অবশেষে জানা গেলো কেন এবং কোথায় রাখা হয়েছিল ত্ব-হা কে।

এক সপ্তাহ ‘নিখোঁজ’ থাকার পর ফিরে আসা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ‘ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে’ গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।
কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

শুক্রবার বিকেলে রংপুর ডিবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ক্রাইম ডিভিশনের উপ-কমিশনার আবু মারুফ হোসেন বলেন, আবু ত্ব-হা গাইবান্ধায় তার এক বন্ধুর বাসায় ‘আত্মগোপনে’ ছিলেন।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

“গাইবান্ধার ত্রিমাথায় তার বন্ধু সিয়ামের মায়ের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। তার সফরসঙ্গী আমির উদ্দিনের খোঁজও পেয়েছি। তাকেও ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।”

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মারুফ হোসেন বলেন, আবু ত্ব-হা এবং তার তিন সঙ্গী রংপুর থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। কিন্তু গাবতলী থেকে তারা গাইবান্ধায় চলে যান।

“আজ আমরা গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি, ত্ব-হা তার প্রথম স্ত্রীর বাড়িতে আছেন। সেখান থেকে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।”

গত ১০ জুন রাত থেকে কোনো খোঁজ মিলছিল না আবু ত্ব-হা এবং তার সঙ্গী আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ এবং গাড়িচালক আমির উদ্দিনের।

সেদিন বিকেল ৪টার দিকে ওই তিনজনসহ আবু ত্ব-হা রংপুর থেকে ভাড়া করা এক গাড়িতে ঢাকার পথে রওনা দেন। রাত আড়াইটার দিকে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে তার কথাও হয়। কিন্তু তারপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়ার কথা বলেছিলেন তার স্ত্রী।

বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে ১১ জুন বিকেলে রংপুর কোতোয়ালি থানায় জিডি করেন ত্ব-হার মা আজেদা বেগম।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

ত্ব-হার দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন্নাহারও ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পুলিশ সদর দপ্তর, র‌্যাব সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ঘুরতে থাকেন স্বামীর খোঁজে।

দশ দিন পেরিয়ে শুক্রবার দুপুরে রংপুর মহানগরীর মাস্টার পাড়া এলাকায় প্রথম স্ত্রী হাবিবা নূরের বাবার বাড়িতে উপস্থিত হন ত্ব-হা। পরে বেলা পৌনে ৩টার দিকে তাকে রংপুর কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেখান থেকে তাকে নেওয়া হয় ডিবি কার্যালয়ে।

আবু মারুফ জানান, ত্ব-হা নিখোঁজের ঘটনায় থানায় দুটি জিডি হয়েছিল। তার মা এবং ত্ব-হার সঙ্গী আমিরুদ্দিনের ভাই ফয়সাল ওই জিডি দুটি করেছিলেন। তখন থেকে পুলিশ তাদের খোঁজে তদন্ত নামে।

কাশেম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি মাস্টারপাড়ায় আবু ত্ব-হাকে দেখেন। সে সময় ত্ব-হা কোনো কথা বলেননি। মুখে আঙুল দিয়ে চুপ থাকার ইশারা করেছিলেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *