Categories
Uncategorized

মনে আছে মা সিরিয়ালের সেই ঝিলিক কথা ? দেখুন নতুন লুক

বন্ধু’ ছবিতে অভিনয় করেছে তিথি। তাও আবার বুম্বাদার সাথে। তারপর এখন সে বড় হয়ে টুকটাক মডেলিং ও শুরু করেছে। নিয়মিত ফটোশ্যুট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করতে ভালোবাসে তিথি। তিথি বসুকে মনে আছে? জনপ্রিয় বাংলা সিরিয়াল ‘মা’ তে দেখা গেছিলো তাঁকে। সেখানে নাম হয়েছিলো ঝিলিক। তবে তিথি কিন্তু এর আগেও অভিনয় করেছেন বাংলা সিনেমায়।

এখন আর সে বাচ্চাটি নেই। বয়সের গন্ডি পেরিয়ে টিনেজার হয়ে গেছে তিথি। আর তার সাথে সাথে ডেভেলপ করেছে ফ্যাশন সম্পর্কে আইডিয়াও। ঝিলিক নামেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত তিথি বসু ২০০০ সালে কোলকাতার এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন তিনি। মাত্র তিন বছর বয়সেই অভিনয় জগতে পদার্পন করেন তিনি।

২০০৯ সালে মা ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে ঝিলিক নামে পরিচিতি লাভ করে সে। বর্তমানে কলেজে পড়াশোনা করছেন তিনি। বর্তমানে তার পরিচিত একটি সিরিয়াল হল ব্যাচেলর বউ। শোনা যাচ্ছে ইতি মধ্যে কয়েকটি ফিল্ম ও সাইন করেছেন তিনি। তার স্বপ্ন বড় ফিল্ম স্টার হওয়ার। যাতে ঝিলিকের পরিবর্তে তার আসল নাম সবাই জানতে পারে। যদিও তার এই ঝিলিক নামে ডাকলেও তিনি বেশ গর্বিতই বোধ করেন। কিছু বিশেষ ছবি দেখে নিন।

Categories
Uncategorized

মহানবীকে (স:) নিয়ে কটুক্তি, হিন্দু যুবক আটক

ভোলার মনপুরায় মহানবীকে (স:) নিয়ে কটুক্তি করে ফেসবুকে শেয়ার করার অভিযোগে শ্রীরাম চন্দ্র দাস (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মহানবীকে (স:) নিয়ে কটুক্তি করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় মুসুল্লিরা।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা হিন্দুসম্প্রদায়ের দুটি দোকান ভাংচুর করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। এ সময় আহত হয়ছেন ৫ জন। ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভোলার মনপুরায় মহানবীকে (স:) নিয়ে কটুক্তি করে ফেসবুকে শেয়ার করার অভিযোগে শ্রীরাম চন্দ্র দাস (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মহানবীকে (স:) নিয়ে কটুক্তি করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় মুসুল্লিরা।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা হিন্দুসম্প্রদায়ের দুটি দোকান ভাংচুর করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। এ সময় আহত হয়ছেন ৫ জন। ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Categories
Uncategorized

সরকারি চাকরিজীবীদের ১৩৬০ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার

করোনাকালীন সরকারি চাকুরিজীবীদের প্রণোদনা এবং আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষতিপূরণ খাতে এক হাজার ৩৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ অর্থ সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে সেবাদানরত অবস্থায় কেউ করোনা আক্রান্ত হলে বা মৃত্যুবরণ করলে ক্ষতিপূরণ খাতে বরাদ্দ রাখা রয়েছে। আর বাকি অর্থ যাবে করোনায় সেবাদানরত ডাক্তার-নার্সসহ সরকারি চাকরিজীবীদের প্রণোদনা খাতে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ ব্যাপারে অর্থ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, করোনাকালীন যারা প্রত্যক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সেসব সরকারি চাকরিজীবীর প্রণোদনা এবং ক্ষতিপূরণ দুটোই দিবে সরকার। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তাই অর্থ মন্ত্রণালয় এ দুই খাতে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। খুব শিগগিরই এ অর্থ ছাড় করা হবে।

সূত্র মতে, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করে চলেছেন। এসব চাকুরের মধ্যে রয়েছেন ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, মাঠপ্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সশস্ত্রবাহিনীর সদস্য। তাদেরকে প্রণোদনা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবীর সবাই এ প্রণোদনার আওতায় আসবে কি না তা এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে যারা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছেন তাদেরকেই অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এ জন্য একটি তালিকা করা হচ্ছে। তালিকায় প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের রাখা হচ্ছে।

তবে সরকারি অন্য কর্মকর্তা এবং ব্যাংকাররা এ তালিকায় স্থান পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা কাজ করছে। বিশেষ করে ব্যাংকারদের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা বেশি। কারণ তারা বর্তমানে দশ দিন অফিসে গেলে এক মাসের মূল বেতন প্রণোদনা হিসেবে পাচ্ছেন। অন্য দিকে তালিকায় যাদের নাম থাকবে তারা দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রণোদনা হিসেবে পাবেন। ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রণোদনা হিসেবে দেয়া হতে পারে। আর এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। শিগগিরই এ অর্থ ছাড় করা হবে। এ জন্য একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এর আগে গত মাসে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করে করোনারোগীদের সেবাদানকারী কোনো সরকারি চাকুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। একইভাবে সেবাদান অবস্থায় করোনা পজিটিভ হলে তিনি পাবেন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা। এ পরিপত্র চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর বলে বিবেচিত হবে।

Categories
Uncategorized

১২’শ কোটি টাকার প্রণোদনা চায় টেকবিডি, প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)থেকে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ৩৯০ কোটি টাকার কারিগরি ইনস্টিটিউট প্রণোদনা প্যাকেজ চেয়ে অনুরোধ করেছিল প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোক্তারা। বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাদের সংগঠন ‘টেকনিক্যাল এডুকেশন কনসোর্টিয়াম অব বাংলাদেশের (টেকবিডি) সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুল আজিজ ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান চৌধুরী স্বাক্ষরিত পত্রে শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষাউপমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছিলেন। পরবর্তীতে গত ১৪ মে পুনরায় সংগঠনটি তাদের আর্থিক ব্যয়ের খাতগুলো উল্লেখপূর্বক প্রণোদনা বৃদ্ধির জন্য আবেদন করেন।

টেকবিডি’র আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ৩৩টি শিক্ষাক্রম দেশে সরকারি- বেসরকারি পর্যায়ে ৮,৭৪৩টি এবং শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ১০,৪৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই ৯,৭৫৯টি, যেখানে সরকারি সংখ্যা মাত্র ৬৯৩। এসব শিক্ষাক্রমে ২০১৮-১৯ সেশন রেজিস্ট্রেশনকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭ লক্ষ ২১ হাজার ৭৯ জন। এর মধ্যে মহিলা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লক্ষ ১৪ হাজার ২৯৪ জন অর্থাৎ মহিলা শিক্ষার্থী ৩০%।

কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাধ্যমিক স্তরে এনরোলমেন্ট বর্তমানে ১৬.০৫%। সরকারি নীতি ও দারিদ্র্যবিমোচন কর্মসূচির আলোকে পরিকল্পনা অনুযায়ী এই বছরের মধ্যেই এনরোলমেন্ট ২০% এবং পরবর্তী দুই দশকে যথাক্রমে ৩০% ও ৫০% এ উন্নীত করার লক্ষ্যে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রয়েছে এবং থাকবে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর।

তিনশত নব্বই কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল গঠনের ঐ পূর্ববর্তী অনুরোধ উল্লেখপূর্বক টেকবিডি জানায়, প্রকৃতপক্ষে সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কে এই প্রণোদনা সুবিধা দিতে হলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহের ধরন অনুযায়ী যেমন- পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট / এগ্রিকালচার ইনস্টিটিউট / ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট/ এইচএসসি বিএম / সর্ট কোর্স পরিচালিত ইনস্টিটিউট কে ৫টি ভাগে বিভক্ত করতে হবে এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের টেকনোলজির সংখ্যা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের জন্য আর্থিক বরাদ্দের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় রেখে ৬ মাসের বেতন-ভাতা ও চলমান খরচ হিসেব করে দেশের মোট মোট ৫৭৫ টি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর জন্য এ প্রণোদনা তহবিলের আবেদন করেন ।

এক্ষেত্রে, সম্ভাব্য ৬ মাসের জন্য ১ থেকে ২টি অনুমোদিত টেকনোলজির জন্য ১৬ লাখ টাকা হিসেবে ১৯১ প্রতিষ্ঠানের মোট খরচ ৩০.৫৬ কোটি টাকা, ৩ থেকে ৪ টি টেকনোলজির জন্য ৩২ লাখ টাকা হিসেবে ২১৬ প্রতিষ্ঠানের জন্য ৬৯.১২ কোটি, ৫ থেকে ৮ টি অনুমোদিত টেকনোলজির জন্য ৭৮ লাখ টাকা হিসেবে ১২১ প্রতিষ্ঠানের মোট খরচ ‌৯৪.৩৮ কোটি টাকা এবং ৯ টি ২০ টি অনুমোদিত টেকনোলজির ৯৯ লাখ টাকা হিসেবে ৪৫ টি প্রতিষ্ঠানের ৪৪.৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চান। এসকল প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজন মোট ২৩৮.৬১ কোটি টাকা।

একই রকমভাবে বেসরকারি এগ্রিকালচার ইনস্টিটিউট ১২৩ টি , যেখানে প্রনোদনা প্রয়োজন ৩৮.৯০ কোটি । HSC BM- ৮১৫ টি প্রতিষ্ঠান। ভোকেশনাল ১২৬৫ টি প্রতিষ্ঠান এবং শর্ট কোর্স পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ৩৫০০ টি। তবে, সব মিলিয়ে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আনুমানিক প্রায় ১২০০ কোটি টাকার প্রনোদনা প্রয়োজন।

আবেদনের এই অর্থ যোগান দিতে প্রয়োজনে কারিগরি বোর্ডের কাছে জমাকৃত অর্থ থেকে ব্যয় করার সুপারিশ করে টেকবিডি বলে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবছর প্রতি টেকনোলজি অনুযায়ী ১১০০০ টাকা করে এবং শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ও ফর্ম ফিলাপ ফি বাবদ বিপুল পরিমাণ টাকা জমা প্রদান করে। প্রয়োজনে কারিগরি বোর্ডের এই ফান্ড থেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সহযোগিতা করে হলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহকে বাঁচিয়ে রাখার অনুরোধ করা হয়।

টেকনিক্যাল এডুকেশন কন্সোর্টিয়াম অব বাংলাদেশ (টেকবিডি) এর সভাপতি,ইঞ্জিঃ আব্দুল আজিজ এবং মোঃ ইমরান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এর পক্ষ থেকে অনুরোধ করে বলা হয়, কারিগরি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান সমূহের জন্য ৫ বছর মেয়াদি (প্রথম বছর গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে বিবেচনা করে ) ২ শতাংশ সুদে জামানতবিহীন প্রায় ১২০০ কোটি টাকা প্রনোদনা দিয়ে দেশের দক্ষ জনশক্তি গঠনের অন্যতম হাতিয়ার এ প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেন বাঁচিয়ে রাখা হয়।

নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত বেসরকারি পলিটেকনিকসমূহ কারিগরি শিক্ষায় এক যুগান্তকারী ও সময়োপযোগী ভূমিকা পালন করছে। বাস্তব জীবনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে দেশের জনগোষ্ঠীকে আত্মনির্ভরশীল ও বেকার সমস্যা দূরীকরণের পাশাপাশি বিদেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরীর মাধ্যমে রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন করে আসছে। এই বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানসমূহ বেতন-ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি কোন অনুদান বা আর্থিক সহযোগিতা পায় না এবং কখনো পাওয়ার জন্য আবেদনও করেনি।

কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ১৭ মার্চ থেকে সরকারি সিদ্ধান্তে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার পর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত ও অনুমোদনপ্রাপ্ত বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানই অর্থনৈতিকভাবে বড় সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়। প্রতিষ্ঠানসমূহের অধ্যক্ষ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা নাজুক অবস্থার শিকার বলেও এই আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

করোনার ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন সেক্টর ও প্রতিষ্ঠানসমূহকে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক প্রণোদনা এবং সহযোগিতার প্রশংসা করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয় এই পত্রে। সেই সাথে দেশের বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের জন্য অন্যান্য পেশাজীবিদের মতো সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতার জন্য প্রণোদনা তহবিল গঠন করার জন্য বিনীত অনুরোধ করা হয়। এ প্রতিষ্ঠানগুলো বেশিরভাগ ভাড়া বাড়িতে পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত বেতন দিয়েই প্রতিষ্ঠানের ভবন ভাড়া, সব ইউটিলিটি বিল এবং শিক্ষক এবং কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়।

কিন্তু শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সত্বেও দুর্যোগকালীন সময়ে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফিসহ অন্যান্য পাওনা আদায় করে না। এতে করে সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আর্থিক মহাসংকটে পড়েছে এবং যার প্রভাব পড়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার ওপর। এই কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা খুব সামান্য বেতনে শিক্ষকতা করে দেশের ভবিষৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার গুরুদায়িত্ব পালন করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেকবিডি’র সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুল আজিজ বলেন, “দারিদ্র্য দূরীকরণ, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সুনিশ্চিত উন্নতির প্রধান চাবিকাঠি হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা। সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এই কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ। করোনার প্রভাবে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়তে হয়েছে নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানসমূহকে।

বিশেষ করে এর সাথে জড়িত সকল পেশাজীবিদের ওপর এর প্রভাব পড়েছে যা দেশের সার্বিক উন্নয়ন যাত্রার জন্য বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। তাই এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছি।” শিক্ষার এ সেক্টরে প্রধানমন্ত্রীর সুনজর আছে উল্লেখ করে এই প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার আশাবাদ ব্যক্ত করেন টেকবিডি সভাপতি।

Categories
Uncategorized

করোনা ভাইরাস শেষ ঘোষণা করল যে দেশের সরকার

প্রথম ইউরোপিয়ান দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনা ভাইরাস মহামারির শেষ ঘোষণা করল স্লোভেনিয়ান সরকার। গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ৭ জনের কম নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল। বিস্তারিত না জানিয়ে সরকার বলেছে, সম্ভাব্য সংক্রমণ ঠেকাতে নাগরিকদের কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। ইনডোর পাবলিক প্লেসে মাস্ক পরতে হবে, অন্তত ৫ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং পাবলিক প্লেসে ঢোকার আগে হাত জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

এ খবর দিয়েছে আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা। সরকারের বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, অন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশগুলো থেকে কেউ স্লোভেনিয়ায় এলে এখন আর অন্তত ৭ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে যেতে হবে না। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলোর পর্যটকদের জন্য ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন থাকছে।

প্রথম ইউরোপিয়ান দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনা ভাইরাস মহামারির শেষ ঘোষণা করল স্লোভেনিয়ান সরকার। গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ৭ জনের কম নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল। বিস্তারিত না জানিয়ে সরকার বলেছে, সম্ভাব্য সংক্রমণ ঠেকাতে নাগরিকদের কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। ইনডোর পাবলিক প্লেসে মাস্ক পরতে হবে, অন্তত ৫ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং পাবলিক প্লেসে ঢোকার আগে হাত জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

এ খবর দিয়েছে আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা। সরকারের বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, অন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশগুলো থেকে কেউ স্লোভেনিয়ায় এলে এখন আর অন্তত ৭ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে যেতে হবে না। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলোর পর্যটকদের জন্য ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন থাকছে।

Categories
Uncategorized

দেশে গত ৫ দিনে ৫ হাজারেরও বেশি করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ৭০

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। দিন দিন করোনা রোগী বাড়ছে। গত ৫ দিনে করোনা রোগী শনাক্ত ৫৪০৮ জন। এদিকে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ৫ দিনে মারা গেছে ৭০ জন। গত চার দিনে ৫ হাজার ৪০৮ জন শনাক্ত হয়। দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২রা মে ৫৫২ জন, ৩রা মে ৬৬৫ জন, ৪ঠা মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে সব্বোর্চ ১ হাজার ১৬২ জন ও ১৪ মে ১০৪১ ও ১৫ মে ১২০২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

৭ মে ১৩ জন, ৮ মে ৭ জন এবং ৯ মে ৮ জন, ১০ মে ১৪ জন, ১১ মে ১১ জন ও ১২ মে ১১ ও ১৩ মে সর্বোচ্চ ১৯ জন, ১৪ মে ১৪ ও ১৫ মে ১৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, করোনায় মৃত্যুর প্রথম অর্ধশত ছাড়ায় ১৫ এপ্রিল, সংক্রমণ শনাক্তের ৩৯তম দিনে। মৃত্যু ৫০ থেকে ১০০ ছাড়াতে সময় লেগেছিল ৬ দিন। সাত দিনের ব্যবধানে ১৫০ ছাড়ায়। এরপর মৃত্যু ১৫০ থেকে ২০০ ছাড়াতে সময় লেগেছে ১১ দিন। আর ২০০ থেকে ২৫০ হয়েছে মাত্র ৫ দিনে।

সপ্তাহওয়ারি হিসাবে দেখা যাচ্ছে, মাঝখানে মৃত্যু কমে এলেও সংক্রমণের দশম সপ্তাহে এসে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্তের প্রথম সপ্তাহে (৮-১৪ মার্চ) কোনো মৃত্যুর ঘটনা ছিল না। দ্বিতীয় সপ্তাহে মারা যান ২ জন। তৃতীয় সপ্তাহে মৃত্যুর ঘটনা ছিল ৩টি। তারপরের সপ্তাহেও মারা গিয়েছিলেন ৩ জন। পঞ্চম সপ্তাহ থেকে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। টানা তিন সপ্তাহ সেটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

এর মধ্যে পঞ্চম সপ্তাহে মারা যান ২২ জন। ষষ্ঠ সপ্তাহে ৫৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছিল। আর সপ্তম সপ্তাহে ছিল সবচেয়ে বেশি ৫৬টি মৃত্যুর ঘটনা। অষ্টম সপ্তাহে মৃত্যুর ঘটনা কমে এসেছিল, ওই সপ্তাহে মারা যান ৩৫ জন। নবম সপ্তাহ থেকে সেটা আবার বাড়তির দিকে। নবম সপ্তাহে মারা যান ৩৯ জন। আর ১০ মে শুরু হওয়া দশম সপ্তাহের প্রথম তিন দিনেই মারা গেছেন ৩৬ জন। দশম সপ্তাহের প্রথম তিন দিনই মৃত্যুর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৪, ১১ ও ১১।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৪১টি প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দিনে ১০,০০০ নমুনা পরীক্ষার টার্গেট করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়ন করা যায়নি। কর্মকর্তারা বলেছেন, নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে লোকবলের সমস্যার কারণে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলেছেন, বাংলাদেশে এই পরীক্ষা শুরুর পর দুই মাসেও এর সংখ্যা বাড়াতে না পারলে সংক্রমণের সঠিক পরিস্থিতি বোঝা যাবে না। বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস রোগী শনাক্তের কথা জানানো হয় ৮ই মার্চ। তবে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর কথা ঘোষণা করা হয় ১৮ই মার্চ।

Categories
Uncategorized

খেলতে খেলতে পুকুরে, ভাই বোনসহ ৩ জনের করুণ মৃত্যু

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় পুকুরে ডুবে দুই চাচাতো ভাই বোনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে দুপচাঁচিয়া উপজেলার ইসলামপুর (খাঁ-পাড়া) গ্রামে এঘটনা ঘটে। নিহতরা হচ্ছে একই গ্রামের মাহফুজের মেয়ে মোবাশ্বিরা (৪) এবং মাসুমের ছেলে নীরব (৫)। মাহফুজ এবং মাসুম উভয়েই আপন ভাই। জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুই ভাই বোন খেলতে গিয়ে বাড়ির পাশে পুকুরে ডুবে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর দুপুর আড়াইটার দিকে পুকুরে মরদেহ ভেসে উঠে।

দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ না থাকায় পারিবারিকভাবেই দুই শিশুর মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে বগুড়ার শেরপুরের কাফুড়া পূর্বপাড়া গ্রামে বস্পতিবার সন্ধ্যায় ডোবার পানিতে পড়ে সাফি (২) নামের এক শিশু মৃত্যু হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মাসুদ আলী গত এক মাস আগে স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ও দুই ছেলে সন্তানকে মারধর করে বাড়িতে থেকে বের করে দেয়। তারপর থেকে সাবিনা তার অবুঝ দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে গাড়িদহ ইউনিয়নের কাফুড়া পূর্বপাড়া গ্রামের তার পিতা সোবাহানের বাড়িতে অবস্থান করে আসছে।

গত বৃস্পতিবার সাবিনা ইয়াসমিনসহ পরিবারের লোকজন ইফতারের আয়োজন ব্যস্ত থাকে। এদিকে পরিবারের সবার অগোচরে রাফি ও সাফি দুই ভাই বাড়ির বাহিরে খেলাধুলা করছিলো। খেলতে খেলতে সাবিনার ছোট ছেলে সাফি বাড়ির পাশের ডোবার পানিতে পড়ে গিয়ে ডুবে যায়। পরিবারের লোকজন সন্ধ্যা হলেও সাফির কোন সন্ধান না পেয়ে খোজ খবর শুরু করে। একপর্যায় বাড়ির পাশে ডোবার পানির ভিতরে শিশুটিকে দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Categories
Uncategorized

মেক্সিকান নিরীহ ছাত্রদের উপর সরকারের পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ

উৎপত্তির পর থেকে রাষ্ট্রটি কখনোই নিপীড়নবাদী চরিত্রের ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। রাষ্ট্রের শক্তিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সরকার তার সাথে ভিন্নমত পোষণকারীদের নির্মূলের জন্য নির্মম নিপীড়নের আশ্রয় নিয়েছে বারংবার। নিরস্ত্র মুক্তিকামী মানুষের ওপর রাষ্ট্রটি ফ্রাংকেস্টাইনের দানবের রূপ নিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে আঘাত হেনেছে। অমানবিক এসব ঘটনার জন্ম দিতে কখনও যুক্তির আশ্রয় নেয়া হয়নি, ভাবা হয়নি মানবতার কথা।

‘লেটলোলকো গণহত্যা’ শুধুই যে মেক্সিকোর ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে তা নয়, গোটা লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে কলঙ্ক লেপন করেছে। নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর, খেটে খাওয়া মুক্তিকামী সাধারণ জনতার উপর মেক্সিকান সরকারের আজ্ঞাবাহী সশস্ত্রবাহিনীর পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দৃশ্য বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেয়, রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের নগ্ন, নির্মম দিকটি উন্মোচিত করে দেয় আরেকবার।

গত শতাব্দীর ষাটের দশকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মুক্তিকামী জনতা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, অনাচারের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছিল, প্রতিবাদ জানিয়েছিল ঘৃণাভরে। সে বিপ্লবের ডাক ছড়িয়ে পড়েছিল এক দেশ থেকে আরেক দেশে, এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে। মেক্সিকোর রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনে অতিষ্ঠ হয়ে মেক্সিকোর জনগণও সেই বিপ্লবের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন, রাষ্ট্রের সামনে অনেকগুলো প্রশ্নবোধক চিহ্ন হাজির করেছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে মেক্সিকান সরকার জনগণের ওপর অত্যাচারের স্টিম রোলার চালিয়ে আসছিলেন। যে-ই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছে, তাকেই জেলে পুরে রাখা হয়েছে বছরের পর বছর। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিতের ফলে গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে ছাত্রদের। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাষ্ট্রের নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি আওয়াজ তোলে।

১৯৬৮ সালের অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় মেক্সিকোতে। লাতিন আমেরিকার প্রথম অলিম্পিক বলে কথা। মেক্সিকো অলিম্পিক আয়োজনের প্রস্তুতিতে ঘাটতি রাখেনি এক চুলও। রাষ্ট্রের নাগরিকের প্রতি খেয়াল না রেখে অলিম্পিক-প্রস্তুতিতে ১৫০ মিলিয়ন ডলার ঢেলে দেয়ার বিষয়টি মেক্সিকোর সাধারণ জনগণ মেনে নিতে পারেনি কোনোভাবেই। তাই আন্দোলনের অন্যতম জনপ্রিয় স্লোগান ছিল, “আমরা অলিম্পিক চাই না, আমরা বিপ্লব চাই!”

১৯৬৮ সালের জুলাইয়ে হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি শুরু হয় একটি ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে। ছাত্রদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটাতে মেক্সিকান সরকার দাঙ্গা পুলিশ পাঠায়, যাতে তারা পরিস্থিতি ঠান্ডা করতে পারে। কিন্তু ছাত্ররা তাদের ক্যাম্পাসে সশস্ত্রবাহিনীর উপস্থিতি মেনে নিতে মোটেও রাজি ছিল না। দাঙ্গা পুলিশকে রাস্তায় কয়েক ঘন্টা অবরোধ করে রাখে, ক্যাম্পাসে ঢুকতে বাধা দেয়। দাঙ্গা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হলে সরকার এবার সেনাবাহিনীকে আমন্ত্রণ জানায়। সেনাবাহিনী ছাত্রদের প্রচন্ড বাধা উপেক্ষা করে স্কুলের প্রধান গেট বাজুকা দিয়ে উড়িয়ে দেয়, গোলার আঘাতে বেশ কয়েকজন ছাত্র মারা যায়। মেক্সিকান ছাত্রদের গণআন্দোলনের শুরুর গল্পটা এরকমই।

এই ঘটনার পর মেক্সিকোর ছাত্রসমাজ সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে। জুলাইয়ের পর কয়েক মাস মেক্সিকো অনেকগুলো বিক্ষোভ-সমাবেশের সাক্ষী হয়। কিন্তু এসবের প্রতি মেক্সিকান সরকারের অবহেলা ছিল চোখে লাগার মতো। ছাত্রদের ন্যায্য দাবিগুলোর প্রতি মেক্সিকোর নিপীড়নবাদী সরকার কোনো ভ্রুক্ষেপ তো করেইনি, বরং মেক্সিকান প্রেসিডেন্ট দাম্ভিক কন্ঠে বলেছিলেন, “আর কোনো বিশৃঙ্খল অবস্থা সহ্য করা হবে না।” বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেনাসদস্যদের উপস্থিতি আরও বাড়িয়ে দেয়া হয়। বলা চলে ক্যাম্পাসগুলোর পুরো দখল নিয়ে নেয়া হয়।

সে বছরেরই অক্টোবরের ২ তারিখে সন্ধ্যায় লেটলোলকো হাউজিং কমপ্লেক্সের ‘থ্রি কালচার্স’ স্কয়ারে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয় ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি। আর দশ দিন পরেই অলিম্পিক শুরু হবে। এ সময়টাকে তাই বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করেছিল তারা, কারণ অসংখ্য বিদেশি সাংবাদিক মেক্সিকোতে অবস্থান করছিলেন সে সময়ে।

অসংখ্য ছাত্রের আগমনে পুরো হাউজিং কমপ্লেক্স এলাকা ভরে যায়। শুধু ছাত্ররাই নন, সাধারণ মানুষও এতে যোগ দেন। সহিংসতার কোনো লক্ষণ ছিল এ জমায়েতে, আরেকটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশের অপেক্ষায় ছিল সবাই। কিন্তু সেই অপেক্ষাই যে অনেকের জীবনের শেষ অপেক্ষা হবে, সেটা কি তারা জানতো?

আন্দোলনের নেতাদের গ্রেফতার করার জন্য সেনাবাহিনী ছাত্রদের সেই বিশাল জমায়েত ঘিরে ফেলে। গ্রেফতারপর্ব শুরু হয়। কিন্তু হঠাৎ করে সেনাবাহিনীর দিকেই গুলি ধেয়ে আসতে থাকে থ্রি কালচার্স চত্বরের পাশের বিশাল দালানগুলো থেকে।

আসলে প্রেসিডেন্সিয়াল গার্ড, যারা মেক্সিকান সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিট, তারা আগেই স্নাইপারদের থ্রি কালচার্স স্কয়ারের আশেপাশের ভবনগুলোতে প্রস্তুত করে রেখেছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল এরকম, সেনাবাহিনী আসার পর স্নাইপাররা সেনাবাহিনীর দিকে গুলি ছুড়বে। সেনাবাহিনী ভাববে, ছাত্ররা তাদের দিকে গুলি ছুড়ছে। ফলে তারাও পাল্টা গুলি চালাবে এবং ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে আন্দোলনের শখ মিটিয়ে দেবে চিরতরে। সেনাবাহিনী পরিকল্পনামাফিক তা-ই করেছিল।

প্রায় দুই ঘন্টা ধরে সেনাবাহিনী ছাত্রদের উপর গুলি চালিয়েছিল। গুলি চালানো শুরু হলে নিরীহ ছাত্ররা প্রাণ বাঁচাতে দিগ্বিদিক দৌড়াতে শুরু করে। সেনাবাহিনীর ট্যাংক ছেড়ে দেয়া হয় জমায়েতের উপর। অনেকে ট্যাংকের নিচে পিষে মারা যায়।

শুধুই যে ছাত্রদের উপর গুলি চালানো বা ট্যাংক ছেড়ে দেয়া হয়েছিল, তা নয়। সাংবাদিক, পথচারী কিংবা সাধারণ মানুষ– কাউকেই বাদ রাখা হয়নি। ইতালিয়ান সাংবাদিক ওরিয়ানা ফেল্লাসি ছাত্রদের প্রতিবাদ সমাবেশের সংবাদ কাভার করতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাকেও গুলি করে মেরে ফেলা হয়।

পরের কয়েক সপ্তাহ ধরে সরকার-নিয়ন্ত্রিত মেক্সিকান গণমাধ্যম প্রচার করে, ছাত্ররাই গুলি চালিয়েছে সেনাসদস্যদের উপর। ‘নিজেদের আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনী পাল্টা গুলি ছুড়েছিল’– এরকম বিবৃতি প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের দায়মুক্তি দেয়ার চেষ্টা করে মেক্সিকান সরকার।

ঠিক কতজন মারা গিয়েছিল মেক্সিকান সরকারের এই পরিকল্পিত গণহত্যায়, তা নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল। কারণ পরিস্কার কোনো তদন্ত হয়নি এ গণহত্যার। মেক্সিকান সরকার প্রথমে দাবি করে চারজন মারা গিয়েছে। পরবর্তীতে মৃতের সংখ্যা ২৬ জন, আহত ১০০ জন বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

Categories
Uncategorized

বাতিল হচ্ছে শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি!

করো’নাভাই’রাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে দীর্ঘ ছুটি শেষে সরকারি অফিস খোলার পর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শনিবারের ছুটি বাতিল হতে পারে। এ বিষয়টি এখনও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় না থাকলেও বিষয়টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

মা’র্চ মাসের শুরুতে দেশে করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত রোগী প্রথম ধ’রা পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মা’র্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে।

ছুটির সঙ্গে সঙ্গে গণপরিবহনও বন্ধ রয়েছে। সরকার সবাইকে ঘরে থাকার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সাধারণ ছুটি সহসাই উঠছে না বলে মনে করা হচ্ছে। আর ছুটি এবং করো’না সংক্রমণ অধ্যুষিত এলাকাগুলো ‘লকডাউন’ করার কারণে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকা’ণ্ডে অনেকটাই স্থবিরতা নেমেছে। আম’দানি-রফতানি ক্ষেত্রে চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিচার বিভাগও এই অচলাবস্থার বাইরে না।

জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয় সীমিত আকারে খোলা রয়েছে। সরকারি কার্যক্রমও অনেকটাই থেমে আছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিপুল সংখ্যক মানুষ। কিন্তু মা’রাত্মক ছোঁয়াচে করো’নাভাই’রাস থেকে বাঁচতে ছুটি বাড়ানো ছাড়া সরকারের অন্য কোনো উপায়ও নেই বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট সবাই। আর দীর্ঘমেয়াদি ছুটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাকে চরম অবস্থার দিতে নিয়ে যাচ্ছে।

আর এ জন্য সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন থেকে কমিয়ে একদিন করা যেতে পারে। এতে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে। স্থায়ীভাবে না হলেও অন্তত পরিস্থিতি আগের মতো স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটি একদিন করার এই সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মক’র্তারা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে সরকার করো’না সংক্রমণরোধে কর্মকা’ণ্ড নিয়েই ব্যস্ত। সাপ্তাহিক ছুটি একদিন কমানোর বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত। বিষয়টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা আছে, তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তখন হয়তো এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। তিনি হয়তো সবকিছু বিবেচনা করে শনিবারের ছুটি বাতিল করা কিংবা বর্তমান অবস্থাই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।

একজন কর্মক’র্তা জানান, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেই এর আগেও শনিবারের ছুটি বাতিলের একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেটি অনুমোদন দেননি। কারণ এর সঙ্গে কর্মক’র্তা-কর্মচারীদের মনস্তত্বও জ’ড়িত। যারা কাজ করবেন তারা এটিকে কী’ভাবে নিচ্ছেন, সেটিও একটি বড় বিষয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, এই পরিস্থিতিতেও আম’রা আমাদের কাজটা করার চেষ্টা করছি। প্রয়োজনে এবং সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদন দিলে এমনটা (শনিবার ছুটি বাতিল) হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও সেভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।

Categories
Uncategorized

মৃ’ত’দে’হের স’ঙ্গে যৌ’ন স’ম্পর্ক, ‘জেগে’ উঠলেন তরুণী, ও’তপর

দ্য শট কা’র্টস’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে সম্প্রতি একটি শর্ট ফিলমের ভিডিও আপলোড করা হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি ম’র্গে’র মধ্যে এক তরুণীর দেহ আনা হয়েছে। আর ওই ম’র্গে’ই সদ্য কাজে যোগ দিয়েছেন এক যুবক।ম’র্গে’র এক চিকিৎসক ওই যুবককে তরুণীর দেহের অংশ কা’টতে বলেন পরীক্ষার জন্য।

কিন্তু সেই কথা শুনে ওই যুবক ভ’য়ে কাঁ’পতে থাকেন। যুবকের ওই অবস্থা দেখে হাসিঠাট্টায় মাতেন ম’র্গে’র বাকি কর্মীরা। এর কিছুক্ষণ পরেই ওই যুবককে ওখানে রেখে বাইরে চলে যান চিকিৎসক-সহ ম’র্গে’র বাকি কর্মীরা।একা ঘরে সামনে আসে ওই যুবকের ‘বি’কৃ’ত রুচি’। ঘরে একা ওই যুবতীর মৃ’ত’দেহ দেখেই যৌ’ন মিলন করতে যায় যুবক।

কিন্তু তখনই ঘটে বি’পত্তি। আ’চমকাই দেহটি ‘জেগে’ ওঠে। গলা টি’পে ধরে যুবকের। বিপাকে পড়ে ওই যুবক চি’ৎকার করে ওঠেন। শব্দ শুনে বাকি কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে দেখেন ওই যুবক প্র’লাপ করছেন। দেহটি অবশ্য তখনও নিজের জায়গাতেই রয়েছে।১১ মিনিটের এই শর্ট ফিলমটিই এখন বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।

দ্য শট কা’র্টস’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে সম্প্রতি একটি শর্ট ফিলমের ভিডিও আপলোড করা হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি ম’র্গে’র মধ্যে এক তরুণীর দেহ আনা হয়েছে। আর ওই ম’র্গে’ই সদ্য কাজে যোগ দিয়েছেন এক যুবক।ম’র্গে’র এক চিকিৎসক ওই যুবককে তরুণীর দেহের অংশ কা’টতে বলেন পরীক্ষার জন্য।

কিন্তু সেই কথা শুনে ওই যুবক ভ’য়ে কাঁ’পতে থাকেন। যুবকের ওই অবস্থা দেখে হাসিঠাট্টায় মাতেন ম’র্গে’র বাকি কর্মীরা। এর কিছুক্ষণ পরেই ওই যুবককে ওখানে রেখে বাইরে চলে যান চিকিৎসক-সহ ম’র্গে’র বাকি কর্মীরা।একা ঘরে সামনে আসে ওই যুবকের ‘বি’কৃ’ত রুচি’। ঘরে একা ওই যুবতীর মৃ’ত’দেহ দেখেই যৌ’ন মিলন করতে যায় যুবক।

কিন্তু তখনই ঘটে বি’পত্তি। আ’চমকাই দেহটি ‘জেগে’ ওঠে। গলা টি’পে ধরে যুবকের। বিপাকে পড়ে ওই যুবক চি’ৎকার করে ওঠেন। শব্দ শুনে বাকি কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে দেখেন ওই যুবক প্র’লাপ করছেন। দেহটি অবশ্য তখনও নিজের জায়গাতেই রয়েছে।১১ মিনিটের এই শর্ট ফিলমটিই এখন বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।