তিনি ঢামেকের ওয়ার্ডবয় হয়ে গেলো এমবিবিএস ডাক্তার!

তিনি নিজের পরিচয় দেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তার নামের পাশে লেখা থাকে বড় বড় ডিগ্রি— এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরোলজি) ও এফআরসিপি (লন্ডন)। এমন ‘গু’ণধর’ ব্যক্তিটিই গত সাত বছরে কুমিল্লা, মাগু’রা ও সবশেষ চট্টগ্রামে তিনবার গ্রে”প্ত ার হয়েছেন।

দুই দফায় কারা’গারে ছিলেন দেড় বছর। প্রতিবারই কারা’গার থেকে বের হয়ে এসে আবার পুরনো ‘কাজে’ জড়িয়ে পড়েন। নাম তার মো. খোরশেদ আলম (৪২)। পড়ালেখা করেছেন অ’ষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে কাজ করতেন ওয়ার্ডবয় হিসেবে।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

তবে শিক্ষার গণ্ডি অ’ষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হলেও ওয়ার্ডবয়ের কাজ করার অ’ভিজ্ঞতা দিয়ে একাধিক ভু;য়া ডিগ্রি ব্যবহার করে শুরু করেন ডাক্তারি। চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর কাট্টলীর এক ফার্মেসিতে বসে রোগী দেখার নামে করে চালিয়ে যাচ্ছিলেন প্রতারণা।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকালে নগরীর উত্তর কাট্টলীতে নিউরোমেডিসিনের ডাক্তার সেজে বসা এই প্রতারক খোরশেদ আলমকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা করোনা মেডিসিন ব্যাংকের’ সহায়তায় আট’ক করে আকবরশাহ থা’নার পুলিশ।গ্রে”প্ত ার খোরশেদ আলম হাটহাজারী থা’নার আব্দুর রহিমের ছেলে। ভু;য়া ডাক্তার পরিচয় দিয়ে থাকতেন নগরের পাহাড়তলী থা’নার সরাইপাড়া এলাকায়।

পুলিশ জানায়, খোরশেদ আলম মূলত ঢাকা মেডিকেল কলেজের একজন ওয়ার্ডবয় ছিলেন। পরে নিজেই ডাক্তার সেজে কুমিল্লায় এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখতেন। ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ভ্রাম্যমাণ আ’দালত কুমিল্লার ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ’ভিযান চালিয়ে খোরশেদ আলমকে আট’ক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আ’দালতের মাধ্যমে ভু;য়া চিকিৎসক হিসেবে তাকে ছয় মাসের কারা’দ’ণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এরপর মাগু’রায় স্থানীয় এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিউরো মেডিসিন এবং মেডিসিন ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে দুই মাস ধরে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। ২০১৭ সালের এপ্রিলে সেখানে ধ’রা পড়ার পর ভ্রাম্যমাণ আ’দালত এই ভু;য়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে এক বছরের কারা’দ’ণ্ড দেন।

ভু;য়া ডাক্তার ধ’রায় পুলিশকে সহায়তা দেয়া স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘করোনা মেডিসিন ব্যাংকের’ উদ্যোক্তা লায়ন ডা. মেসবাহ উদ্দিন তুহিন বলেন, চিকিৎসাসেবার মতো মহৎ একটি পেশাকে অ’ষ্টম শ্রেণি পাস একজন প্রতারক কিভাবে এমন নীচে নামাতে পারে ভাবতেই অবাক হই।’
আকবরশাহ্ থা’নার ওসি মো. জহির হোসেন জানান।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেছে বলে পরিচয় দিত খোরশেদ আলম। নামের পাশে লিখতেন এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরোলজী) ডিগ্রী। কিন্তু আট’কের পর জিজ্ঞাসাবাদে এসবের কোনো ডকুমেন্ট প্রদান করতে পারেননি তিনি। পরে স্বীকার করেন তিনি প্রকৃতপক্ষে অ’ষ্টম শ্রেণি পাশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ার্ডবয় হিসেবে কাজ করতেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *