তোপখানা রোডের সেই দম্পত্তির হাতে যেভাবে নির্যাতিত হয়েছিল সুইটি

রাজধানীর তোপখানা রোডের একটি বাসা থেকে উ’’দ্ধার করা হয়েছিল সুইটি নামে ১২ বছর বয়সী এক শিশু গৃহকর্মীকে। নি’র্মমভাবে তাকে পে’টানো হয়েছিল। এ অ’ভিযোগে এরই মধ্যে ৫৪ ধা’রায় গ্রে’’ফতার করা হয়েছে মো. তান‌ভির আহসান পাভেল ও তার স্ত্রী অ্যাড‌ভো‌কেট না‌হিদ জাহান আঁখিকে। পরে তাদের দু’জনের বি’রু’দ্ধে সুনির্দি’ষ্ট অ’ভিযোগ এনে সংশ্লি’ষ্ট মা’ম’লায় গ্রে’’ফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।

আর সেই আবেদনেই তুলে ধ’রা হয়েছে, তাদের হাতে কিভাবে সুইটি নি’র্যাতনের শি’কার হয়েছিল। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) মা’ম’লা’টির ত’দন্ত কর্মক’র্তা শাহবাগ থা’নার উপপরিদর্শক (এসআই, নিরস্ত্র) জাহাঙ্গীর হোসেন ৫৪ ধা’রায় গ্রে’’ফতার হয়ে কারা’গারে দুই আ’সামিকে এ মা’ম’লায় গ্রে’’ফতার দেখানোর আবেদন করেন।

মা’ম’লার এজাহারের আলোকে ত’দন্ত কর্মক’র্তা গ্রে’’ফতারের আবেদনে বলেন, ঠিকমতো কাজ না করার অজুহাত দেখিয়ে তানভীর আহসান পাভেল ও নাহিদ জাহান আঁখি বিভিন্ন সময়ে কারণে-অকারণে সুইটিকে দীর্ঘদিন ধরে অমান’বিকভাবে মা’রধর করে আসছেন।

এর মধ্যে গত ১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে লা’ঠি দিয়ে সুইটির হাত, পা, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আ’ঘা’ত করে জ’খম করেন তারা। পরে রাত ১০টার দিকে সুইটির শরীর থেকে পোশাক খুলে ওড়না দিয়ে হাত বেঁধে রাখেন। এরপর মশা মা’রার ইলেকট্রিক ব্যাট দিয়ে সুইটির শরীরে ক্রমাগত আ’ঘা’ত করেন তারা। এতে পশ্চাৎদেশের মাংস ঝলসে যায়।

আবেদনে আরও বলা হয়, পাভেল ও নাহিদ রুটি তৈরির কাঠের বেলন দিয়ে আ’ঘা’ত করে সুইটির বাম হাতের কনুইয়ের হাড় ভেঙে দেন। শুধু তাই নয়, সুইটির যৌ’’নাঙ্গেও সেই বেলন ঢুকিয়ে নি’র্যাতন করেন নাহিদ। সুইটির চোখে-মুখে ও যৌ’’নাঙ্গে ম’রিচও লাগিয়ে দেন। এতে সুইটির যৌ’’নাঙ্গও ক্ষত-‘বিক্ষত হয়েছে।

ত’দন্ত কর্মক’র্তা আবেদনে লিখেছেন, সুইটি ক্রমাগত নি’র্যাতন থেকে বাঁচতে ১ জুলাই পাভেল ও নাহিদের বাসা থেকে পালানোর চে’ষ্টা করে ব্য’র্থ হয়। ওই সময় তাকে দুই দিন বাথরুমে আ’ট’কে রাখা হয়, কোনো খাবারও দেওয়া হয় না। ৩ জুলাই সুইটি বাথরুম থেকে বের হয়ে তাদের ঘরে থাকা বিস্কুট খেলে আ’সামিরা ফের তাকে মা’রধর করে। পরে সুইটি কৌশলে ওই বাসায় থেকে পালিয়ে অন্য একজনের বাসায় আশ্রয় নেয়।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

সুইটি পালিয়ে যাওয়ার পর তার ওপর চালানো শারীরিক নি’র্যাতনের কিছু ছবি তুলে একজন প্রতিবেশী শনিবার (৩ জুলাই) ফেসবুকে পোস্ট করেন এবং আইনি সহায়তার আকুতি জানান। এরপর ফেসবুক পোস্টটি পুলিশের নজরে এলে পুলিশ গিয়ে সুইটিকে উ’’দ্ধার এবং নি’র্যাতনকারী দম্পতিকে গ্রে’’ফতার করে।

সুইটির বাবা শহিদ মিয়া শাহবাগ থা’নায় তানভীর আহসান পাভেল ও নাহিদ জাহান আঁখিকে আ’সামি করে সোমবার (৫ জুলাই) মা’ম’লা দায়ের করেছেন। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্ম’দ জসিমের আ’দালত আগামী ১৫ জুলাই আ’সামিদের উপস্থিতিতে গ্রে’’ফতার দেখানোর বি’ষয়ে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন। একইসঙ্গে আগামী ২ আগস্ট মা’ম’লার ত’দন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন নির্ধারণ করেন দিয়েছেন।

সুইটির বাবা শহিদ মিয়া জনান, অভাবের কারণে ৯ মাস আগে সুইটিকে কাজ করার জন্য ঢাকায় পাঠান তিনি। মাসে তিন হাজার টাকার বিনিময়ে সুইটিকে রাখা হয় ওই বাসায়। মে’য়েকে রেখে যাওয়ার সময় দুই মাসের বেতন তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন। এরপর গত সাত মাসে তানভির-নাহিদ দম্পতি আর কোনো টাকা দেননি সুইটির বাবাকে। সুইটির সঙ্গে ফোনেও কথা বলতে দেননি, ঢাকায় এলেও দেখা করতে দেননি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *