Categories
Uncategorized

দেশে গত ৫ দিনে ৫ হাজারেরও বেশি করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ৭০

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। দিন দিন করোনা রোগী বাড়ছে। গত ৫ দিনে করোনা রোগী শনাক্ত ৫৪০৮ জন। এদিকে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ৫ দিনে মারা গেছে ৭০ জন। গত চার দিনে ৫ হাজার ৪০৮ জন শনাক্ত হয়। দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২রা মে ৫৫২ জন, ৩রা মে ৬৬৫ জন, ৪ঠা মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে সব্বোর্চ ১ হাজার ১৬২ জন ও ১৪ মে ১০৪১ ও ১৫ মে ১২০২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

৭ মে ১৩ জন, ৮ মে ৭ জন এবং ৯ মে ৮ জন, ১০ মে ১৪ জন, ১১ মে ১১ জন ও ১২ মে ১১ ও ১৩ মে সর্বোচ্চ ১৯ জন, ১৪ মে ১৪ ও ১৫ মে ১৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, করোনায় মৃত্যুর প্রথম অর্ধশত ছাড়ায় ১৫ এপ্রিল, সংক্রমণ শনাক্তের ৩৯তম দিনে। মৃত্যু ৫০ থেকে ১০০ ছাড়াতে সময় লেগেছিল ৬ দিন। সাত দিনের ব্যবধানে ১৫০ ছাড়ায়। এরপর মৃত্যু ১৫০ থেকে ২০০ ছাড়াতে সময় লেগেছে ১১ দিন। আর ২০০ থেকে ২৫০ হয়েছে মাত্র ৫ দিনে।

সপ্তাহওয়ারি হিসাবে দেখা যাচ্ছে, মাঝখানে মৃত্যু কমে এলেও সংক্রমণের দশম সপ্তাহে এসে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্তের প্রথম সপ্তাহে (৮-১৪ মার্চ) কোনো মৃত্যুর ঘটনা ছিল না। দ্বিতীয় সপ্তাহে মারা যান ২ জন। তৃতীয় সপ্তাহে মৃত্যুর ঘটনা ছিল ৩টি। তারপরের সপ্তাহেও মারা গিয়েছিলেন ৩ জন। পঞ্চম সপ্তাহ থেকে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। টানা তিন সপ্তাহ সেটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

এর মধ্যে পঞ্চম সপ্তাহে মারা যান ২২ জন। ষষ্ঠ সপ্তাহে ৫৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছিল। আর সপ্তম সপ্তাহে ছিল সবচেয়ে বেশি ৫৬টি মৃত্যুর ঘটনা। অষ্টম সপ্তাহে মৃত্যুর ঘটনা কমে এসেছিল, ওই সপ্তাহে মারা যান ৩৫ জন। নবম সপ্তাহ থেকে সেটা আবার বাড়তির দিকে। নবম সপ্তাহে মারা যান ৩৯ জন। আর ১০ মে শুরু হওয়া দশম সপ্তাহের প্রথম তিন দিনেই মারা গেছেন ৩৬ জন। দশম সপ্তাহের প্রথম তিন দিনই মৃত্যুর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৪, ১১ ও ১১।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৪১টি প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দিনে ১০,০০০ নমুনা পরীক্ষার টার্গেট করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়ন করা যায়নি। কর্মকর্তারা বলেছেন, নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে লোকবলের সমস্যার কারণে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলেছেন, বাংলাদেশে এই পরীক্ষা শুরুর পর দুই মাসেও এর সংখ্যা বাড়াতে না পারলে সংক্রমণের সঠিক পরিস্থিতি বোঝা যাবে না। বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস রোগী শনাক্তের কথা জানানো হয় ৮ই মার্চ। তবে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর কথা ঘোষণা করা হয় ১৮ই মার্চ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *