সম্প্রতি ১০ ভাষায় কোরআনের হাফেজা ৯০ বছরের দৃষ্টিহীন বৃদ্ধা

বয়সের ভারে কাবু রুহিয়া আরাফা মনসুর। বয়স ৯০ বছর, তার ওপর তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। মিশরের এই নারী তবুও দমে যাননি। এই বয়সে এসেও পবিত্র গ্রন্থ কোরআনের মায়া ছাড়তে পারেননি। অন্তর চক্ষু দিয়ে তিলাওয়াত করেন রুহিয়া। তিনি দশরকম ভাবে কোরআন তিলাওয়াত সহকারে সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ করেছেন।

শাইখা রুহিয়া আরাফা মনসুর ১৯৩১ সালে মিশরের আল-দুখলিয়া প্রদেশের মিত গামার প্রদেশের আতমিদেহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন। তার বাবা তৎকালীন সময় একজন পুলিশ অফিসার ছিলেন। বাবার পোস্টিং-এর কারণে সেদেশের আশ-শারকিয়া প্রদেশে বসবাস করতে শুরু করেন তারা। সেখানকার স্বনামধন্য হাফেজ শাইখ আব্দুল গনি জুমার কাছে পবিত্র কোরআন শিক্ষাগ্রহণ করেন তিনি।

কোরআনের এই শিক্ষকের সন্তানদের সঙ্গেই ওহীর বাণী শিখতে শুরু করেন। এই ব্যাপারে মিশরের এই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হাফেজা বলেন, আমার বয়স যখন সাত বছর তখন আমি শেখ আবদুল গনির কাছে গিয়ে পবিত্র কোরআন হেফজ করতে শুরু করি এবং মাত্র দুই বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ করি।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

আমার বাবার ইচ্ছা ছিল আমি দশ পন্থায় কোরআন তিলাওয়াতের শিক্ষা অর্জন করি। আর তার ইচ্ছা পূরণের জন্য আমি আরও ৫ বছর কোরআন তিলাওয়াতের ক্লাসে যাই।

তিনি আরও বলেন, শাইখ আবদুল গনি সর্বদা আমার সঙ্গে তার মেয়ের মতো আচরণ করতেন। তার কাছে কোরআন তিলাওয়াত শেখার পর আমি আমার ২০ বছর বয়সে নিজ জন্মস্থানে ফিরে আসি এবং তখন থেকে আমি আমার আত্মীয়স্বজন এবং গ্রামবাসীদের মধ্যে ৭০ বছর ধরে বসবাস করেছি।

হাফেজা রুহিয়া আরাফা মনসুর বলেন, আমার মাধ্যমে অনেক শিশু কোরআনের হাফেজ হয়েছেন এবং বিভিন্ন আরব দেশের শিক্ষার্থীদের কোরআন তিলাওয়াতের অনুমতিপত্র দিয়েছি। চলতি বছর শাইখা রুহিয়া ৯০ বছরে পা দিয়েছেন। এতো বয়স হওয়া সত্ত্বেও পবিত্র কোরআনের প্রতিটি আয়াত তার দৃঢ় মুখস্থ রয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *