ফিরিয়ে দাও ভালোবাসাঃ বিয়ে যদি নাইবা করবে, ভালোবেসেছিলে কেন?

তুমি বিয়ে যদি নাইবা করবে তাহলে আমায় ভালোবেসেছিলে কেন। আমাকে বিয়ে করতে হবে না তোমার। তুমি ফিরিয়ে দাও আমার ভালোবাসা।
শুক্রবার বিকেলে বুকভরা আকুতি নিয়ে প্রেমিককে উদ্দেশ করে অনশনরত এক কলেজছাত্রী এসব কথা বলেন।

এক হাতে বিষের বোতল আর বগলে কাফনের কাপড় নিয়ে অনশন করছেন ওই কলেজছাত্রী। বিয়ের জন্য সাত দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন অনশনরত ওই তরুণী। প্রেমিক সাতদিনের মধ্যে বিয়ে না করলে তিনি আত্মহত্যা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এজন্য কাফনের কাপড়ও সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন তিনি।

তার অভিযোগ, তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করতে ব্যর্থ হয়ে ঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে দিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে সবাই। ফলে তরুণী একাকী ঘরের সামনে বসে অনশন করছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের বারবাড়ীয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে।

মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. সাইদুর রহমান বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী শুক্রবার সকাল ৯টার সময় ওই বাড়িতে এসে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন। অনশনরত ওই কলেজছাত্রী বলেন, আমার হাতে বিষের বোতল আর আমার বগলে রয়েছে কাফনের কাপড়।

এতদিন প্রেম করার পর যদি বিয়েই না হয় তাহলে এ জীবন রেখে লাভ কী? নিভিয়ে ফেলব এ জীবন প্রদীপ, তবু প্রেমিক ছাড়া অন্য পুরুষের ঘর করার প্রশ্নই উঠে না। এ বিষয়ে প্রেমিক মো. সাইদুর রহমান ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের কথা স্বীকার করে বলেন, প্রেম করলেই কী বিয়ে করতে হবে নাকি? এটা কোন আইনে লেখা আছে।

আমি ওর সঙ্গে সময় কাটিয়েছি মাত্র। বিয়ে করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। যে মেয়ে বিয়ের আগে এতসব করতে পারে বিয়ের পরে সে আরো না জানি কী করবে। কওয়া নেই, বলা নেই- আমার বাড়িতে এসে লঙ্কাকাণ্ড বাঁধিয়েছে। ও বাড়ি না ছাড়া পর্যন্ত আমরা কেউই ওই বাড়িতে যাব না।

গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদের মোল্লা বলেন, বিয়ের দাবিতে এক কলেজছাত্রীর অনশনের কথা শুনেছি। তবে অনশনরত ছাত্রীর মা-বাবা এ ব্যাপারে আমাকে কিছু জানাননি। যদি আমাদের কাছে ছেলে বা মেয়েপক্ষ জানায় তাহলে আমরা পদক্ষেপ নেব।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

ধামরাই থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান আতিক বলেন, ছেলে বা মেয়ের পক্ষ আমাদের কাছে লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *