Categories
Uncategorized

সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছে’লের ঘটনায় ক্ষেপে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কোঠর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হাজী সেলিমের ছে’লের ঘটনায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষু’ব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। দলটির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রী এই ঘটনা জানার পর ক্ষু’ব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেছেন কোন ব্যক্তিই আইনের উর্দ্ধে নয়। অ’প’রাধ করলে যে কারও বি’রু’দ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।

আওয়ামী লীগের অন্য আরেকজন নেতা বলেন, ‘হাজী সেলিমের ছে’লে এই ঘটনায় বাড়াবাড়ি করেছে। যদি তার অন্যায় কিছু ঘটে থাকে তার জন্য দেশে আইন আছে, আ’ইনশৃঙ্খ’লা র’ক্ষাকারী বাহিনী আছে, বিচার আছে। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং নৌবাহিনী কর্মক’র্তার উপর এই ধরণের আ’ক্র’মণের ঘ’টনা অনভিপ্রেত এবং অকল্পনীয়’।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরপরই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গাড়ি চালককে আ’ট’ক করেছে এবং মা’মলা দায়ের করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দ্রুতই অন্য আ’সা’মিদের গ্রে’ফতার করা হবে।

Categories
Uncategorized

ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের ছেলে এরফান সেলিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখার দায়ে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের ছেলে এরফান সেলিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার সন্ধ্যায় অস্ত্র ও মাদকের দুই মামলায় ছয় মাস করে মোট এক বছরের সাজা দেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ ডেইলি বাংলাদেশকে জানিয়েছেন, পুরান ঢাকার সোয়ারিঘাটের দেবদাস লেনে ওই বাড়িটি ঘেরাও করে সোমবার বেলা ১২টায় অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

এমপি হাজী সেলিমের অন্দরমহলে অভিযান এখনও চলছে। হাজী সেলিমের বাসায় র‌্যাবের অভিযান,র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, সাদা রঙের নয়তলা এ ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় থাকেন এরফান সেলিম। সেখানে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, একটি এয়ারগান, ৩৭টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া, বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, আগ্নেয়াস্ত্রের কোনো বৈধ কাগজ এখনো দেখাতে পারেননি। আর ওয়াকিটকিগুলোও অবৈধ, কালো রঙের এসব ওয়াকিটকি শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করতে পারেন। হাজী সেলিমের ছেলে পুরান ঢাকা তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য সম্পূর্ণ ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের মধ্যে রেখেছেন

জানা গেছে, হাজী সেলিমের ছেলে পুরান ঢাকা তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য সম্পূর্ণ ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের মধ্যে রেখেছেন। এজন্য তিনি অবৈধভাবে ভিপিএস ডিভাইস ব্যবহার করতেন। এই ডিভাইস আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ট্র্যাক করতে পারে না। সরকারি অনুমোদন ছাড়াই তিনি এই ভিপিএস নেটওয়ার্কিং সিস্টেম করেছিলেন।

এর আগে, রোববার রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে তার ছেলে এরফান ও তার কতিপয় সঙ্গী নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করেন। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে ঘটনাটি ঘটে। রাতেই এ বিষয়ে জিডি এবং সোমবার ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলায় এমপি হাজী সেলিমের ছেলে এরফান সেলিম (৩৭), তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ (৩৫), হাজী সেলিমের মদীনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু (৪৫), গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ (৩০) অজ্ঞাতপরিচয়ের দু-তিনজনকে আসামি করা হয়।
গাড়ি থেকে আসামিরা বের হয়ে নৌকর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. ওয়াসিফ আহমেদ খানকে কিল ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করেন

মামলার এজাহার অনুযায়ী রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে কলাবাগানের দিকে যাচ্ছিলেন। ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে স্টিকার লাগানো কালো রঙের ল্যান্ড রোভার গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৭৩৬) পেছন থেকে তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এরপর ওই কর্মকর্তা সড়কের পাশে মোটরসাইকেল থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। কিন্তু গাড়ি থেকে আসামিরা বের হয়ে তাকে অপদস্থ ও কিল ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করেন। পরে তার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

এ সময় ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হলে তারা নিজেদের গাড়ি ফেলে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই গাড়ি ও নৌ বাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল দুটোই ধানমণ্ডি থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার পর অফিসারের স্ত্রী কর্তৃক স্থানীয় জনতা ও পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডি থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় অফিসারকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্যে।

Categories
Uncategorized

র‌্যাবের ৬ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে অবৈধভাবে মজুত, হাজী সেলিমের বাসায়।

ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের একটি বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। র‌্যাবের ৬ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে অবৈধভাবে মজুত মদ, অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ ওয়াকিটকি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার সোয়ারিঘাটের দেবদাস লেনে ওই বাড়িটি ঘেরাও করে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম অভিযানের নেতৃত্বে দিচ্ছেন।

অভিযান শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযান চলছিল। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, সোয়ারি ঘাট এলাকায় এমপি হাজী সেলিমের একটি বাড়ি আছে, সেটা ঘেরাও করে র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছে। র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা বলেন, র‌্যাবের সদস্যরা হাজী সেলিমের ছেলে ইরফানসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে, রোববার রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে তার ছেলে ইরফান ও তার কতিপয় সঙ্গী নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করেন। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে ঘটনাটি ঘটে। রাতেই এ বিষয়ে জিডি এবং সোমবার ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী নৌকর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. ওয়াসিফ আহমেদ খান রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে কলাবাগানের দিকে যাচ্ছিলেন। ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে স্টিকার লাগানো কালো রঙের ল্যান্ড রোভার গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৭৩৬) পেছন থেকে তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এরপর ওই কর্মকর্তা সড়কের পাশে মোটরসাইকেল থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন।

কিন্তু গাড়ি থেকে আসামিরা বের হয়ে তাকে অপদস্থ ও কিল ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করেন। পরে তার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হলে তারা নিজেদের গাড়ি ফেলে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই গাড়ি ও নৌ বাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল দুটোই ধানমণ্ডি থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার পর অফিসারের স্ত্রী, স্থানীয় জনতা ও পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডি থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় অফিসারকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালে নিয়ে যান চিকিৎসার জন্যে।

Categories
Uncategorized

ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী তারকা পল পগবা, ইসলাম বিরোধী মন্তব্যের কারণে দলে না খেলার ঘোষণা।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী তারকা পল পগবা। দেশটির রাষ্ট্রপতির ইসলাম বিরোধী মন্তব্যের রেশ ধরে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুসলিম এই তারকা ফুটবলার।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

বয়স মাত্র ২৭ বছর, ফর্মও দুর্দান্ত। সব ঠিক থাকলে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে দলের মধ্যমণি হওয়ার কথা এই তারকা ফুটবলারের। অথচ, পগবা কিনা ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে আর খেলবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন এখনই!

ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম দি সান এমনই এক তথ্য প্রকাশ করেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রেঞ্চ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা পগবাও এখনো কিছু জানাননি।

কিন্ত দি সান জানিয়েছে অ্যারাবিক ক্রীড়া ওয়েবসাইটে পগবা তার প্রকাশ্যে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

হুট করে পগবার অবসরের বিষয়ে দি সান আরও জানিয়েছে, ফ্রান্স সরকারের ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্যের পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পগবা। এছাড়াও মুসলিম ধ’র্মের মহামানব হযরত মুহাম্মদকে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশও এমন সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

ঘটনার সূত্রপাত, ফরাসি শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাতি প্রথমে মহানবীকে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশ করলে। পরবর্তীতে এর জন্য নিজ ছাত্রের হাতে প্রাণ হারাতে হয় স্যামুয়েলকে। এরপরই ফ্রান্স প্রধানমন্ত্রী ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোন ইসলামকে সন্ত্রাসবাদের ধ’র্ম বলে আখ্যায়িত করেন। এমনকি ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন আঁকা সেই শিক্ষককে ‘লেজিয়ন ডি’হনরে’ ভুষিত করেন।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

ফ্রান্সে খ্রিস্টান ধ’র্মের পর ইসলামই সর্বোচ্চ। সেখানে দেশটির সরকারের এমন মন্তব্য ও কাজ পগবার কাছে নিজের, মুসলিম জাতি এবং তার ধ’র্ম ইসলামের জন্য অপমানজনক বলে মনে হয়েছে।

আর তাই জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়।

Categories
Uncategorized

শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হচ্ছে স্কুল-কলেজে

২০২১ শিক্ষাবর্ষের ছুটির খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। খসড়া তালিকা অনুযায়ী, ২০২১ সালে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি আটদিন।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

তবে মোট ২২ দিন সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটি হলেও সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে শুক্রবার ও শনিবার। দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটি কার্যকর হবে প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও। বিদ্যমান ব্যবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে কেবল শুক্রবার।

প্রস্তাবিত ছুটির তালিকাটি অনুমোদনের জন্য শিগগির মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভা এ তালিকা অনুমোদন দিলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হবে। এ ছুটির ভিত্তিতে অনুমোদিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, আগামী বছরের ক্লাস-ছুটি-পরীক্ষাসহ সকল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ২০২১ সালের সরকারি অফিসের ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী এতে সম্মতি দিয়েছেন। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছুটির তালিকা অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। সেজন্য ইতোমধ্যে তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বাংলা একাডেমি প্রণীত ১৪২৭-২৮ বঙ্গাব্দের বর্ষপঞ্জি, ধ’র্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন ধ’র্মীয় পর্বের তালিকা, আবহাওয়া অধিদফতর এবং আরবি প্রত্যেক মাসের ইসলামী পর্বগুলোর তালিকার সঙ্গে সমন্বয় করে ২০২১ সালের ছুটির খসড়া তালিকা প্রণয়ন করেছে।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

সেই তালিকা অনুযায়ী, ইসলামী পর্বের শবে বরাত ২৯ মার্চ সোমবার, শবে কদর ১০ মে সোমবার, ঈদুল ফিতর ১৩ মে বৃহস্পতিবার, ঈদুল আজহা ২০ জুলাই মঙ্গলবার, আশুরা ১৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার, ঈদে মিলাদুন্নবী ১৯ অক্টোবর মঙ্গলবার উদযাপন করা হবে।

বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধ’র্মীয় দিবসের ছুটি সাধারণ ছুটির অন্তর্ভুক্ত। এ ছুটির মধ্যে ছয়টি সাপ্তাহিক ছুটির দিনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চারটি শুক্রবার ও দুটি শনিবার। বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধ’র্মীয় দিবস উপলক্ষে আট দিন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে। নির্বাহী আদেশে ছুটির মধ্যে এক দিন সাপ্তাহিক ছুটি (শনিবার) রয়েছে। সুতরাং সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশের ছুটি ২২ দিন হলেও শুক্র ও শনিবারের (সাপ্তাহিক ছুটি) কারণে এই ছুটি কার্যত ১৫ দিন।

ধ’র্মীয় পর্ব উপলক্ষে বরাবরের মতোই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার সুযোগ থাকছে। একইভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে কর্মরত বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি বা অনুরূপ সামাজিক উৎসব উপলক্ষে দু’দিনের ঐচ্ছিক ছুটির বিধানও থাকছে।

Categories
Uncategorized

প্রিয়নবী হযরত মুহাম্ম’দ (স:) কে অবমাননার প্রতিবাদে ম’রোক্কোয় ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক

মহানবী হযরত মুহাম্ম’দ (স:) কে নিয়ে ফ্রান্সের বিতর্কিত কার্টুন প্রকাশের পর বিশ্বের অনেক দেশেই ফ্রান্সের পণ্য বয়কট ডাক দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা। এবার সেই কাতারে শামিল হলো ম’রোক্কো। শুক্রবার থেকে টুইটারসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ফ্রান্সের পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়ে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার শুরু হয়েছে দেশটিতে। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের।

ফেসবুক ও টুইটারে নিজেদের প্রোফাইল ছবিতে ‘মুহাম্ম’দ (স:) দ্যা ম্যাসেঞ্জার অব আল্লাহ ’ লেখা ব্যানার ব্যবহারের পাশাপাশি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের মন্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

হ্যাশট্যাগ ব্যবহারকারী ম’রোক্কোর নাগরিক রানীয় লায়লাহি টুইট করে বলেছেন, ইস’লামের বি’রুদ্ধে ফ্রান্স প্রেসিডেন্টের অবস্থান আমি মোটেই মেনে নিতে পারছি না। তাই আমি ফ্রান্সের পণ্য বয়কট সম’র্থন করি।

ফেসবুক ব্যবহারকারী জালাল আউয়িতা লিখেছেন, ফ্রান্সের আগেরকার এবং বর্তমানকার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। সেই বিদ্বেষ, বৈষম্য এবং হীণ মানসিকতা এখনো রয়ে গেছে। এর আগেও কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মানুষ ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের আহ্বান জানিয়ে ফেসবুক ও টুইটারে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার শুরু করে।

Categories
Uncategorized

স্বামীর চোখ ফাঁকি দিয়ে একই বাড়িতে তিনি লুকিয়ে রাখেন প্রেমিককে। তাও আবার ১৭ বছর ধরে।

আপনার প্রিয়জনের সঙ্গে দেখা করার জন্য কি পরীক্ষা দিতে পারবেন? বড় জোর বাসায় মিথ্যা কথা বলে দেখা করতে যেতে পারবেন!
তাই বলে কি আপনি বছরের পর বছর ধরে প্রেমিককে ঘরে লুকিয়ে রাখতে পারবেন? ভাবতে অবাক লাগলেও এমনই এক সাহসিকতার কাজ করেছেন এক নারী। স্বামীর চোখ ফাঁকি দিয়ে একই বাড়িতে তিনি লুকিয়ে রাখেন প্রেমিককে। তাও আবার ১৭ বছর ধরে।] গ

ডলি অস্ট্রেইস ১৮৮০ সালে জার্মানির একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স যখন ২০ বছর তখন তার খুব ধনী একজন টেক্সটাইল মালিকের সঙ্গে বিয়ে হয়। যার নাম ফ্রেড উইলিয়াম অস্ট্রেইস।

এত প্রাচুর্যের পরও ডলি তার দাম্পত্য জীবনে সুখী ছিলেন না। কারণ তার স্বামী ছিলেন মদ্যপ। তাই তিনি তার দাম্পত্য জীবনে কখনো সুখ পাননি। ১৯১৩ সালে ডলির জীবনের সব যেন পরিবর্তন হয়ে যায়।

শরতের এক সকালে ডলি তার স্বামীকে বলেন, সেলাই মেশিন ঠিক করার জন্য কারখানা থেকে একজন মিস্ত্রীকে বাড়িতে পাঠাতে। ঠিক যেমন বলা তেমন কাজ।

ফ্রেড তার অফিসের একজন ১৭ বছরের যুবককে এ কাজের জন্য তার বাড়িতে পাঠালেন। আর সেই কর্মচারীর নাম ছিল অটো সানহুবার। সে ঠিক সময় মতোই পৌঁছে যায় ফ্রেডের বাসায়। যখন বাসায় পৌঁছে যায় ৩৩ বছর বয়সী ডলি দরজাটি খুলেন।

দরজা খুলতেই সানহুবারকে ভালো লেগে যায় ডলির। নানা কৌশলে যুবক সানহুবারকে আকর্ষিত করার চেষ্টা করেন ডলি। অতঃপর তিনি সফলও হন। সেদিন থেকেই তাদের সম্পর্ক শুরু হয়। প্রথম দিকে তারা দেখা করতেন হোটেলে। তবে এভাবে দেখা করলে সমস্যা হতে পারে ভেবে তারা বেশ সাবধান হয়ে যান।

অতঃপর তারা ভাবেন ফ্রেডের বাসাতেই তারা শারীরিক সম্পর্ক নিয়মিত চালাবেন। তবে ১৯১৩ সালে আমেরিকা আজকের মতো ছিল না। তাইতো ডলির প্রতিবেশীরা বিষয়টি নজরে রাখেন। তারা বরাবরই ডলি এবং অটোর সম্পর্ক সন্দেহের চোখে দেখতেন। এমনকি তাদের প্রতিবেশী ফ্রেডকে জানিয়ে দিয়েছিলেন ডলি এবং সানহুবারের সম্পর্ককে।

এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ডলি সানহুবারকে তার চাকরি ছেড়ে দিতে বলেন। অতঃপর সানহুবারকে বুঝিয়ে শুনিয়ে ডলি তার বাড়িতেই লুকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করেন।

ডলির স্বামী কখনোই চিলেকোঠায় যেত না। আর তাই বুদ্ধিমতী ডলি চিলেকোঠায় সন্তর্পনে লুকিয়ে রাখলেন প্রেমিককে। ফ্রেডের চিলেকোঠায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে এভাবেই লুকিয়ে ছিলেন সানহুবার। তিনি ডলির সঙ্গে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন।

এদিকে ফ্রেডেরও সন্দেহ হতে থাকে। কেননা তিনি চিলেকোঠা থেকে অদ্ভুত সব শব্দ শুনতে পেতেন। এমনকি রাতের বেলায় তার বেডরুমের বারান্দায় ছায়াও দেখতে পেতেন। এসব ভুতুড়ে ঘটনা দেখে সে বছর ফ্রেড লস এঞ্জেলসে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ডলি ও তার স্বামীর সঙ্গে যেতে রাজি হয়ে যান। তবে তার একটি শর্ত ছিল। নতুন বাসায় চিলেকোঠা থাকতে হবে। এদিকে ডলি সানোয়ারকে আগে সেখানে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। ডলি ও ফ্রেড দম্পতি নতুন বাসায় যাওয়ার আগেই সানহুবার সেখানে নিজের ঘর গুছিয়ে নিয়ে বসবাস শুরু করেন।

লস অ্যাঞ্জেলসে যাওয়ার পর ফ্রেড ও ডলির মধ্যকার দাম্পত্য সম্পর্ক আরো খারাপ হতে থাকে। তারা যেন দিনকে দিন একে অন্যের শত্রু হয়ে যাচ্ছিলেন। এদিকে ফ্রেড আরো বেশি মদ্যপান করা শুরু করেন। এমনকি ফ্রেডের ব্যবহার ও দিনকে দিন হিংস্র হতে থাকে।

২২শে আগস্ট ১৯২২ সালে তাদের মধ্যে প্রচুর ঝগড়া হয়। তাদের দুজনের মধ্যে এতটাই তর্ক হচ্ছিল যে, ডলির প্রাণনাশের আশঙ্কায় তার প্রেমিক চিলেকোঠা থেকে ফ্রেডের অস্ত্র নিয়ে দুজনের মধ্যে এগিয়ে আসেন। তিনি সরাসরি ফ্রেডের বুকে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়েন।

ফ্রেড সঙ্গে সঙ্গেই মারা যান। এরপর এই ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য ডলি এবং সানহুবার একটি ঘটনা সাজান। ডলি সানহুবারকে বলেন তাকে ঘরে আটকে রাখতে যাতে সবাই ভাবে আততায়ী ফ্রেডকে গুলি করে ডলিকে আটকে রেখে চলে গিয়েছে।

সানহুবার ডলির কথা মতো সব কাজ করেন। সঙ্গে ফ্রেডের হাত থেকে ডায়মন্ডের আংটি ও চেনটি সানহুবার নিয়ে যান চিলেকোঠায়। প্রেমিক চিলেকোঠায় দৌড়ে পালাতেই ডলি চিৎকার করে কান্না করতে থাকেন।

তাদের বাসা থেকে এরকম উচ্চস্বরে চিৎকার শুনে তার প্রতিবেশীরা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে ফোন দেন। পুলিশ এসে ডলিকে উদ্ধার করেন। পুলিশ বা প্রতিবেশীরা কেউই ডলিকে সন্দেহ করেননি। কারণ সে তো বন্দী অবস্থায় ছিল।

এদিকে পুলিশ খুনিকে খোঁজা শুরু করে আর ডলি আড়ালেই রয়ে যায়। অন্যদিকে ডলি তার স্বামীর মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক হয়ে যান। তিনি ভাবেন এখন তো আর সানহুবারকে দিনের-পর-দিন চিলেকোঠায় লুকিয়ে রাখতে হবে না। কারণ এখন থেকে তো সে ডলির সঙ্গে থাকতে পারবে।

এই ভেবে ডলি তো মহাখুশি। তবে কিছুদিন পর ডলি তার আইনজীবী হারম্যান সাফেরওর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এদিকে ডলি হঠাৎ একদিন একটি ভুল করে ফেলেন। তিনি তার স্বামীর হিরার আংটি তার প্রেমিক হারম্যানকে দেখিয়ে দেন। তিনি বলেন, এই ঘড়ি তিনি গদির নিচে পেয়েছেন।

তাই পুলিশকে বলার দরকার নেই। এরপর ১৯২৩ সালে ডলি আবারও আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তার নাম ছিল রয় ক্লাম্প। ডলি তাকেও তার স্বামীর খুনের ব্যাপারে সব বলে ফেলেন।

তবে এর কিছুদিন পরেই তার স্বামীর সম্পর্ক বেশ জটিল আকার ধারণ করে। এরপর পুলিশ ফ্রেডের আসল খুনের ব্যাপারে জানতে পেরে যান। যার ফলে পুলিশ ডলিকে এরেস্ট করে নেন। তবে তারা কিছুতেই বুঝতে পারছিল না ডলি তার নিজেকে কীভাবে ঘরে আটকে রাখতে পারে।

পুলিশ রাইফেলের কথা জিজ্ঞাসা করলে ডলি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে। তাই তারা আবারও ডলিকে ছেড়ে দেয়। কারণ তাদের হাতে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ ছিল না। কিন্তু সে সময় ডলি আরেকটি ভুল করে বসেন। তিনি হারম্যানকে সানহুবারের ঘর থেকে খাবার আনতে পাঠান।

যখন হারম্যান সানহুবারের ঘরে ঢুকে ছিল তখন তাকে দেখে সানহুবার বেশ খুশি হয়েছিলেন। কারণ সে বহু বছর ধরেই এই চিলেকোঠায় আছেন। ১০ বছরের বেশি সময় ধরে অন্য কোনো মানুষের সঙ্গে তার কথা হয়নি। এদিকে হারম্যান সানহুবারকে দেখামাত্রই চিলেকোঠা থেকে এক লাথি দিয়ে নিচে ফেলে দেয়।

এদিকে সানহুবার ভয়ে প্রাণ বাঁচিয়ে কানাডায় চলে যান। ১৯৩০ সালের দিকে হারম্যান ও ডলির সম্পর্ক বেশ খারাপ দিকে চলে যায়। তখন হারম্যান পুলিশকে সব কিছু বলে দেয় কারণ তাদের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গিয়েছে ততদিনে।

এদিকে লস এঞ্জেলেস ফিরে এসেছিলেন সানহুবার। তখনই তার কাছ থেকে সেই রাইফেল উদ্ধার করে পুলিশ। যে রাইফেল দিয়ে ফ্রেডকে হত্যা করেছিল সানহুবার। তখন ডলিকেও গ্রেফতার করা হয়। পহেলা জুলাই ফ্রেডকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয় ডলি ও সানহুবার।

তবে এই ধরনের অপরাধে সীমাবদ্ধতা ছিল সাত বছর। ফ্রেডের মৃত্যুর পর চার বছর কেটে যায় তাই সানহুবারকে শাস্তির বিধান বাদ দেয়া হয়েছিল। এরপর ডলিও খালাস পেয়ে যান। এরপর সে আবারো আরেকজনের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে যান।

তারা বিয়ে করে নেন। দীর্ঘ ৩০ বছর তার একসঙ্গে ছিলেন। ১৯৬১ সালে ডলি মারা যায়। এদিকে সানহুবার লস অ্যাঞ্জেলস ছেড়ে চলে যান। তবে তার এই ঘটনা জানাজানির পর লস এঞ্জেলসের সবাই তাকে ব্যাটম্যান বলেই চিনতেন।

সানহুবারের মতে, ডলি শুধু তাকে ব্যবহারই করেছেন। বছরের পর বছর সানহুবারকে দিয়ে ডলি শুধু তার নিজের যৌন চাহিদা কি মিটিয়েছেন? তাকে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তবে সানহুবার ডলিকে সত্যিই অনেক ভালবাসতেন।

এদিকে ডলি অন্যজনের সঙ্গে ঘর করলেও সানহুবার কিন্তু জেল থেকে বেরিয়েও শান্তি পাননি। আজীবন খুনীর অপবাদ নিয়েই বেঁচেছেন।

Categories
Uncategorized

যেভাবে বুঝবেন আপনার শরীরে অস্টিওপোরোসিস’ ঘুনপোকা বাসা বেধেছে,

শরীরের ঘুনপোকা নামে বিবেচিত অস্টিওপোরোসিস রোগটি হাড় খেয়ে ফেলে! এতে আক্রান্ত ব্যক্তি দাঁড়াতেও পারেন না। আবার আক্রান্ত পা অন্য পায়ের চেয়ে কিছুটা খাটো হয়ে যায়। মেরুদণ্ডের হাড় ভাঙলে পিঠে বা কোমরে ব্যথা হয় এবং রোগী সামনে কিছুটা কুঁজো হয়ে যান। এ রোগে হাতের কব্জিও ভাঙতে পারে।

বুঝবেন যেভাবে

যদি সামান্য উচ্চতা থেকে পড়ে বা অল্প আঘাতে কারও হাড়, বিশেষ করে মেরুদণ্ড, কব্জি, কুঁচকি, রান ও পাঁজরের হাড় ভেঙে যায়, তবে তার অস্টিওপোরোসিস আছে বলে ধরে নিতে হবে।

তাছাড়া ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের হাড়ের ঘনত্ব পরিমাপ করেও অস্টিওপোরোসিস নির্ণয় করা যায়। এফআরএএক্স নামের অনলাইনভিত্তিক অ্যাপের সাহায্যে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি নিরূপণ সম্ভব। এই অ্যাপের বাংলা ভার্সনও রয়েছে।

রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ঝুঁকি শনাক্ত করা ও তা রোধ করা প্রথম পদক্ষেপ। জীবনধারায় পরিবর্তন, কায়িক শ্রম, নিয়মিত ব্যায়াম, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ সুষম খাবার খাওয়া জরুরি।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের প্রয়োজনে ঝুঁকি চিহ্নিত করে চিকিৎসা নেয়া উচিত। কারণ একবার হাড় ভেঙে গেলে যেসব জটিলতার সৃষ্টি হয়, তার ব্যাপকতা অনেক। বয়স্ক ব্যক্তিদের অচল, শয্যাশায়ী বা কর্মক্ষমতাহীন হয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হাড় ভেঙে যাওয়া।

এতে প্রবীণদের মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়ে। কাজেই অস্টিওপোরোসিস সন্দেহ হলেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসক রোগীর প্রকৃতি ও রোগের মাত্রা বুঝে প্রয়োজনীয় ওষুধ বা চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেবেন।

Categories
Uncategorized

সর্বোচ্চ ডিগ্রী আর সাফল্যের ক্রেস্টে ছেয়ে আছে মিন্নির ছোট ভোন তিন্নির ঘর জুড়ে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিয়ে সদ্য বের হওয়া উলফাত আরা তিন্নির ঘর জুড়ে শুধু বই-খাতা আর সাফল্যের ক্রেস্টে ছেয়ে আছে। এদিকে তিন্নির ওপর পাশবিক নির্যাতন ও মৃত্যুর ঘটনায় বিচার দাবিতে এরইমধ্যে ইবি ক্যাম্পাস উত্তাল হয়ে উঠেছে। শনিবার দুপুরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ইবির সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) একটি অনুষ্ঠান থেকে রাতে বাড়ি ফিরেই বর্বোরচিত হামলা আর পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যায় তিন্নি। সরেজমিনে তিন্নির বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে তিন্নির বই-খাতা আর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া নানা ক্রেস্ট-পুরস্কার।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

সাদামাটা তিন্নির জীবন-যাপন ছিল সহজ সরল।প্রতিবেশীরা জানান, খুবই মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন তিন্নি। খুবই হাসিখুশি ও সাদামাটা জীবন-যাপন ছিলো তার। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির আওয়তায় নেয়ার দাবি তাদের।

তারা জানান, এ ঘটনার মূল হোতা তিন্নির বড় বোন মুন্নির সাবেক স্বামী জামিরুলকে এখনও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারিনি। দ্রুত তাকে আটকের দাবি জানিয়ে কঠিন শাস্তির দাবি করেন তারা। এদিকে ঘটনা পর থেকে নিহত তিন্নির পরিবার ও স্বজনরা আসামিদের হুমকির মুখে রয়েছেন বলে জানিয়েছে পরিবার। তবে ঘটনার পর থেকে তিন্নির বাড়ি আর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নজরদারির মধ্যে নিয়েছে।

ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (অপরাধ ও প্রশাসন) আনোয়ার সাইদ জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে শৈলকুপা থানা পুলিশ সংবাদ পায় একটি মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ এসে দেখে এলাকার লোকজন মেয়েটিকে নামিয়ে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিন্নি মারা যাওয়ার পর কুষ্টিয়া থানার অফিসারা তার সুরতহাল করে এবং তারপরই তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

পরবর্তীতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে রাতেই ৮ জনের নাম উল্লখেসহ অজ্ঞাত আরো ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে শৈলকুপা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। আনোয়ার সাঈদ আরো জানান, তিন্নিকে ধর্ষণ করা হয়েছে কি-না, এখনই আমরা বলতে পারছি না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে বিষয়টি জানা যাবে।

Categories
Uncategorized

ব্রণের গর্ত তিন দিনে দূর, চলুন জেনে নেয়া যাক সেই জাদুকরী উপায়টি।

ব্রণ ও ব্রণের দাগ বা গর্ত খুবই স্বাভাবিক একটি সমস্যা। যা নারী-পুরুষ উভয়েরই হয়ে থাকে। তবে এর থেকে পরিত্রাণ পেতেও চেষ্টার কোনো কমতি থাকে না সবার। তবে এসব প্রসাধনী ত্বকের ক্ষতিই করে বেশি। তাই ঘরোয়া উপায়ে এর প্রতিকার করা জরুরি। খুব সহজেই ব্রণের গর্ত ও লালচে ভাব দূর করার রয়েছে দারুণ উপায়। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই জাদুকরী উপায়টি।

একটি পাত্রে এক চা চামচ লেবুর রস ও এক চা চামচ হলুদ নিন। কাঁচা কিংবা গুঁড়া যে কোনো হলুদই ব্যবহার করতে পারেন। এবার এই দুটি উপকরণকে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার প্যাকটি মুখের সব জায়গায় সমান করে লাগান। বিশ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর ময়েশ্চারাইজার ক্রিম অথবা লোসন লাগিয়ে নিন।

প্যাকটি লাগিয়ে অর্থাৎ মুখে লাগানো অবস্থায় চুলার কাছে যাবেন না। হলুদ এবং লেবু দুটি উপাদানই ফটোসেন্সিটিভ উপাদান। তাই চেষ্টা করবেন প্যাকটি রাতে ঘুমানোর আগে লাগাতে। এটি আপনার স্কিনের লালচে ভাব, পোরস, ব্রণের গর্ত এবং র্যাশ দূর করতে খুবই কার্যকর। টানা দুই সপ্তাহ এটি ব্যবহার করুন। চাইলে প্যাকটি কন্টিনিউ করতে পারেন। কারণ এটি আপনার স্কিনের ব্রাইটনেস বাড়াবে। তিনদিন ব্যবহারের পর থেকেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।