জেনে নিন- বিয়েতে খেতে চাননি কনে, চুলের মুঠি ধরে খাওয়ালেন বর!

বিবাহ’ জীবনচক্রের গু’’রুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। একজন নারী ও একজন পু’রুষের যৌ’থ জীবনের স্বতঃস্ফূর্ত অ’ঙ্গীকার এটি। যে চুক্তির মাধ্যমে বিপরীত লি’ঙ্গের দুজন মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন রচিত হয়, তা-ই বিয়ে। এর দ্বারা মানুষ তার মনের কামনাকে বিধিব’’দ্ধভাবে পূরণের স্বীকৃতি পায়। নতুন খবর হচ্ছে, বিয়েতে মি’ষ্টি খেতে চাননি কনে। তাই চুলের মুঠি ধরে হবু স্ত্রী’র মুখে মি’ষ্টি গু’’ঁজে দিল বর।

মি’ষ্টি খাওয়ানোর সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে। বরের সেই হিং’সাত্মক আচরণে রীতিমতো ক্ষু’ব্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা। ইনস্টগ্রামে পোস্ট করা সেই ভিডিওতে দেখা যায়, বিয়ে করতে আসার পর বরকে মি’ষ্টি খাইয়ে দিচ্ছেন কনে। তাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে রীতিমতো ল’জ্জা পাচ্ছেন। মুখ তুলেও সেভাবে চাইছিলেন না। তারইমধ্যে কনেকে মি’ষ্টি খাওয়াতে যায় বর।

কিন্তু মুখ ঘুরিয়ে নেন কনে। তাতেই প্রচণ্ড রাগ ওঠে বরের । চুলের মুঠি ধরে কনের মুখে মি’ষ্টি গু’’ঁজে দেয়। স্প’ষ্টতই বোঝা যাচ্ছিল যে কনে মুখ খুলতে চাইছেন না। হবু স্ত্রীর মুখে মি’ষ্টি যাওয়ার পর তবেই চুলের মুঠি ছাড়ে বর।আশ্চর্যজনকভাবে বরের পাশে এক মহিলা দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি কোনো শব্দও করেননি। অন্য কেউও সেখানে এগিয়েও আসেননি। তার পর এমন হাবভাব করে বর নড়েচড়ে দাঁড়ায়, দেখে মনে হচ্ছিল যেন যু’’দ্ধ জয় করেছে।

অফিসিয়াল-নিরানঞ্জনএম৮৭’ নামে একটি ইনস্টগ্রামে অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা সেই ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। তিনদিনে প্রচুর মানুষ সেই ভিডিওতে কমেন্টও করেছে। বরের সেই হিং’সাত্মক আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন নেটিজেনরা। এক নেটিজেন লিখেছেন, বিয়ের দিন এভাবে কনের স’ঙ্গে ব্যবহার করছেন বর – ল’জ্জাজ’নক!

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

ভগবান জানেন, কীভাবে বাকি জীবন তার স’ঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এরকম ব্যবহারের সময় কেউ আট’’কালও না।’ অ’পর আরেক নেটিজেন লিখেছেন, ‘এটা মোটেও মজাদার কিছু নয়। এটা হে’নস্থা। এরপর কী ‘’হতে চলেছে, তা এটা থেকেই ই’ঙ্গিত মিলছে। আমি বিশ্বা’স করতে পারছি না যে পরিবার এরকম ‘’হতে দিল। এগু’’লি মজার বা আনন্দের নয়, এগু’’লি দুঃখজনক।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *