Categories
Uncategorized

ঠোঁটের রঙ বদলে যাওয়া সহ করোনায় দেখা দিলো নতুন ১৩টি উপসর্গ!

করোনার আতঙ্কে দেশ এখন লকডাউনে রয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। সঙ্গে বাড়ছে মানুষের মধ্যে ভয়ও। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে তাইতো মানুষ বেশ তৎপর।
তবে করোনা বারবার তার রূপ পাল্টাচ্ছে! ঠাণ্ডা-কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট ছাড়াও জানান দিচ্ছে নতুন নতুন উপসর্গের কথা। আবার করোনায় এমন মৃত্যুও ঘটেছে যাদের কোনো উপসর্গই দেখা দেয়নি। সম্প্রতি জাপানের চিকিৎসকরা খুঁজে পেয়েছেন করোনা ভাইরাসের নতুন ১৩টি উপসর্গ। যা জানা ও সচেতন হওয়া জরুরি। চলুন জেনে নেয়া করোনার ১৩টি নতুন উপসর্গগুলো-

> ঠোঁট বেগুনি রঙের হয়ে যাওয়া > দ্রুত শ্বাস নেয়া > হঠাৎ দম বন্ধ হয়ে আসার অনুভূতি > অল্প একটু হাঁটাচলা করাতেই শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া > বুকে ব্যথা > শুয়ে থাকতে না পারা, উঠে না বসলে শ্বাস নিতে না পারা > শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

> হঠাৎ শব্দ করে শ্বাস নিতে শুরু করা > অনিয়মিত নাড়ির স্পন্দন > মলিন চেহারা > অদ্ভুত আচরণ করা > অন্যমনস্কভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া > বিভ্রান্ত হয়ে যাওয়া, উত্তর দেওয়ায় অপারগতা।

ইতালিতে একদিনে রেকর্ড সংখ্যক সুস্থ

ইতালিতে মহামারি করোনা থেকে একদিনে সুস্থ হলেন চার হাজার ৯১৭ জন। এ নিয়ে দেশটিতে সুস্থতার সংখ্যা এক লাখ ২০ হাজার ২০৫ জন। ইতালির সিভিল প্রোটেকশন এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
গত একদিনে ইতালিতে ২৪২ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ইতালিতে মোট মারা গেছেন ৩১ হাজার ৬১০ জন। এদিন ৭৮৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ২৩ হাজার ৮৮৫ জনে পৌঁছেছে।

ইতালিতে করোনা মোকাবিলায় পুরোদেশ জুড়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার। লকডাউন ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করা হয় অবাধ চলাচল। তবে দেশটিতে করোনায় সংক্রমণের হার কমতে থাকায় গত ৪ মে থেকে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে।

এদিকে লকডাউন প্রত্যাহার করে আগামী ৩ জুন থেকে জনগণকে দেশজুড়ে অবাধ চলাচলের অনুমতি দিতে যাচ্ছে ইতালি। শুক্রবার দেশটির সরকারের এক খসড়া আদেশে এ আভাস পাওয়া গেছে।

দুধের শি’শুকে এক হাতে ঝুলিয়ে ট্রাকে চড়ার রোমহর্ষক দৃশ্য

আয়লান কুর্দিকে মনে আছে। সেই তিন বছরের ছোট্ট সিরীয় শি’শু। সমুদ্র তীরে উল্টে পড়ে থাকা যার নিথর দেহের ছবি দেখে কেঁপে উঠেছিল সারা বিশ্ব।

যু’দ্ধ বি’ধ্বস্ত ই’রাক, সিরিয়ার লাখ লাখ বিপন্ন শরণার্থীদের ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি দেওয়ার প্রকৃত রূপটা বোধগম্য হয়েছিল বিশ্ববাসীর। সেরকম না হলেও শিউড়ে ওঠার মতোই ছবি দেখা গেল ভা’রতের ছত্তিশগড়ে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক হাতে দড়ি ধরে ট্রাকের ছাদে চড়ার চেষ্টা করছেন এক যুবক।

তার আরেক হাতে ঝুলছে ছোট্ট এক শি’শু। যিনি সম্ভবত শি’শুটির বাবা। আর নিচে দাঁড়িয়ে হাত তুলে কোনোরকমে শি’শুর পড়ে যাওয়া আ’ট’কানোর চেষ্টা করছেন এক মহিলা, যিনি সম্ভবত শি’শুটির মা।

ছবিতে দেখা যায়, ট্রাকের মা’থায় আরো অনেকে বসে রয়েছেন এবং নিচে দাঁড়িয়ে অনেকজন। ছত্তিশগড়ের পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার এই অসহায় চেষ্টা ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, তাদের করুণ দশা।ওই ট্রাকের শ্রমিকরা বললেন,

তারা সবাই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। কর্মসূত্রে তেলঙ্গানায় থাকেন। লকডাউনের জন্য কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাতে অর্থও ফুরিয়ে গিয়েছে। তাই আর কোনো উপায় না দেখে ওই ট্রাকে চড়ে ফেরার চেষ্টা করেছেন। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনগু’লি স’ম্পর্কে তাদের কাছে

কোনো তথ্যও আসেনি বলে অ’ভিযোগ করেছেন শ্রমিকরা।ঘটনাস্থলে থাকা তেলঙ্গানা পরিবহন দপ্তরের এক অফিসার বললেন, প্রশাসন ওই সব শ্রমিকদের বিশেষ বাসের কোনও ব্যবস্থা করেনি এবং তার পক্ষে সেটা একা করা অসম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *