পায়ে র’ক্তক্ষরণ মেসিরঃ তবুও থামেননি ।

কো’পা আমেরিকার সেমিফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ে পায়ে আঘা’ত নিয়েই খেলে গেলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। প্রতিপক্ষের ট্যাকেলে পায়ে আঘা’ত পেয়ে র’ক্ত ঝরে মেসির তবুও থামেননি তিনি। দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন। মেসির পা থেকে র’ক্ত ঝরার ছবি ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এদিন সেমিফাইলে ম্যাচের শুরুতে মাত্র সাত মিনিটেই মেসির পাস থেকে কলম্বিয়ার জাল খুঁজে নেন লাউতারো মা’র্টিনেজ। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। তবে বিরতির পর ম্যাচে সমতায় ফেরায় কলম্বিয়া। ৯০ মিনিট পর্যন্ত ১-১ গোলে সমতা বিরাজ করায় ম্যাচটি গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শুটআউটে কলম্বিয়ার তিনটি শট রুখে দিয়ে ম্যাচে নায়ক বনে গেছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক অ্যামিলিয়ানো মা’র্টিনেজ।

মা’র্টিনেজ নায়ক হলেও দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ফাইনালে তুলেছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। এইদিন ম্যাচের ৫৭ মিনিটের মাথায় প্রতিপক্ষের ট্যাকেলে পড়ে পায়ে আঘা’ত পান মেসি। মুহূর্তে শুরু হয় র’ক্তক্ষরণ। পা দিয়ে ঝরছে র’ক্ত। তবুও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চালিয়ে গেছেন ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ের যু’দ্ধ। সেই লড়াইয়ের ফলও পেয়েছেন। দলকে নিয়ে হাসিমুখে উঠেছেন কো’পার ফাইনালে। যেখানে তাদের জন্য অ’পেক্ষা করছে চির প্রতিদ্বন্দী ব্রাজিল।

পায়ে র’ক্তক্ষরণ মেসির
দল এবং দেশের প্রতি মেসির এমন ভালোবাসা দেখে এক ক্রীড়া সাংবাদিক লিখেছেন,জীবনে এমন সময় আসে তখন পিছে তাকানোর সময় থাকে না। এই মেসি অন্য মেসি। অনেক ভাল লাগলো আসলেই। প্যাট্রিক শিকের নাক দিয়ে র’ক্ত ঝরা দেখেছি। ওইভাবে পেনাল্টিতে শট নিয়েছেন। আর আজ দেখলাম মেসিকে।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

মেসির র’ক্তক্ষরণের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে রাজিব হাসান নামক এক ভক্ত লিখেছেন, কতবার হৃদয়ে র’ক্তক্ষরণ হয়েছে তার, জানে মহাকাল। অজস্র কাব্য ঝরানো মেসির বাঁ পায়ে আজ র’ক্ত ঝরল। তবু খেলে গেলেন। নাইটেংগেল পাখি, র’ক্ত দিয়েই তো ফো’টায় লাল গো’লাপ! নিয়তি এর প্রতিদান নিশ্চয়ই আপনাকে দেবে প্রিয় মেসি!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *