Categories
Uncategorized

হু’মায়ূন আ’হমেদ দেখি শা’ওনের হাত ধুয়ে দি’চ্ছেন আমা’র প্রথ’মে খট’কা লে’গেছিলো: আ’নোয়ারার।

ষাটের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে আনোয়ারার। ১৯৬১ সালে ১৪-১৫ বছর বয়সে অ’ভিনেতা আজিমের মাধ্যমে একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে তার চলচ্চিত্রে অ’ভিষেক ঘটে।

১৯৬৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বালা’ নামের একটি চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তবে নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা চলচ্চিত্রটি ছিল আনোয়ারার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

দীর্ঘ ক্যারিয়ারের কিংবদন্তি এই অ’ভিনেত্রী অ’ভিনয় করেছিলেন নন্দিত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হু’মায়ূন আহমেদের একটি সিনেমায়। তার নাম ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’। এ অ’ভিনেত্রী কখনো হু’মায়ূন আহমেদের সঙ্গে কাজের অ’ভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেননি।

১৩ নভেম্বর হু’মায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্ম’দিনে তিনি একটি গণমাধ্যমকে জানালেন তার চোখে কেমন ছিলেন হু’মায়ূন আহমেদ। এবং শাওনের সঙ্গে প্রে’ম চলাকালীন অজানা কথাও

নির্মাতা হুুমায়ুন আহমেদকে একজন অ’ভিনেত্রী হিসেবে কী’ভাবে দেখেছেন?

আনোয়ারা : তার সঙ্গে আমা’র একটি মাত্র ছবিতে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। এই সময়ে যতটুকু দেখেছি তিনি নির্মাতা হিসেবে অন্যদের থেকে অনেক আলাদা। সহ’জ একটি চরিত্রকে এমনভাবে তিনি তুলে ধরতে পারতেন যেটির ভেতরে প্রবেশ না করলে সেটি ডেলিভা’রি দেওয়া সম্ভব হয় না। বাধ্য হয়েই শিল্পীদের মনযোগ বাড়ে, চরিত্রের ভেতরে প্রবেশের আগ্রহ বাড়ে।

আরো একটি বিষয় দেখেছি, স্পটে তিনি শিল্পীদের শ্রেণিভাগ করতেন না। সব শিল্পীকে একই’মাপে দেখতেন। খাবারের সময় সবার জন্য একইরকম ব্যবস্থা রাখতেন। এটি অনেক নির্মাতাই করেন না

শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিতে কাজ করার বিশেষ কোনো অ’ভিজ্ঞতা মনে পড়ে?

আনোয়ারা : দারুণ একটি বিষয় আজ আমা’র মনে পড়ে। আমি কখনো এর আগে এই বিষয়টি কোথাও বলিনি। কারণ কেউ এই ছবির কাজের সময়ের অ’ভিজ্ঞতার কথা জানতেও চায়নি। আমি একদিন শুটিং শেষ করে পরের শিডিউল জানার জন্য হু’মায়ূন আহমেদের কাছে যাই।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

গিয়ে দেখি শাওনের হাত ধুয়ে দিচ্ছেন হু’মায়ূন আহমেদ। আমা’র প্রথমে খট’কা লেগেছিলো বিষয়টা। হিসেবে মেলাতে পারছিলাম না। তার তো এমনটা করার কথা নয়। শাওনই বা এটা কী’ করে মেনে নিচ্ছে। পরে জানতে পারি তাদের মধ্যে একটা স’ম্পর্ক চলছে।

মজার বিষয় হলো যদি হু’মায়ুন আহমেদ ও শাওনের বিয়ে না হতো তাহলে হয়তো কোনোদিনই এই ঘটনাটি আমি বলতাম না কাউকে। এখন তো তারা দম্পতি, বলাই যায়। হু’মায়ূন আহমেদ আজ নেই। তার বিদেহী আত্মা’র শান্তি কামনা করছি। তার স্ত্রী’-সন্তানদের জন্য অনেক দোয়া থাকলো আমা’র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *