ছিলেন শাহরুখ।

ভালোবেসে ১৯৬৬ সালে ২২ বছরের ছোট সায়রা বানুর সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন দিলীপ কুমার। দাম্পত্য জীবনে ৫৪টি বসন্ত একসঙ্গে কাটিয়েছেন এই তারকা দম্পতি। একটাই আফসোস তাদের কোনো সন্তান হয়নি।

সন্তান না থাকলেও তাদের কোনো দু:খ ছিল না। বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানকে তারা নিজেদের সন্তানের মতোই আগলে রাখতেন। শাহরুখও এই দম্পতির স্নেহ-মমতার মূল্য দিয়েছেন। বুধবার দিলীপের মৃত্যুর পর বলিউডের অনেকেই ছুটে এসেছিলেন তাকে সান্ত্বনা দিতে।

বরেণ্য অভিনেতা অনুপম খের থেকে শুরু করে বিদ্যা বালান, করন জোহর, ধর্মেন্দ্র, শাবানা আজমি, অনিল কাপুর ও রণবীর কাপুরের মতো তারকারা এসেছিলেন দিলীপ কুমারের বাড়িতে। এসেছিলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানও।

এতো তারকা দিলীপ কুমারের বাড়িতে এলেও দিনশেষে ভাইরাল হয়ে গেছেন শাহরুখ খান। সায়রা বানুর পাশে বসে তিনি তাকে সান্ত্বনা দিয়েছেন। ওই মুহূর্তটি ছড়িয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। আর রাতারাতি সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

দিলীপ কুমারের সঙ্গে শাহরুখ খানের দারুণ সম্পর্ক ছিল। তাই দিলীপের প্রয়াণে অন্যদের চেয়ে তার দুঃখটা একটু বেশিই বটে। আর সেই দুঃখভরা মন নিয়েই তিনি সান্ত্বনা দিয়েছেন সায়রা বানুকে।

জানা গেছে, সায়রার গর্ভে এসেছিল সন্তান। তবে সন্তানধারনের পর সায়রা অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসক বাঁচাতে পারেনি দিলীপ-সায়রার সন্তানকে। ঠিক এই ঘটনার পরেই দিলীপ কুমার ১৯৮১ সালে আসমা রেহমানকে বিয়ে করেন। যা টিকে ছিলো মাত্র দুবছর।

প্রেমের টানে ফের সায়রার কাছেই ফিরে এসেছিলেন তিনি। আর দ্বিতীয় বিয়ে করা কিংবদন্তি এই তারকার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিলো সেটি নিজে মুখে স্বীকারও করেছেন।

এদিকে দিলীপ-সায়রার নিজেদের কোনো সন্তান না থাকলেও শাহরুখ খানকে নিজের ছেলের মতোই ভালোবাসতেন এই তারকা দম্পতি। এমনকি তাদের ‘মুহ বোলা বেটা’ (মুখে বলা বা পাতানো ছেলে) বলিউডের এই অভিনেতা।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

তিন বছর আগে দিলীপ কুমার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শাহরুখ খান। পরে এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখের সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা শেয়ার করেছিলেন সায়রা বানু।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *