Categories
Uncategorized

পুরুষরা পুরুষ’ত্ব হা’রাচ্ছে কেন? জেনে নিন করনীয়

পুরুষের পু’রুষত্বহীনতা সাময়িক। খুব বেশি মাত্রায় উ’দ্বিগ্ন থাকলে বা কোনো কিছু নিয়ে দু’শ্চিনতাগ্রস্ত থাকলে যৌ’নমিলনের সময় পুরুষ তার যৌন উ’ত্তেজনা হা’রাতে পারে।

আবার খুব বেশি মাত্রায় এল’কোহল সেবনের ফলেও পুরুষের লি’ঙ্গের দৃঢ়তা ন’ষ্ট হয়ে যায়। সাইকোজেনিক অথবা অ’র্গানিক নানা কারনে পুরুষের পু’রুষত্বহীনতা সৃষ্টি হতে পারে।

সাইকোজেনিক কারনে সৃ’ষ্ট পু’রুষত্বহীনতা :

১. দাম্পত্য স’মস্যা।

২. ধর্মীয় কু’সংস্কার।

৩. কঠিনভাবে পিতা বা মাতার অনুশাসনের নি’য়ন্ত্রনে থাকা।

৪. পূর্বের যৌন অমতার জন্য পা’পবোধ।

৫. অ’কাল বী’র্যপাত।

৬. যৌনতার ব্যাপারে অ’নাগ্রহ।

৭. যৌনমিলনে সফলতা আসবে কিনা এই নিয়ে ভয় ও দু’শ্চিতা।

অ’র্গানিক কারনে সৃ’ষ্ট পু’রুষত্বহীনতা :

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

রোগ নির্ণয় :

যে কোনো ধরণের পু’রুষত্বহীনতার চিকিৎসার জন্য তার রো’গ নি’র্ণয়ের প্রয়োজন রয়েছে। কবিরাজ কে জানতে হয় পুরুষের ক্রমাগত যৌন সমস্যা কেন সৃ’ষ্টি হচ্ছে।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মনোদৈহিক কারনের চাপ শরীরের উপর এসে পড়ে এবং এই জন্য পু’রুষত্বহীনতা স’মস্যায় ভোগে। রোগ নি’র্ণয়ের জন্য
কবিরাজ কে যে বিষয়গুলো জানতে হয়-

পু’রুষত্বহীনতার চিকিৎসা :

পু’রুষত্বহীনতার চিকিৎসা ব্যাপারে অধিকাংশ পরামর্শ এসেছে কবিরাজ তপন দেবের কাছ থেকে।

এই কারণকে বিশ্লেষণ করে এমন কিছু কৌশল এবং পদ্ধতির কথা বলেন যাতে করে পু’রুষত্বহীনতা স’মস্যা কা’টানো যায়। তাদের গবেষণার বিষয তিনটি হলো-

১. যৌনতার ব্যাপারে পুরুষ এবং নারীর ভ্রা’ন্ত ধারণা।

২. পুরুষের পুরনো চিন্তা ভাবনা এবং উঁচু মাত্রার শারীরিক এবং মনোদৈহিক চাপ। বিশেষ করে স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার যৌনতার ব্যাপারে আলোচনা কম হওয়া। মনে রাখা উচিত স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার যৌন আলোচনা যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে।

৩. পু’রুষত্বহীন পুরুষের মানসিক চাপ বেশি থাকে সেই কারনে স্ত্রীর বা যৌন সঙ্গিনীর উচিত তাকে আশ্বস্ত করা যে এটি কোন রোগ নয়। কবিরাজ তপন দেবের পু’রুষত্বহীনতার ব্যাপারে দেয়া পরামর্শগুলো হলো।

যৌন সঙ্গী এবং সঙ্গিনীর মধ্যে খোলামেলা যৌন আলোচনা করা উচিত। এটি পরস্পরের যৌনানুভূতি’কে চাঙ্গা করতে পারে এবং পুরুষের লি’ঙ্গের দৃঢ়তা সৃষ্টি করে। যৌনতার ব্যাপারে কোনো প্রকার ধারণা পোষণ করা উচিত নয়।

এবং নারী পুরুষ উভয়েরই উচিত যৌনতার ব্যাপারে একজন অন্যজনকে সাহায্য করা। এর ফলে যৌন অনুভূতি এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা তৈরী হতে পারে।

যদি নারী বা পুরুষের যে কোনো একজনের যৌনতা ব্যাপারে কোনো প্রকার সন্দেহ ভয় ভীতি বা দুশ্চিন্তা কাজ করে তাহলে সাথে সাথে তা কবিরাজ কে জানান উচিত।

অনেক নারী যৌনতার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা খুব পছন্দ করে। হয়তো তার যৌন সঙ্গী বা স্বামী যা সেক্স পছন্দ করছে অথচ নারী সেটি পছন্দ করছে না। এতে করে উভয়ের যৌন অনুভূতির মধ্যে একটা পার্থক্য তৈরি হতে পারে। এ ব্যাপারটির দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

পরস্পরের সাথে গভীর স্পর্শের সম্পর্ক থাকা উচিত। পুরুষদের যদি উ’ত্তেজনা কম থাকে সে ক্ষেত্রে নারীর উচিত পুরুষকে উ’ত্তেজিত করে তোলা। নারী বিভিন্ন ভাবে পুরুষকে উ’ত্তেজিত করে তুলতে পারে।

পু’রুষত্বহীনতা স’মস্যা মোকাবেলায় নারীর ভূমিকা রয়েছে খুব বেশি। নারী পুরুষকে বিভিন্ন ভাবে উ’ত্তেজিত করে আবার তাকে শিথিল করে তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে। স্ত্রী দিনে অন্তত তিন চার বার স্বামীর দৃঢ়তা বাড়াতে এ কাজটি করতে পারে।

লিঙ্গের উ’ত্তেজনা দী’র্ঘণ ধরে না রেখে পুরুষের উচিত একবার লিঙ্গ শিথিল করে আবার লিঙ্গের উ’ত্তেজনা তৈরি করা। এতে করে পু’রুষত্বহীনতা স’মস্যা কিছুটা কমতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *