Categories
Uncategorized

বেপক পরিবর্তন হচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

অবশেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ছোটখাটো পরিবর্তন হলেও এবার ব্যাপকভাবে পরিবর্তন হবে বলে সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল নিশ্চিত করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে এবং এটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া হবে। এই রূপরেখা যদি তিনি অনুমোদন করেন তাহলেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তনগুলো হবে বলে একাধিক দায়িত্বশীল নিশ্চিত করেছে।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

সরকারের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে, হুটহাট করে পরিবর্তনের পক্ষে নয়, বরং যে পরিবর্তন ইতিবাচক হবে সেই পরিবর্তনের পক্ষেই সরকার। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইমেজ সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে, জনআস্থার সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এই বাস্তবতায় সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারক মনে করেন যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তন ছাড়া জনআস্থা সম্ভব নয় এবং দীর্ঘদিন ধরে এই পরিবর্তন যদি না হয় তাহলে জনগনের মাঝে নেতিবাচক ধারণাও তৈরি হতে পারে। এই বাস্তবতায় সরকারের পক্ষ থেকে সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের একটি রূপরেখা চূড়ান্ত করেছে।

আগামী ২/১ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা পরিবর্তন হবেন, যাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আছে এবং যারা সিন্ডিকেট করে অপকর্মগুলো করছে এরকম কিছু পদে থাকা ব্যক্তিদের সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের তালিকা করেছে এবং তাঁদেরকে একযোগে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এটা হবে পরিবর্তনের প্রথম ধাপ এবং এটা আগামী ২/১ দিনের মধ্যে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর দ্বিতীয় ধাপে পরিবর্তন হবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এর আগেই পরিবর্তন করা হতো, তবে নানারকম জটিলতার কারণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এখনো রেখে দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যখন তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল তখন তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন, তখন মানবিক বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছিল। এরপর যখন তাঁকে পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সরকার কতগুলো বাস্তবতা বিচার-বিশ্লেষণ করেছিল, তাঁর বদলে কাকে নেওয়া হবে সেটা নির্ধারণ করতেও সময় লেগেছে বলে জানিয়েছে সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তৃতীয় ধাপে যে পরিবর্তনের কথা শোনা হচ্ছে তা হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তন। মন্ত্রিসভার একটি রদবদলের কথা ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে এবং এই রদবদলটি নানা কারণে বারবার পিছিয়ে গেছে বলে সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বাজেটের পর সংসদ অধিবেশন চলেছিল, সংসদ অধিবেশনের পরপরই মন্ত্রিসভায় রদবদলের কথা ছিল বলে সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে। ঐ সময়ে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা এডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুর পর আবার সেটা আবার ধাক্কা খেয়েছে।

জানা গেছে যে, খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যেই হয়তো মন্ত্রিসভায় রদবদল হবে। এই রদবদলের ঢেউ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে লাগবে বলেও সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর ফলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি নতুন নেতৃত্বের আওতায় আসবে। এইসব পরিবর্তনের ফলে করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যে ইমেজ সঙ্কট হয়েছে, সেই সঙ্কট দূর হবে বলে সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে যে, বাংলাদেশ যেভাবে করোনা মোকাবেলা করছে তা নিয়ে জনঅসন্তোষ বা অনাস্থা তৈরি হতো না যদি না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই দুর্নীতি, অপকর্মের একের পর এক খবর গণমাধ্যমে না আসতো। বিশেষ করে জেকেজি, রিজেন্ট, মিঠুর ঘটনা শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের না, সরকারের সাফল্যকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জনআস্থায় আনার জন্য সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছে সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র।

Categories
Uncategorized

হাত জোড় করে ক্ষমা চাইলেন শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন, সারা বিশ্বে যে অর্থনীতিতে মহামন্দা আসছে আমাদের এই মহামন্দা সম্মিলিতভাবে মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য আমাদের রাজনৈতিক ভেদাভেদ, মতৈক্য ও আত্মঅহমিকা ভুলে একসাথে কাজ করতে হবে।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

শামীম ওসমান বলেন, রাজনীতি করার কারণে অনেক সময় অনেক কথা বলতে হয়। এসব কথায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন সে জন্য হাত জোড় করে সকলের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। কাল যদি না থাকি এভাবে আর ক্ষমা চাইতে পারবো না। তাই আমার জন্য এবং সবার জন্য আপনাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

রবিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদরুদ্দিন কামরান, জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, ভাষা সৈনিক কামাল লোহানী, ব্যবসায়ী লতিফুর রহমানসহ করোনা সময়ে সাংবাদিক, ডাক্তার, প্রকৌশলীসহ যে সব জাতীয় বীর মৃত্যুবরণ করেছে তাদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।

শামীম ওসমান বলেন, কিছু মানুষ আছে যারা বর্তমানের দুঃসময়ের মধ্যেও চুরি করছে। তারা অর্থের জন্য করোনা সার্টিফিকেট বিতরণ করে প্রতারণা করছে। এদের বিরুদ্ধে আমাদের সতর্ক হতে হবে। তিনি বলেন আমাদের বেঁচে থাকার জন্য সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, করোনার এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি ধরে রাখার জন্য একজন মানুষের খুব প্রয়োজন আর তিনিই হলেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি প্রধানমন্ত্রীর জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

Categories
Uncategorized

তারেকের অনীহায় ঝুলে আছে খালেদার লন্ডন যাত্রা

বেগম খালেদা জিয়া গত ২৫ মার্চ ৬ মাসের বিশেষ বিবেচনায় জামিন পেয়েছেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন খালেদা জিয়া। স্বাস্থ্যগত কারণ এবং প্রধানমন্ত্রীর করুণার কারণে তিনি ৬ মাসের জন্য জামিন পেয়েছেন। বিভিন্ন শর্তে জামিন পাওয়ার পর জামিনের ৩ মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত তিনি কোন শর্ত ভঙ্গ করেননি। বরং তিনি তাঁর ঘরেই আছেন, কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করছেন না এবং বেগম জিয়ার পরিবারের সদস্যরা কঠোরভাবে যেন জামিনের শর্ত প্রতিপালিত হয় সে ব্যাপারে নজরদারি করছেন। তাঁদের সঙ্গে দলের দুরত্বের খবর নতুন নয়, প্রকাশ্যেই এই খবর চাউর হচ্ছে।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

এরকম পরিস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দ একেক দিন একেক কথা বলছেন। কিছুদিন আগেই বলা হয়েছিল যে, বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে যাওয়ার প্রশ্নই আসেনা, তিনি এখানেই থাকবেন। আবার বেগম খালেদা জিয়ার আত্মীয়দের ধমক খেয়ে তাঁরা সুর পাল্টেছেন। গতকাল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন যে, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিদেশেই করতে হবে, দেশে নয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে বলা হচ্ছিল যে,শর্তের জালে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশ যাত্রা থেমে আছে। কিন্তু বাংলা ইনসাইডার এর অনুসন্ধানে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, কোন শর্তের জালে নয়, বরং বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক জিয়ার অনাগ্রহের কারণেই ঝুলে আছে বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা।

বেগম খালেদা জিয়া যখন দণ্ডিত হয়েছিলেন এবং ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কারাগার যান তখন থেকেই মা ছেলের সম্পর্কের টানাপড়েনের খবর শোনা যাচ্ছিল। তারেক জিয়াই বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন যেন না হয় এবং বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রাখতে যা যা করা দরকার সে ব্যাপারে সবই করছিলেন।

বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে যে, তারেক জিয়ার কৌশল হলো বেগম খালেদা জিয়া জেলে থাকলে বিএনপির জনপ্রিয়তা বাড়বে এবং সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন বেগবান করা সহজ হবে। কিন্তু বিএনপির খালেদাপন্থিরা বলছেন উল্টো কথা। তাঁরা বলছেন যে, তারেক জিয়ার উদ্দেশ্য দুরভিসন্ধি বিএনপিকে কুক্ষিগত করা, বিএনপিকে যারা টাকাপয়সা দেয় সেই টাকার সিংহভাগ লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায় থেকে তারেক খালেদার মুক্তি চাননি।

বেগম খালেদা জিয়া যখন কারান্তরীণ ছিলেন তখন তারেক জিয়া ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং এই নির্বাচনে শত শত কোটি টাকার বাণিজ্য করেছেন- যা এখন বিএনপিতে ওপেন সিক্রেট। এই নির্বাচনের পর প্রথমে বিএনপি সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরবর্তীতে তারেক জিয়ার চাপে বিএনপি সংসদে যায় এবং সেখানেও তারেক জিয়া মনোনয়ন বানিজ্য করেন। যখন বিএনপির এমপিরা সংসদে যান তখন বিএনপির পক্ষ থেকে হারুন অর রশীদ বিএনপি নেতাদের মধ্যে প্রথম শেখ হাসিনার সঙ্গে সংসদে দেখা করেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য অনুরোধ করেন।

তখন শেখ হাসিনা জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে লন্ডনে পলাতক বিএনপির নেতা খালেদা জিয়ার মুক্তি চায় কিনা। এই প্রশ্নের উত্তরে হারুন অর রশীদ কোন কথা বলতে পারেননি। তারেকের তীব্র অনাগ্রহের কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘ ২৫ মার্চ কারাগারে থাকতে হয় এবং কারাগারে থাকাবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির সকল কর্তৃত্ব এবং নেতৃত্ব হারান। এরপর তাঁর পরিবার উদ্যোগ নেয় এবং পরিবারের সদস্যরা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন।

তাঁরা শেখ হাসিনার কাছে অনুনয়-বিনয় করে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের ৬ মাস শেষ হয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় তাঁর পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্যে তাঁকে বিদেশে পাঠাতে চান। কিন্তু তারেক জিয়া তাঁকে লন্ডনে নিতে আগ্রহী নন বলেই জানা গেছে।

বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে তারেক জিয়া লন্ডনে আলাদা একটি জগৎ তৈরী করেছেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশ থেকে যেমন বিভিন্ন রকম টাকা পয়সার লেনদেন করছেন, তাকে অনেকে টাকা পাঠাচ্ছেন এবং সেখানে তিনি নানা রকম অপরাধ গোষ্ঠীর সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েছেন।

তিনি চাননা যে তার মা সেখানে গিয়ে তার অবৈধ সম্পদের ওপর ভাগ বসান। কারণ বেগম জিয়া লন্ডনে গেলে তার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করতে হবে তার ছেলেকেই। এই দায়িত্ব তারেক জিয়া নিতে চাননা। আর এ কারণেই তারেক জিয়া তার মাকে লন্ডনে নিতে আগ্রহী নন। তারেক জিয়ার এই অনাগ্রহের কারণেই ঝুলে আছে বেগম জিয়ার লন্ডন যাত্রা।

বিএনপির পক্ষ থেকে কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন, সরকার হয়তো কিছু শর্ত দিতে চাচ্ছে। কিন্তু সরকারের একাধিক সূত্র বলছে, খালেদা জিয়া যদি লন্ডন যেতে চান তাহলে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি আবেদন করবেন। আবেদন করলে তাকে লন্ডন যেতে দেওয়ার অনুমতির বিষয়টি চিন্তাভাবনা করা হবে। কিন্তু খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোন আবেদন করা হয়নি। কারণ খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার ক্ষেত্রে তারেকের সবুজ সংকেত এখনো পাননি।

Categories
Uncategorized

ডিজির বি’রুদ্ধে মুখ খোলাতেই বরখা’স্ত সাবরিনা?

জেকেজির কেলে’ঙ্কারি আজ ঘটেনি। গত ২৩ জুন করোনার ভু’য়া সনদ দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতা’রণার অভি’যোগে আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেফ’তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীকে গ্রে’প্তার করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান স্ত্রী ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে তখন গ্রে’প্তার করা হলো না। সাবরিনা গত ১৯ দিন বহাল তবিয়তেই ছিলেন। তিনি অফিস করেছেন। এমনকি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আত্নপক্ষ সমর্থনও করেছেন। তখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কোন ব্যবস্থাই নেয়নি।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

একজন সরকারী কর্মকর্তা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আত্নপক্ষ সমর্থন করেন কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু যখন গতকাল টেলিভিশন চ্যানেলে সাবরিনা বললেন যে, ভু’য়া রিপোর্টের ব্যাপারটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানতেন। এই কথা বলার পরপরই তড়িৎ গতিতে তার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলো। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে রেজিস্টার্ড চিকিৎসক থেকে বর’খাস্ত করা হলো।

প্রশ্ন হলো যে, সাবরিনা অপরাধ তো ১৯ দিনের পুরেনো। এতদিন কেন তাকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভি’যোগে বর’খাস্ত করা হলো না? জেকেজি কাণ্ডের শুরু থেকেই তো বলা হচ্ছিল কিভাবে একজন সরকারী কর্মকর্তা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হয়। এতদিন পর এখন কি হলো? নাকি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক যিনি সবকিছুর মূল হোতা তার বিরু’দ্ধে মুখ খোলার পরেই শা’স্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলো?

সাবরিনা অ’পরাধী তার বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াটা অবশ্যই দরকার। কিন্তু যখন আরেকজন অপরাধীর বিষয়ে মুখ খোলার জন্য কাউকে বর’খাস্ত করা হয় তখন প্রশ্ন উঠে যে, মূল অপরা’ধীরা কি তাহলে ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাবে?

কারণ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যা কিছু অপকর্ম তার দায়ভার অবশ্যই প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালককে নিতে হবে। তাকে এটাও বলতে হবে যে, জেকেজি কাণ্ডের পরে এতদিনে কেন ব্যবস্থা নেননি? সাবরিনাকে কেন সে সময় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়নি? কেন তাকে তখন দো’ষী সব্যস্ত করা হয়নি? এখন কেন?

Categories
Uncategorized

এটি আমাদের প্রিয় ম’হানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ‘জুব্বা’

ম’হানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যবহৃত জুব্বা মোবারক। ইস্তাম্বুলে এটি প্রদর্শন করা হয়। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যবহৃত পোশাকের মধ্যে মাত্র একটি দীর্ঘকায় তৎকালীন আরবীয় প্রথা অনুসারে তৈরি বিশেষ জামা বা জুব্বা তুরস্কের তোপকাপি প্রাসাদ জাদুঘরে রয়েছে বলে দাবি করা হয়। গবেষকদের মতে, মহানবী (সা.)-এর সময়কার কবি কাব ইবনে জুহাইর ইসলাম গ্রহণের পর কবিতার মাধ্যমে প্রিয় নবী (সা.)-এর প্রশংসা করতেন এবং বি’ধর্মীদের বি’রূপ কবিতার প্রতিউত্তর দিতেন।

তৎকালীন ঐতিহ্য অনুসরণ করে ম’হানবী (সা.) কবি কাব ইবনে জুহাইরকে তাঁর একটি জুব্বা (জামা) উপহার দেন। পরবর্তীতে এই কবির সন্তানরা উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতার কাছে এই পবিত্র জুব্বা (জামা) বিক্রি করে দেন। এই জুব্বা লম্বায় প্রায় দুই গজ এবং ফুলহাতাযুক্ত। কালের বিবর্তনে জুব্বার রং পরিবর্তিত হতে পারে ধারণা করা হলেও গবেষকদের মতে জুব্বার রং ছিল হালকা ঘিয়া বা ক্রিম কালারের।

বর্তমানে তোপকাপি জাদুঘরে একটি স্বর্ণখচিত স্বচ্ছ বাক্সে এই পবিত্র জুব্বা রাখা আছে। প্রতি বছর রমজান মাসের ১৫ তারিখে এই জুব্বা জনসাধারণকে দেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়। অন্য সময়ে এই জুব্বা দেখার সুযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। (অনলাইন থেকে সংগৃহীত)

Categories
Uncategorized

বৃষ্টি ভেজা রাত

অফিস থেকে ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গেল। গাড়ি থেকে নামতেই সম্পূর্ন ভিজে গেলাম আমি। কারনটা জমকেস বৃষ্টি হচ্ছিলো। হচ্ছিলো বর্জপাত। তারাতারি চাবি দিয়ে বাড়ির গেইট খুলে ভিতরে ঢুকলাম।
গা-হাত মুছতেই হটাৎ ডোর বেল বেঁজে উঠলো।

কে আসলো এতো রাতে। রাততো আর কম হলো না। ১২.০০ টার কাছা-কাছি।
রীতিমত ঝড় হচ্ছে। তাই কারেন্ট টাও চলে গেলো। হয়তো বৈদ্যুতিক তার ছিড়ে গেছে। হাতে মোমবাতি নিয়ে গেইটের কাছে গিয়ে গেইট খুলতেই দেখি এক যুবতি মেয়ে। বৃষ্টির পানিতে সম্পূর্ন ভিজে গেছে।

থ্রি-পিছ পড়া মেয়েটির দুধে আলতা গায়ের রং, টানা-টানা চোখ, চোখের সামনে ভিজে থাকা কাঁটা চুলের ছাওনিতে অদ্ভুত সুন্দর লাগছিলো।
কিন্তু বুঝে উঠতে পারছিলাম না, এত রাতে এই মেয়েটি এখানে কি করছে? আর কার কাছেই বা এসেছে? দুজন দুজনের চোখের দিকে তাকিয়ে আছি, আর মনের মধ্যে প্রশ্নের সমারহ। মেয়েটি আমাকে কিছু একটা বলতে চাইছে। যা তার চোখের পানে ভেসে উঠছে।
-কে আপনি? আপনাকে তো চিনি বলে মনে হচ্ছে না?

~আমি এ পথ দিয়েই যাচ্ছিলাম। কিন্তু বৃষ্টির কারনে আর সামনে এগুতে পারছি না। কোন গাড়িও নেই এখানে।
-তো আমার বাড়ির বেল বাঁজানোর কারন কি?
~মনে হচ্ছে ঝড় আরো কয়েক ঘন্টা হবে। আর অনেক রাত ও হয়ে গেছে। এত রাতে কি ভাবে যাব? তাই ভয়ে বেল বাজিয়েছি। আপনার বাড়িতে আজকের মত থাকা যাবে? আমার অনেক উপকার হত!

আমি কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না। বাড়িতে কেউ নাই। আমার ফ্যামালিতে আমি আর বাবা ছাড়া কেউ নেই। মা মারা গেছে যখন ছোট ছিলাম তখনি। কিন্তু গত ২ দিন আগেই বাবা মক্কায় যাত্রা করেছে হজ্জের আশায়। এত বড় বাড়িতে আমি একা আর একটি মেয়ে আমার বাড়ির গেইটের সামনে দাঁড়ানো, শুনতেও তো কেমন জানি লাগে।
প্রকৃতির নিয়মে বিদ্যুৎ চমকাতেই ভয়ের কারন বশত আমাকে জড়িয়ে ধরতে দ্বিধা করলো না মেয়েটি।
-কি করছেন? ছাড়েন ছাড়েন !!!!

~দয়াকরে আমাকে ভিতরে যেতে দিন। বাহিরে অনেক ঠান্ডা আর আমি অনেকক্ষন যাবত ভিজে আছি।
-আচ্ছা আসুন কিন্তু বাড়িতে আমি এখন একাই আছি। আর কাল সকালেই আপনাকে চলে যেতে হবে।
~আমি চলে যাবো কোন সমস্যা হবে না আপনার।
-ঠিক আছে।

মেয়েটি ঢুকতেই বাড়ির মেঝে কাঁদা-পানিতে তলিয়ে গেলো। পিছন থেকে মনে হচ্ছিলো সুন্দর্যের প্রতিমা। পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য। যে কোন পুরুষ দেখলে নিজেকে কাবু রাখতে পারবে না। নিজের অজান্তেই কুমতলব বাসা বাঁধবে মস্তিষ্কে।

-ওয়াসরুম ঐদিকে।

কিছু না বলেই চলে গেলো। হাত-পা কাঁদার কবল থেকে মুক্ত করে ভিজা শরিরে আমার সামনে এসে হাজির হলো। শীতে কাঁপছে মেয়েটি।

-এখানে তেমন কাপড় নাই। এখন কি করবেন? ~আপনার কিছু কাপড় পেলে ভালো হত।

মেয়েটির কথাশুনে আমি আর কিছু বলতে পারলাম না। ঘর থেকে আমার একটা লুঙ্গী আর একটা শার্ট এনে দিলাম। কাপড় নিয়ে আবার ওয়াসরুমে চলে গেলো।
এসব কি হচ্ছে আমি কিছু বুঝতে পারছিলাম না। মাথা কাজ করছিলো না আমার। কেউ যদি জানতে পারে আমার বাড়িতে এমন একটা সুন্দরী মেয়ে আছে তাহলে যা-তা ভেবে নিবে এতে কোন প্রকার সন্ধেহ নেই। বদনামের চূড়ান্তে নিয়ে যাবে মেয়েটিকে, আমাকেও ছাড় দিবেনা কোন অংশে।

-আমার চা খেতে ইচ্ছে করছে। চা খাবেন আপনি?(উচ্চ স্বরে) ~হুম আমি কিচেনে যেতেই রেডি হয়ে বেড়িয়ে এলো মেয়েটি। ~আপনি কি কিচেনে? -হুম। ~আপনি বসুন। আমি চা করে দিচ্ছি।

লুঙ্গি আর শার্ট পরাতে মেয়েটিকে অদ্ভুত লাগছে। মাথার চুল গুলো কোমড় পেড়িয়ে হাঁটুকে স্পর্স করতে চাইছে।এত বড় চুল আমি এর আগে দেখি নি। চুলের পানিতে ভিজে গেছে শার্টের অর্ধেকটা আর লুঙ্গির কথা না বলি।
~এই নিন। -বসুন। ~ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি না থাকলে হয়তো আজ আমাকে বড় কোন বিপদের মুখে পরতে হত। -ইটস ওকে। আপনার নাম কি? আর কই থাকেন?

~আমি একটা শিক্ষক। এক ছাত্রীর বাসায় ছিলাম। কিন্তু এতো দেড়ি হবে বুঝতে পারি নি। -এত রাতে ছাত্রীর বাসায়? ~দাওয়াত ছিলো। আজ ওর জন্মদিন। আমাকে বাড়িতে পৌছে দিতে চেয়েছিলো কিন্তু আমি মানা করে দিয়েছিলাম। -ওহ……… আমি ঐ রুমে থাকি আর আপনি ওইটাতে থাকবেন। কোন কিছু দরকার হলে আমাকে বলবেন। ~আমার অনেক ক্ষুধা লেগেছে!

-আপনি না দাওয়াত থেকে এসেছেন? ~হুম। কিন্তু ভয় পেলে আমার অনেক ক্ষুধা লাগে। বিষয়টা হাস্যকর হলেও সত্যি। যদি কিছু মনে না করেন আমাকে কিছু খাবার দেওয়া যাবে? -খাবার টেবিলে ঐ দিকে।

মেয়েটির কথা শুনে আমি রীতিমত অবাক হয়ে যাচ্ছি। অনেক ফ্রি ভাবে বলে দিচ্ছে সব কিছু। প্রথম দিনে এতো ফ্রি ভাবে কথা বলাও কি সম্ভব? আমি এমনটা পারবো না।

-এই নিন। খেয়ে শুয়ে পরবেন। আমি গেলাম।
~আপনি খাবেন না?
-ক্ষুধা নাই আমার।

এই বলে চলে আসলাম নিজের ঘরে। ক্ষুধায় পেটের মধ্যে ইঁদুরেরা যুদ্ধ ঘোষনা করে দিয়েছে। কিন্তু কিছু করার নেই। একজনের খাবার ছিলো তাই ওকে দিয়ে চলে আসতে হলো। ২ গ্লাস পানি পানে শুয়ে পরলাম।
ঠক ঠক……… ঠক ঠক………

ঘরের দড়জায় নক করছে মেয়েটা হয়তো। -কে? ~আমি। ভিতরে আসবো? -আবার কি চাই? আসবো বলে তো এসেই পরেছেন। কি লাগবে বলেন? ~আসলে আমি অনেক দুঃখিত। আপনার জন্য, এই নিন। -আপনি খাবেন না? ~দুজনে মিলে-মিশে খাই। বিষয়টা কি খারাব দেখাবে?

আমি মুচকি হেঁসে বললাম ‘না’। মেয়েটা আমার খাটে বসেই খাবার শেষ করলো। আর আমি কোন রকমে ইঁদুর গুলোকে শান্ত করে রাখলাম, সকাল পর্যন্ত।

-ধন্যবাদ। এখন ঘুমাতে যান।
~হুম।

আমি দড়জার দিকে তাকিয়ে আছি আর মেয়েটা দড়জা লাগিয়ে চলে যায়। সব চিন্তা বাদ। কাল সকালে সবার আগে মেয়েটিকে বিদায় করে দিতে হবে তারপর আবার অফিস। এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে চোখের পাতা নেমে গেলো বুঝতেই পারলাম না। আমি ঘুম পাতলা মানুষ হওয়ায় ঘুমের ঘোড়ে হাত নাড়াচাড়া করতেই মনে হলো কেউ আমার পাশে শুয়ে আছে। চোখ খুলতেই দেখি মেয়েটি আমার পাশে।
-এই(রাগান্বিত কণ্ঠে)। আপনি এখানে কেন?

পরবর্তী পর্ব দেখার জন্য অপেক্ষা করুন, ভালো লাগলে অবশ্যই বলবেন।😇😇

Categories
Uncategorized

পৃ’থিবীতে ৩৩ লক্ষ বছরে যা হ’য়নি তা হতে পারে ২০২৫ সালে

২০২৫ সালের মধ্যে বাতাসে কা’র্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ হতে চলেছে সর্বোচ্চ। –এ প্রকাশিত একটি গবে’ষণা পত্রে দাবি করেছেন সাদাম্পটন ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। এমন পরিস্থিতি নাকি ৩৩ লক্ষ বছরে প্রথমবার হতে চলেছে। তাই বাতাসের ভারসাম্য রক্ষায় বেগ পেতে হতে পারে মানুষকে।

কীভাবে হল এই গবে’ষণা?‌ গবেষকরা সমুদ্রের তলা থেকে একটি ক্ষুদ্র সেডিমেন্ট সংগ্রহ করেছিলেন। যেটির ব’য়স প্রায় ৩০ লক্ষ বছর। সেটির সাহায্যে দেখা যায়, সেই সময়ে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ছিল ৩ ডিগ্রি বেশি।

এই গবে’ষণার মাধ্যমে দেখা গিয়েছে, কীভাবে পৃথিবী কার্বন ডাই অক্সাইডের স’ঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, পৃথিবীর বর্তমান যা অবস্থা, তাতে ২০২৫ সালের মধ্যে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড বৃ’দ্ধির পরিমাণ হবে ২.‌৫ পিপিএম/‌প্রতি বছরে।
সেই অঙ্ক ছাড়িয়ে যাবে ৩৩ লক্ষ বছর আগের পৃথিবীতে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ।

সমুদ্র তলের উষ্ণতাও এর ফলে বৃ’দ্ধি পাবে। আমরা এখনও’ফিজিকস ডট ওআরজিতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছে, পরিস্থিতি ঠিক কোনদিকে যাবে, তা এখনই ঠিক করে বলা মুশকিল। কারণ, এক নতুন জৈব যুগের পরিবর্তন বলা যায়।

Categories
Uncategorized

চিকিৎসক সাবরিনা ব’রখাস্ত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজিকে শো’কজ

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে সাময়িক ব’রখাস্ত করা হয়েছে। সরকারী চাকরি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকা এবং অর্থ আ’ত্মসাতের মতো শা’স্তিযোগ্য অ’পরাধে অ’ভিযুক্ত হওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাঁকে ব’রখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাবরিনা ব’রখাস্তের বিষয়টি আজ রবিবার (১২ জুলাই) থেকেই কার্যকর হবে।

এদিকে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই চিঠির বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে শো’কজ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতর কর্মকর্তা বলতে কী বোঝানো হয়েছে এবং রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের আগে কী কী বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে তা জানাতে বলা হয়েছে।

চিকিৎসক সাবরিনাকে ব’রখাস্তের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, তিনি সরকারী চাকুরে হওয়া সত্ত্বেও অনুমতি না নিয়েই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের (জেকেজি) চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। তা ছাড়া করোনা পরীক্ষার ভুয়া সনদ দিয়ে অর্থ আ’ত্মসাতের সঙ্গেও তিনি জড়িত বলে অ’ভিযোগ রয়েছে। সরকারী কর্মচারি বিধিমালা অনুযায়ী এগুলো শা’স্তিযোগ্য অপরাধ। এসব কারণে তাঁকে সাময়িক ব’রখাস্ত করা হয়েছে।

Categories
Uncategorized

অবশেষে মুখ ঢাকলেন ট্রাম্প

করোনাভাইরাস মহামারি শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে মুখে মাস্ক পরলেন। ওয়াশিংটনের বাইরে ওয়াল্টার রিড সামরিক হাসপাতাল পরিদর্শনকালে মাস্ক পড়েন তিনি। সেখানে তিনি আহত সৈনিক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

হোয়াইট হাউজ থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বলেন, “আমি বরাবরই মাস্কের বিরুদ্ধে, কিন্তু আমার মতে, সেটার জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় এবং জায়গা রয়েছে।“

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি মাস্ক পরবেন না। মাস্ক পরার জন্য ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনকে নিয়ে তিনি ব্যাঙ্গও করেছেন।

তবে শনিবার তিনি বলেছেন, “আমি মনে করি, যখন আপনি হাসপাতালে থাকবেন, বিশেষ করে এরকম নির্দিষ্ট অংশে, যখন আপনার অনেক সৈনিক এবং মানুষজনের সঙ্গে কথা বলতে হবে, যাদের কেউ কেউ মাত্রই অপারেশন টেবিল থেকে ফিরেছেন, তখন মাস্ক পড়া খুব ভালো একটা ব্যাপার।“

গত সপ্তাহে ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্কের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমি পুরোপুরি মাস্কের পক্ষে।“

তিনি আরো বলেন যে, মাস্ক পড়লেও তাকে দেখতে অনেকটা `লোন রেঞ্জারের` মতো লাগে। লোন রেঞ্জার হচ্ছে আমেরিকান কল্পকাহিনীর একজন নায়ক, যিনি তার আদিবাসী আমেরিকান বন্ধু টোনটোর সঙ্গে মিলে পশ্চিমা আমেরিকায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে লড়াই করতেন।

তবে গত এপ্রিল মাসে যখন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করার জন্য সবার জন্য জনসম্মুখে মাস্ক পড়ার সুপারিশ করে, মি. ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তিনি সেটা করবেন না।

প্রসঙ্গত যে, জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত এক লাখ ৩৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ লুইজিয়ানা রাজ্যে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

Categories
Uncategorized

ঈদুল আজহার ছুটি নিয়ে যা বললো সরকার

করোনা ভাইরাসের এই দুর্যোগে এবার ঈদুল আজহার ছুটি কতদিন থাকবে, এই নিয়ে সাধারণ মানুষের ভাবনার যেন শেষ নেই। কেউ ভাবছে তিনদিন আবার কেউ চারদিন, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এই বিষয়ে কোনও কিছু জানানো হয়নি। এর আগে, করোনা মহামারির শুরু থেকে ৩০ মে পর্যন্ত টানা ৬৬ দিন ছুটিতে ছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যে সামনে আসছে আরেকটি ঈদ। সেই ঈদে কতদিন ছুটি থাকবে, সেই প্রশ্ন এখন সবার।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জানা গেছে, ঈদের সময় আর বাড়তি ছুটির চিন্তা-ভাবনা সরকারের নেই। সরকার চায় ছুটি আরও কমাতে। কারণ ঈদের সময় বাড়ি যেতে নিরুৎসাহিত করছে সরকার। মানুষের চলাচল যত কমানো যায় করোনা তত নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলেও মনে করছে সরকার। এদিকে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা অনুযায়ী আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।

এরই মধ্যে আগামী ১ আগস্ট (শনিবার) ঈদুল আজহা ধরে সরকারের ২০২০ সালের ছুটির তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী ৩১ জুলাই, ১ ও ২ আগস্ট (শুক্র, শনি ও রোববার) ঈদুল আজহার ছুটি থাকবে। এক্ষেত্রে দু’দিনই চলে যাচ্ছে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে। বাকি থাকে মাত্র একদিন। আর সেই ১ দিনই এবার ঈদের ছুটি। আর ৩১ জুলাই (শুক্রবার) ঈদ হলে ছুটি থাকবে ৩০ ও ৩১ জুলাই এবং ১ আগস্ট (বৃহস্পতি, শুক্র ও শনি)।

এক্ষেত্রেও ছুটির দুদিন চলে যাচ্ছে সপ্তাহিক ছুটির মধ্যে। সেক্ষেত্রেও বাকি থাকে মাত্র একদিন। এবারের ঈদের ছুটির বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পুরো বছরের ছুটি যখন ঘোষণা করা হয়, ঈদের ছুটিও তখন ঘোষণা করা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ঈদুল আজহার ছুটি যেভাবে ঘোষণা করা আছে, সেভাবেই থাকবে।