বৈধভাবে বিদেশ থেকে আমদানি হতে যাচ্ছে অপরিশোধিত সোনা

এবার দেশে বৈধভাবে বিদেশ থেকে অপরিশোধিত ও আংশিক পরিশোধিত সোনা আমদানির কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। আমদানির পর তা কারখানায় পরিশোধন শেষে বার ও কয়েনে রূপান্তর করা হবে। এতে দেশে স্বর্ণালংকার তৈরির চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানির সুযোগ সৃষ্টি হবে। দেশে প্রথমবারের মতো অপরিশোধিত ও আংশিক পরিশোধিত সোনা আমদানির সুযোগ দিতে গত জুনে স্বর্ণ নীতিমালা-২০১৮ সংশোধন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এর ফলে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সোনা পরিশোধনের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে অপরিশোধিত ও আংশিক পরিশোধিত সোনা আমদানির অনুমতি নেবে, সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারিও করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বছর সোনা পরিশোধনের কারখানা স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির জন্য আবেদন করে দেশের একটি শিল্প গ্রুপ।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

গ্রুপের আবেদনেই অনুমতি দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করে মন্ত্রণালয়। সেই ধারাবাহিতায় স্বর্ণ নীতিমালা সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই শিল্প গ্রুপটি ছাড়াও সোনা পরিশোধনের কারখানা স্থাপনের অনুমতি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির একজন নেতাও।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সোনা পরিশোধনের জন্য কারখানা স্থাপন করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। অনুমোদনের শর্তানুযায়ী, সোনা পরিশোধনগার স্থাপন করতে হবে নির্ধারিত স্থান। অন্যান্য সবধরনের লাইসেন্সের পাশাপাশি সোনা পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানকে সরকার অনুমোদিত ব্যবসায়ী সংগঠনের বৈধ সদস্যও হতে হবে।

অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে অপরিশোধিত ও আংশিক পরিশোধিত সোনা আমদানির জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করতে হবে। সোনা আমদানির অনুমতি পেতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য জমা দিতে হবে- হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন সনদ, মূসক নিবন্ধন, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্যপদের কপি, প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জীবনবৃত্তান্ত।

পরিশোধনাগারের নির্ধারিত স্থানের মালিকানার দলিল ইত্যাদি।পাঁচ বছরের মেয়াদকালের অনুমতি পেতে ফি বাবদ জমা দিতে হবে ৩০ লাখ টাকা। মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাস আগে আবারো বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতির নবায়ন নিতে হবে।

সংশোধিত স্বর্ণ নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিশ্বের অলংকার উৎপাদক ও রফতানিকারককারী অন্যতম দেশগুলো হচ্ছে- বেলজিয়ামসহ ইউরোপের সব দেশ, ভারত, চীন। আর অলংকার আমদানিকারকের শীর্ষে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, চীন, যুক্তরাজ্য, হংকং, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বেলজিয়াম, জার্মানি ও সিঙ্গাপুর।। ২০১৯ সালে বিশ্বে ২২ হাজার ৯৩০ কোটি ডলারের মেশিন ও হাতে তৈরি সোনার অলংকার বাজারে ছিল।

কবিরাজ: তপন দেব,সাধনা ঔষধালয় । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

২০২৫ সালে সেটির আকার বেড়ে ২৯ হাজার ১৭০ কোটি ডলারে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। হাতে তৈরি অলংকারের মূল্য সংযোজন বেশি। সারা দুনিয়ার ৮০ শতাংশ হাতে তৈরি অলংকার বাংলাদেশ ও ভারতে তৈরি হয়। তবে নানা কারণে রফতানি বাজারে ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। এমনকি সোনার উচ্চমূল্যের কারণে দেশের বাজারও সংকুচিত হচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *