Categories
Uncategorized

শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করতে পারে সরকার

করোনাভাইরাসের জন্য ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে, শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করতে পারে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ৪৯ দিনের লকডাউন শেষে সব ছুটি বাতিলের বিষয়টি এখনই চুড়ান্ত হয়নি। তবে সাপ্তাহিক ছুটি কমিয়ে আনার বিষয়টি চিন্তা করা হচ্ছে, প্রয়োজনে তা করা হতে পারে।

মন্ত্রিসভার সাবেক দুই সচিবও লকডাউন শেষে দেশের প্রায় সবগুলো খাত যে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ছে তা সামলাতে ছুটি বাতিলের কথা বলেছেন। মার্চের ২৬ তারিখ থেকে সারা দেশে লকডাউন করে বাংলাদেশ সরকার, যা পরবর্তীতে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। গণপরিবহন এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৮৬৩ এবং মারা গেছেন ২৮৩ জন।

করোনাভাইরাসের জন্য ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে, শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করতে পারে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ৪৯ দিনের লকডাউন শেষে সব ছুটি বাতিলের বিষয়টি এখনই চুড়ান্ত হয়নি। তবে সাপ্তাহিক ছুটি কমিয়ে আনার বিষয়টি চিন্তা করা হচ্ছে, প্রয়োজনে তা করা হতে পারে।

মন্ত্রিসভার সাবেক দুই সচিবও লকডাউন শেষে দেশের প্রায় সবগুলো খাত যে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ছে তা সামলাতে ছুটি বাতিলের কথা বলেছেন। মার্চের ২৬ তারিখ থেকে সারা দেশে লকডাউন করে বাংলাদেশ সরকার, যা পরবর্তীতে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। গণপরিবহন এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৮৬৩ এবং মারা গেছেন ২৮৩ জন।

Categories
Uncategorized

মহান রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনই মুমিনের লক্ষ্য

একজন আশেকের মূল লক্ষ্য থাকে তার মাশুকের মন জয় করা। স্বভাবগতভাবেই মানুষ তার প্রিয় ব্যক্তির পছন্দ-অপছন্দ জেনে সে অনুযায়ী তার মন জয় করার চেষ্টা করে। প্রতিটি মুমিনেরও লক্ষ্য তার মাশুক মহান রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জন করা। একজন মুমিনের সার্থকতা তার প্রভুর সন্তুষ্টির মধ্যেই নিহিত। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত মহান আল্লাহর কাছে প্রিয় ইবাদতগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখা। রাসূলুল্লাহ (সা.) এমন কিছু আমল সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছেন।

সময়মতো নামাজ আদায় করা: একদিন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহর নিকট কোন কাজ সব থেকে অধিক পছন্দনীয়? তিনি বললেন, সময়মতো নামাজ আদায় করা। ঈমানের পর ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খুঁটি হলো নামাজ। নামাজের ক্ষেত্রে অবহেলার কোনো অবকাশ নেই; বরং সময়মতো নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে যারা মসজিদে অপেক্ষায় থাকে, তাদের জন্য নামাজের সওয়াবই লেখা হয়।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত নামাজের জন্য বসে অপেক্ষা করতে থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে নামাজরত থাকে। আর ফেরেশতারাও ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য এই বলে দোয়া করতে থাকে যে হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাকে রহম করো। (আর ফেরেশতারা) ততক্ষণ পর্যন্ত এরূপ দোয়া করতে থাকে, যতক্ষণ সে সেখান থেকে উঠে চলে না যায় কিংবা যতক্ষণ ওজু নষ্ট না করে। (মুসলিম, হাদিস : ১৩৯৫)

মাতা-পিতার সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা: হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) আবার জিজ্ঞেস করলেন, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, মাতা-পিতার সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা। পবিত্র কোরআনের বহু আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন।

সূরা ইসরার ২৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘আর তোমার রব আদেশ দিয়েছেন যে তোমরা তাঁকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করবে না এবং মাতা-পিতার সঙ্গে সদাচরণ করবে। তাদের একজন অথবা উভয়েই যদি তোমার কাছে বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদের উফ বলো না এবং তাদের ধমক দিয়ো না। আর তাদের সঙ্গে সম্মানজনক কথা বলো। (অনলাইন থেকে সংগৃহীত)

Categories
Uncategorized

কাওমি মাদরাসা ও ইমামদের সুখবর দিল প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যতই ঝড়-ঝাপটা আসুক। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে আমরা বিজয়ী জাতি। করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য আমরা ইতোমধ্যে ২০০০ চিকিৎসক নিযোগ দেয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকার ত্রাণ দিয়ে যাচ্ছে। দেশের বিত্তবানরাও ত্রাণ দিচ্ছে। আমরা চাই দেশের কোন মানুষ যেন এই দুর্ভোগের সময় খাবারে কষ্ট না পায় আমরা সে ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, ঈদের আগে আমরা ৬ হাজার কাওমি মাদ্রাসায় সহযোগিতা করবো ইনশাল্লাহ। দেশের সবাইকে আমরা দিতে পারবো না। তবে চেষ্টা করছি যাতে সবাই এই দুর্ভোগের সময় খেয়ে ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারে। তাছাড়া মসজিদের ইমামদেরও সহযোগিতা করবো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ২ হাজার ৫শ’ টাকা করে মোবাইলে বিতরণের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ২ হাজার ৫শ’ টাকা করে মোবাইলে বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ভাতা পাওয়ার তালিকায় আছেন নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক।

পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক ও হকারসহ নিম্ন আয়ের নানা পেশার মানুষ।
তালিকাভুক্তদের মধ্যে নগদ, বিকাশ, রকেট, এবং শিউরক্যাশ এর মাধ্যমে সরাসরি চলে যাবে এই টাকা, ফলে বাড়তি কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না তাদের। টাকা পাঠানোর খরচ সরকার বহন করবে। এই টাকা উত্তোলন করতে ভাতাভোগীদের কোন খরচ দিতে হবে না।

Categories
Uncategorized

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১০৪১, মৃত্যু ১৪

চীনের উহান শহর থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া কারোন ভাইরাস বাংলাদেশেও সংক্রমণ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে মারা গেছে ১৪ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেল ২৮৩ জন। এছাড়া এই ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও ১০৪১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজার ৮৬৩ জন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে করোনা নিয়ে নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান।

চীনের উহান শহর থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া কারোন ভাইরাস বাংলাদেশেও সংক্রমণ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে মারা গেছে ১৪ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেল ২৮৩ জন। এছাড়া এই ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও ১০৪১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজার ৮৬৩ জন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে করোনা নিয়ে নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান।

Categories
Uncategorized

জেনে রাখুন=কথার মাধ্যমেও ছড়ায় করোনা ভাইরাস!

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা জানিয়েছে, করোনা সংক্রমিত কোনো ব্যক্তির কথা থেকে আসা জলীয় কণার মাধ্যমে আরেক জনের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে। তাদের দাবি এক গবেষণায় তারা এই তথ্য পেয়েছে। বুধবার তাদের এ গবেষণা বিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। এএফপির খবরে জানানো হয়, নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, শব্দ করে কথা বলার সময় মুখ থেকে বের হওয়া অতি ক্ষুদ্র জলীয় কণা বা মাইক্রোড্রপলেটস বদ্ধ স্থানে ১০ মিনিটেরও বেশি সময় বাতাসে ভেসে থাকতে পারে।

কোভিড–১৯ ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন গবেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ডায়াবেটিকস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজের (এনআইডিডিকে) একজন গবেষক একটি বদ্ধ বাক্সের কাছে মুখ নিয়ে ২৫ সেকেন্ড ধরে ‘স্টে হেলদি’ শব্দটি উচ্চস্বরে উচ্চারণ করেন। বাক্সটিতে লেজার প্রজেক্ট ছিল। ফলে মুখ থেকে বের হওয়া জলীয় কণা সহজেই হিসাব করা গেছে।

পরে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমির (পিএনএএস) জার্নালে প্রকাশিত এ সমীক্ষায় দেখা গেছে, সেগুলো গড়ে ১২ মিনিট বাতাসে অবস্থান করে। লালার মধ্যে করোনাভাইরাসের ঘনত্বকে মাথায় নিয়ে বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন যে, প্রতি মিনিট উচ্চস্বরে কথা বলার ফলে এক হাজারেরও বেশি ভাইরাসযুক্ত জলীয় কণা বের হতে পারে । একটি বদ্ধ স্থানে তা আট মিনিট বা তার বেশি সময় ধরে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে।

Categories
Uncategorized

১ বছর করোনার আগে ভবিষ্যৎবাণী করেছিল কিশোর, এখন জানাল কবে বিদায় নেবে করোনা

গত বছরের অগাস্ট মাসে ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল ভারতের অভিজ্ঞ আনন্দ নামের এক কিশোর জ্যোতিষ। ভিডিওটি সেই সময় ভাইরাল হয়।‘Severe

Danger To The World From Nov 2019 To April 2020’ নামের সেই ভিডিওতে বিধ্বংসী করোনা ভাইরাসের ইঙ্গিত দিয়েছিল অভিজ্ঞ। জানিয়েছিল, গোটা বিশ্বে একটি

মারণ রোগ মানুষকে চরম সংকটে ফেলবে, নভেম্বর ২০১৯ থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময়টা মানবজাতির জন্য চূড়ান্ত ভয়ঙ্কর।

সে এও জানিয়েছিল, মারণ রোগের প্রকোপ ২০২০ সালের ৩১ মে’র মধ্যে কমে যাবে। কিশোর জ্যোতিষীর কথা কার্যত ফলে যাওয়ায় ফের নতুন করে শিরোনামে উঠে এসেছে

সে।সম্প্রতি আরও একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছে আনন্দ। যেখানে সে জানাচ্ছে, ৩১ মে নয়, ৩১ জুনের আগে বিশ্ববাসী কোনও ভাল খবর শুনতে পাবে না। যদিও মাঝখানে ২

দিনের জন্য মারণ রোগের প্রকোপ কিছুটা কমবে। কিন্তু সুখবর আসতে জুন মাসের শেষ।এখানেই শেষ নয়, অভিজ্ঞ জানায়, ২০২০-র ডিসেম্বরে পৃথিবীতে নেমে আসবে

আরও একটি চরম বিপর্যয় যা চলবে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসী পাতা খাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে অভিজ্ঞ। সেই জন্যে জলে কাঁচা

হলুদ, জোয়ান আর আদা দিয়ে গরম করে সেই জলের ভাপ নিতে বলছে । এতে ভা’ইরাস নাক বা কান দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না।

Categories
Uncategorized

মহানবী সা. আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা: এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়িব এরদোগান বলেছেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ ও অনুসরণের ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা। বুধবার রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত একটি সভায় কীর্তিমান ঐতিহাসিক নেতাদের সম্পর্কে এক যুবকের করা প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এরদোগান বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষদের মধ্যে এমন অনেক মহান নেতা আছেন, যারা তার সময়ের কীর্তিমান পুরুষ হিসেবে গোটা বিশ্বেই প্রভাব সৃষ্টি করেছেন এবং আজও তারা ইতিহাসের উদাহরণ। তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও আধুনিক তুরস্কের রূপকার মুস্তফা কামাল আতাতুর্কও এমনি একজন মহান নেতা।

কাতারের আমির শায়েখ তামিম বিন হামদ আস সানিকেও বর্তমান সময়ের অন্যতম গ্রহণযোগ্য নেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন এরদোগান। এরদোগান বলেন, শায়েখ তামিম প্রগতিশীল একজন যুবক নেতা, তার সবচে’ বড় গুণ হল, তিনি সবসময় দরিদ্র দেশসমূহের পাশে দাঁড়ান।

তবে ইউরোপের বিস্তৃত ভূখণ্ডে আদর্শিক কোন নেতাই নেই বলে মন্তব্য করেন এরদোগান। ‘আমি ইউরোপ জুড়ে বর্তমানে বাস্তবিক কোন নেতা দেখিনা।’ যোগ করেন এরদোগান।
প্রাক্তন জার্মান চ্যান্সেলর জেরহার্ড শ্রয়েডারকে একজন সফল নেতা আখ্যা দিয়ে এরদোগান বলেন, নেতৃত্বের গুণ খুব ভালভাবেই রপ্ত করতে পেরেছিলেন তিনি, আর সত্যবাদিতায় সে ওপরের সারির মহান এক নেতা ছিলেন।

Categories
Uncategorized

রমজান মাসে স্বা’মী-স্ত্রী’র স’হবা’সের বিধান জেনে নিন

[আল-বাকারাঃ ১৮৭] এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে রোজার দিনে স’হবাস হালাল করা হয়নি।কোনো স্বা’মী যদি জোর করে স্ত্রী’র সাথে যৌ’নসম্পর্ক করেন সেক্ষেত্রে স্বামীর রোজা ভেঙ্গে গেলেও স্ত্রী’র রোজা ভাঙবে না এর কারণ আমরা আগে উল্লেখ করেছি। আল্লাহর রাসূল (সা.) ইবন ‘আব্বাস বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেছেনঃ “নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ আমার উম্মতের ওপর থেকে ত্রুটিবিচ্যুতি ভুলে যাওয়া ও জোর করিয়ে করানো কাজকে মার্জনা করেছেন”।

রমজান মাসে স্ত্রী সহ’বাস নিয়ে ইসলামী বিধান। রোজায় যে জিনিসগুলো থেকে বিরত থাকতে হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে যৌ’ন সম্পর্ক বা স’হবাস। কেউ যদি এই কাজটি রোজার দিন করে বসে তবে রোজা ভেঙ্গে যাবে। এর প্রমাণ হচ্ছে সূরা বাকারাতে আল্লাহ্‌র বক্তব্যঃ “রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রী’দের সাথে সহ’বাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে”।

[প্রসঙ্গত আজকাল যেহেতু খবর পাওয়া যাচ্ছে না’রীরা জোর করে পুরু’ষদের বিয়ে করছেন, ভবিষ্যতে পুরুষদের জন্য অনুরূ ফিকহি আলোচনা করতে হতে পারে।]যৌ’ন সম্পর্ক বলতে শরিআর ভাষায় বোঝানো হচ্ছে পুরু’ষাঙ্গের (pe’nis) সাথে স্ত্রী-অ’ঙ্গের (vag’ina) মিলন।এক্ষেত্রে বী’র্যপাত শর্ত নয়। অর্থাৎ এই দুই অঙ্গ সংস্পর্শে আসলেই রোজা ভেঙ্গে যাবে, বী’র্যপাতের ঘটনা না ঘটলেও। শায়খ সালেহ ইবন আল-‘উসায়মীন এই মতটিই ব্যক্ত করেছেন।

তবে এর ফলে যদি বী’র্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভেঙ্গে যাবে। তাই রোজার সময় এগুলো পরিহার করাই উত্তম। চুম্ব’ন যদি কা’মনাবশত না হয় সেক্ষেত্রে ক্ষতি নেই। যৌ’ন মিলনের দ্বারা কেউ রোজা ভাঙলে সেই রোজা পরবর্তীতে কাযা করতে হবে এবং “ভা’রী কাফ্ফারা” দিতে হবে। সেই প্রসঙ্গ পরে আসছে। শারী’রিক স্পর্শ বা চু’ম্বন স্বা’মী-স্ত্রী’র মাঝে কামনাবসত শারী’রিক স্পর্শ যেমন fond’ling বা fore’play অথবা স্রে’ফ চু’মুর কারণে রোজা ভাঙবে না।

স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বী’র্যপাত ঘটানো যদি কেউ স্ব’তঃপ্রণোদিত হয়ে নিজের বী’র্য’পাত (eja’cula’tion) ঘটান সেক্ষেত্রে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। যেমন নিজে হ’স্তমৈথু’নের (ma’sturba’tion) মাধ্যমে অথবা স্ত্রী কর্তৃক হ’স্তমৈ’থুনের মাধ্যমে যদি বী’র্যপা’ত ঘটে তাহলে রোজা ভাঙবে। কোনো ব্যক্তি যদি যৌ’নউ’ত্তেজক কোনো কিছু দেখে, শোনে বা পড়ে –

এক্ষেত্রে বী’র্যপাত ঘটলে তার রোজা ভাঙবে। এক্ষেত্রে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে করা কোনো কাজের ফলে বী’র্যপা’ত ঘটলে রোজা ভাঙবে। এভাবে রোজা ভেঙ্গে গেলে কাযা করাই যথেষ্ট, যৌ’নমিল’নের ক্ষেত্রে যে ভারী কাফ্‌ফারা দিতে হয় সেটি দিতে হবে না।স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ঘটানো বী’র্যপা’তের ফলে যে রোজা ভাঙবে তার প্রমাণ হচ্ছে হাদীস কুদসীতে আল্লাহ

বলছেনঃ “সে (বান্দা) আমার জন্যই খাদ্য, পানীয় ও কা’মনা-বাসনা পরিত্যাগ করে”। [বুখারী] যুক্তিসংগত কারণেই যে ব্যক্তি নিজে উদ্যোগ নিয়ে বী’র্যপাত ঘটায় সে কামনা-বাসনা বা “শাহওয়াহ” পরিত্যাগ করল না। তবে বী’র্য’পাত যদি স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে না হয় সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না।যেমন স্বপ্নদোষের (wet dr’eam) ফলে রোজা ভাঙবে না। কোনো ব্যক্তির চিন্তায় যদি আচমকা কোনো যৌ’ন ভাবনা এসে উদয় হয় বা কোনো যৌ’ন উ’ত্তেজক চিন্তা চলে আসে যা সে স্বতঃপ্র’ণোদিত ভাবে মাথায় আনেনি এবং এর ফলে যদি বী’র্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না।

মা’যী নিঃসরণের ফলে রোজা’ ভাঙে না (যদি না সেটা যৌ’নমিল’নের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, যেক্ষেত্রে পুরু’ষাঙ্গে’র সাথে যো’নির মিল’নই যথেষ্ট রোজা ভাঙার জন্য)।শুধু মাযী নিঃসরণের ফলে যেহেতু রোজা ভাঙে না, কাযারও প্রশ্ন আসছে না। মাযী ও মানীর মাঝে পৃথকীকরণ বী’র্যপাত প্রসঙ্গে আমাদের দুটি তর’লকে আলাদা করতে হবে।এদের একটি হচ্ছে মা’যী (المذي)। মাযী হচ্ছে যেটিকে ইংরেজিতে বলা হয় p’re-sem’inal flu’id। এটি একটি স্বচ্ছ পিচ্ছিল পদার্থ যা চূড়ান্ত বীর্য’পাতের আগে নিঃসরি’ত হয় ফোঁটায় ফোঁটায়।

মানী বের হয়ে আসে চূড়ান্ত বী’র্যপাতের সময় দফায় দফায়।এটির সাদা থিক’থিকে একটি পদার্থ। মা’নী বের হলেই কেবল রোজা ভাঙবে উপরেল্লিখিত কারণগুলোতে। এ ব্যাপারে কোনো ইখতিলাফ নেই। -মাওলানা মিরাজ রহমান যদিও ইমাম মালেকের একটি বর্ণনা অনুযায়ী তিনি মাযী নিঃসরণকে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেছেন, কিন্তু অধিকাংশ ‘উলামা একে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেন না। মানী হচ্ছে যাকে ইংরেজিতে বলা হয় se’men বা বাংলায় বী’র্য।

Categories
Uncategorized

যেভাবে আয়েশাকে পটিয়ে বিয়ে করেছিলেন জানালেন তামিম ইকবাল

ইদানীং টেলিভিশন খুললেই একটা বিজ্ঞাপন খুব চোখে পড়ছে-তামিমের পটানোবি’ষয়ক বিজ্ঞাপন। তামিম কখনো বোলার, কখনো আম্পায়ার, কখনো রোদ্দুর, কখনো আরও কাকে কাকে যেন পটাচ্ছেন!তা হয়তো আম্পায়ার, বোলার বা সমর্থকদের পটাতেও পারেন তামিম ইকবাল। কিন্তু একটা ব্যাপার বিশ্বাস করুন ভাই, পটানো বলতে প্রথমেই যেটা মাথায় আসে, সেই বান্ধবী পটানোর ব্যাপারে তামিম একেবারে শুরু থেকেই বড় আনাড়ি। আসলে আনাড়ি না বলে, বলা ভালো সে চেষ্টাও খুব একটা করেননি চট্টগ্রামের খানবাড়ির এই যুবরাজ!

কারণ, সেটা দরকারই হয়নি। কারণ, অন্যদের পটাবেন কখন? পুরো কৈশোর তো গেছে একজনকে পটাতে পটাতে। ঠিক, ঠিক ধরে ফে’লেছেন-আয়েশা সিদ্দিকা। হ্যাঁ, সারা জীবন এই একজনকেই পটাতে পটাতে কে’টে গেল তামিমের।চট্টগ্রামের বনেদি পরিবারগুলোর এমনিতেই বিয়ের মতো অনুষ্ঠানে জাঁকজমক করার একটা রেওয়াজ আছে। তার ওপর তামিমের ব্যাপারটা আবার একটু আলাদা। এই পরিবারের আদ্যোপান্ত তারকার ছড়াছড়ি। একেবারে সোজাসাপটা তিন টেস্ট ক্রিকেটার তার পরিবারে-আইসিসি ট্রফিজয়ী অধিনায়ক আকরাম খান, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের নায়ক টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান নাফীস ইকবাল খান এবং উইজেডেনের বর্ষসেরা তামিম ইকবাল খান।

টেস্টের আঙিনা ছেড়ে আরেকটু ভেতরে খোঁজখবর নিন। তামিমের বাবা ইকবাল খান নিজে তুখোড় ফুটবল ও টেনিস খেলোয়াড় ছিলেন, ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন; বলা হয় খান পরিবারকে ক্রীড়া পরিবারে পরিণত করার স্বপ্নদ্রষ্টাও ছিলেন সেই মানুষটি। এরপর আকরাম খান ছাড়াও তামিমের বাকি চাচারা সবাই দেশের শীর্ষ পর্যায়েই ক্রিকেট খেলেছেন। তামিমের মা জে’লা ক্রীড়া সংস্থার বিশিষ্ট সংগঠক, তামিমের ফুফা সিরাজউদ্দিন আলমগীর বিসিবির সাবেক পরিচালক ও শীর্ষ সংগঠকদের একজন!

এমন পরিবারের ছোট ছেলের বিয়ে সারা দেশ জানবে না তা কী হয়:

হ্যাঁ, সারা দেশকে জানিয়ে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে শেষ হয়েছে সেই বিয়ের অনুষ্ঠান। অবশেষে মহাধুমধাম করে দীর্ঘদিনের প্রেমিকা আয়েশা ঘরনি হয়েছেন। আমরা বরং আয়েশার এই ‘পটা’র গল্পটার খোঁজখবর করে আসি।তামিম ছিলেন তখন সানশাইন গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘এ’ লেভেলের ছাত্র। আয়েশা ওই একই প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী। হঠাৎ একদিন কী করে যেন তামিমের চোখে পড়ে গেলেন আয়েশা। তারপর সিনেমায় যা হয় আর কী!

তামিমের জীবনের তখন ধ্যানজ্ঞানই হয়ে দাঁড়াল এই আয়েশাকে পটানো। কিন্তু জীবন তো আর সিনেমা নয়। চাইলেই পটিয়ে ফেলা যায় না। প্রথম প্রথম ইশারা-ইঙ্গিতে চেষ্টা করলেন; কাজ হয় না। এরপর আয়েশার এক বান্ধবীকে দিয়ে প্রস্তাব পাঠানো; এটা চিরায়ত উপায়। কিন্তু এতেও কাজ হলো না।

অবশেষে তামিম ঠিক করলেন, আর ডিফেন্স করে লাভ নেই। হোক পেস বোলিং, এবার সামনে বেড়ে তুলে মা’রতে হবে। এগিয়ে গেলেন। সোজা হেঁটে গিয়ে বললেন, ‘আই লাভ ইউ।’টি-টোয়েন্টির যুগ। এতে নাকি কাজ হয়ে যায়। কিসের কী! কাজের ‘ক’-ও হলো না। একেবারে শোনামাত্র প্রস্তাব খারিজ করে দিলেন আয়েশা। ঠিক কী বলে খারিজ করেছিলেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্ক আছে। তবে কেউ কেউ বলে, আয়েশা নাকি বলেছিলেন, ‘আই হেইট দিস ওয়ার্ড-লাভ!’

ও, মা! তাহলে কীভাবে হবে?

আপনি কি জানেন, তামিম মারকা’টারি ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি মাঝে মাঝে স্পিন করেন? স্পিনারদের মাথায় বলের মতোই বাঁক নেওয়া কিছু বুদ্ধি থাকে। এবার তামিম পার্টটাইম স্পিনার বুদ্ধিটা কাজে লাগালেন। বিনয়ের সঙ্গে প্রস্তাব দিলেন, আচ্ছা প্রেম করে কাজ নেই! ওটা ভালো কথা না। ওর চেয়ে আমরা বন্ধু হিসেবেই থাকি।

হ্যাঁ, এটা ভালো প্রস্তাব। এমন নিরীহ প্রস্তাবে আর ‘না’ করলেন না আয়েশা। আর যায় কোথায়! যে লোক অ্যান্ডারসন, ব্রেসনান, টিনো বেস্টদের ঘুম হারাম করে দিতে পারেন; তার সঙ্গে থেকে থেকে ভালোবাসবেন না, যাবেন কোথায়। আয়েশা টেরও পেলেন না, কবে তামিমের পার্টটাইম স্পিনে কাবু হয়ে গেছেন তিনি।আয়েশা কাবু হলেন, তামিম আগে থেকেই পড়ে ছিলেন; অতএব শুরু হয়ে গেল ভালোবাসা, প্রেম এবং ভালোবাসা।

আহা, যা ভাবছেন তা নয়। সিনেমা আভি বি বাকি হ্যায়…

চট্টগ্রামের দুই সম্ভ্রান্ত রক্ষণশীল পরিবারের ছেয়েমেয়ে রাস্তায় ড্যাং ড্যাং করে হাত ধরে প্রেম করে বেড়াবে, সে কল্পনারও সুযোগ নেই। একবার প্রেম শুরু হয়ে গেলে শুরু হলো আসল যন্ত্রণা। স্কুলের দারোয়ান, বাসার পাহারাদার, অভিভাবকদের লাল লাল চোখ ফাঁকি দিয়ে দেখাই করা দায়। প্রেম হবে কী করে? ভাগ্যিস তত দিনে মোবাইল এসে গেছে দেশে; নইলে আরেকটা লাইলি-মজনু লিখতে হতো কি না, কে জানে।

মোবাইলে আবার বেশি কথা বলার উপায় নেই। তাহলে ধরা পড়ে যাবে। তাই ছোট ছোট টেক্সট মেসেজ পাঠিয়ে চলে প্রেম। আর ফাঁকে ফুসরতে একবার চোখের দেখা মিললেই যেন আকাশ হাতে মেলে। এর মধ্যে আয়েশা একবার বাসায় টেক্সট পাঠালে ধরা পড়ে কে’লেঙ্কারিও নাকি হতে বসেছিল।

সমস্যাটা দিনকে দিন আয়েশার তরফেই বাড়তে থাকল। তামিম ওপেনার মানুষ তো; মাকে বলে আগেই প্রেমের জানাজানির সূচনাটা করে রেখেছিলেন। তামিমের মাও খুব সেকেলে মানুষ নন। তাই মেনেই নিয়েছিলেন ব্যাপারটা। কিন্তু আয়েশার হলো ঝামেলা, বাড়ি বলতেও পারেন না, সইতেও পারেন না। আত্মীয়-স্বজনরা যা গিফট দেয় লুকিয়ে তামিমকে পাঠিয়ে দেন, আর গুম’রে ফেরেন।এর মধ্যে আয়েশাকে মুক্তি দিল মালয়েশিয়া। কুয়ালালামপুরের একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চলে গেলেন আয়েশা। ব্যস! তামিমের পৃথিবীতে প্রিয় শহর হয়ে গেল কুয়ালালামপুর, প্রিয় পরদেশ মালয়েশিয়া, প্রিয় বিমান মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনস!

তত দিনে তামিম জাতীয় দলের তারকা। সিরিজের মাঝে মাঝেই ছুটি পান। ছুটি পেয়েই সো করে চলে যান মালয়েশিয়া। আমরা যারা ক্রীড়া সাংবাদিকতা করি, তত দিনে জেনে ফে’লেছি। কিন্তু পত্রিকায় লেখার উপায় নেই। কারণ, তামিমের এই মালয়েশিয়া অভিসারের তাহলে কপালে দুঃখ আছে।দেশে যতই বা’ধা থাক, মালয়েশিয়াই আসলে প্রথম সিনেমার মতো প্রেম জমল। রেস্টুরেন্ট, সিনেমা, বেড়ানো; এসব না হলে আর কিসের প্রেম। আর এই সবই হলো মালয়েশিয়ায়।

কিন্তু এভাবে আর কত দিন? নাহ। আর বেশি চে’পে রাখলেন না তামিমের মা। বুঝলেন ছেলে বড় হয়েছে, মেয়েও যোগ্য; তাহলে আর কিসের বা’ধা। তিনি মাথা নাড়াতেই কর্মযজ্ঞে ঝাঁপিয়ে পড়লেন আকরাম খান, নাফীস ইকবাল, সিরাজউদ্দিন আলমগীররা। শুরু হয়ে গেল বিয়ের মহাযজ্ঞ।তারপর? তারপরের গল্প তামিম আর আয়েশার কাছ থেকেই শুনে নেবেন না হয়। শুধু তামিম মাঝে একদিন গো’পনে বলার মতো করে বলছিলেন, ‘সে জীবনে আর এই জীবনে একটা বড় পার্থক্য আছে, শুনবেন? এখন আর ওর সঙ্গে লুকিয়ে দেখা করতে হয় না।’

Categories
Uncategorized

অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন নিউইয়র্কের ৩০ লাখ মানুষ!

অল্পের জন্য বেঁচে গেছে ৩০ লাখ মানুষের নিউইয়র্ক শহর। মহাকাশ থেকে ছিটকে পড়া চীনা রকেটের কয়েকটি টুকরো নিউইয়র্কে আঘাত করার খুব কাছে চলে এসেছিল। প্রযুক্তিভিত্তিক প্রকাশনা আর্স টেকনিকা জানায়, গত সোমবার (১১ মে) চীনের যে রকেটটির ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতে ফিরে আসে তা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে আঘাত হানা থেকে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট দূরত্বে ছিল। এটির গতিবেগ এতো বেশি ছিল যে নিউইয়র্কেও আঘাত হানতে পারত।

উৎক্ষেপণের এক সপ্তাহ পর অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসা ১০০ ফিট দীর্ঘ ওই রকেটটির একটি অংশ আটলান্টিক মহাসাগরে আঁচড়ে পড়ে। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানান, এটি ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসা কয়েকদশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় মহাশূন্য জঞ্জাল। কয়েকটি টুকরো আইভরি কোস্টে পাওয়া গেছেও বলে জানা যায়। এ মহাশূন্য যানের একটি ক্ষুদ্র টুকরো একটি ছোট বাসের সমান।

লং মার্চ ৫বি নামের এ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয় গত ৫ মে। যেটি নতুন তৈরি চীনের ক্রু ক্যাপসুলের মডেল বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলো। কক্ষপথে প্রায় এক সপ্তাহ ভ্রমণের পর রকেটের মূল অংশ অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় আবারও বায়ুমন্ডলে ফিরে আসে। প্রতি ঘন্টায় যার গতি ছিল কয়েক হাজার মাইল। হার্বাডের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোনাথন ম্যাকডয়েল মহাশূন্য কক্ষপথে নজর রাখছিলেন। তিনি এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘১৯৯১ সালে স্যালুয়েট-৭ পতনের পর এটিই সবচেয়ে বড় ভগ্নাংশ যা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসল।’