চলুন জেনে নেয়া যাকঃ চোখের পাতা কেঁপে ওঠা সাত মারাত্মক রোগের লক্ষণ।

চোখের পাতা কেঁপে ওঠা বা লাফানো নিয়ে অনেকেই অনেক মন্তব্য করে থাকেন। কেউ ভালো আবার কেউ খারাপ মন্তব্যও করেন। আবার আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা অনেক কুসংস্কারও বিশ্বাস করেন। যেমন- হঠাৎ করে চোখের পাতা লাফিয়ে ওঠা মানে, নিশ্চয়ই অসুস্থতা বাড়বে বা বিপদ আসতে চলেছে! আসলে এসবই ভ্রান্ত ধারণা। চোখের পাতা কেঁপে ওঠার কয়েকটি কারণ আছে।

যা শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। সাধারণত পেশীর সংকোচনের ফলেই চোখের পাতা কেঁপে ওঠে। ডাক্তারি ভাষায় যাকে বলা হয় মিয়োকোমিয়া। দিনে দুই একবার এমনটি হওয়া স্বাভাবিক। তবে যদি এটি মাত্রাতিরিক্ত হয় ও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাত্রাতিরিক্ত চোখের পাতা কাঁপা বা লাফানোর কারণ হতে পারে ৭টি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো-

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল গ্রহণের ফলেও চোখের পাতা কেঁপে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল অতিরিক্ত সেবনে মিয়োকোমিয়া হতে পারে। তাই এসব বর্জন করাই শ্রেয়।

কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা, অতিরিক্ত অ্যালকোহলের প্রভাব, চোখে কন্ট্যাক্ট লেন্স ঠিকমতো না বসানো কিংবা বয়সজনিত কারণে চোখের মধ্যকার নার্ভ দুর্বল হয়ে পড়ে। চোখের শুষ্কতার কারণে চোখের পাতা লাফায় বলে চক্ষু চিকিৎসকরা মনে করেন।

পরিমিত ঘুমের অভাব বা অন্য কোনো কারণে ক্লান্তি থেকে চোখের পাতা লাফাতে পারে। এর জন্য পরিমিত ঘুম দরকার। তাহলে চোখের পাতা লাফানোও ঠিক সেরে যাবে।

মানসিক চাপের কারণেও এমনটি হতে পারে। অনেকেই মানসিক চাপে ভুগে থাকেন। এর ফলে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। ঠিক তেমনই চোখের পাতা লাফানো মানসিক চাপের লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে।

চোখের সমস্যার কারণেও এটি হতে পারে। দৃষ্টিগত যেকোনো সমস্যা থাকলে, তা চোখের উপর চাপ পড়ে। অনেকক্ষণ ধরে টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের দৃষ্টিতে তা প্রভাব ফেলতে পারে।

পুষ্টির ভারসাম্যহীনতাকেও চোখের পাতা লাফানোর একটি কারণ হিসেবে দেখানো হয়। বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাবজনিত কারণে এমনটি হতে পারে।

অ্যালার্জির ফলে অনেকের চোখ চুলকায়। এক্ষেত্রে চোখের জলের সঙ্গে হিস্টামিনও নির্গত হয়। এ কারণে চোখ কেঁপে উঠতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

করণীয়
অতিরিক্ত চোখ লাফানোর প্রতিকার হিসেবে গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন। ঠাণ্ডা গোলাপ জলে একটি সুতির কাপড় ডুবিয়ে চোখের উপর দিতে পারেন। উপকার মিলবে। এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *