Categories
Uncategorized

ঝিনাইদহ মাল্টা চাষে ঝুঁকছেন যুবকরা, ১০ হাজার টাকা খরচ আর ৫ লাখ টাকা লাভ

কয়েক বছর আগেও লাভজনক মাল্টার আবাদ নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন ঝিনাইদহের কৃষকেরা। এখন সে শঙ্কা কাটিয়ে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছেন তারা। কম জায়গায় এবং অল্প পুঁজিতে লাভ বেশি হওয়ায় মাল্টার বাণিজ্যিক আবাদের দিকে ঝুঁকছে বেকার যুবকরা।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় এ বছর ৬৩ হেক্টর জমিতে মাল্টার আবাদ হয়েছে। আগামীতে মাল্টা চাষের পরিধি বাড়াতে তারা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। সদর উপজেলার পশ্চিম লক্ষীপুর গ্রামের কৃষক সেলিম উদ্দিন ও জাকির হোসেন নামে দুই যুবক, দুই বছর আগে ২ বিঘা জমিতে শুরু করেছিলেন মাল্টার আবাদ।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

এ বছর প্রথম ফল এসেছে তাদের গাছে। আর এ বাগানের বিক্রির উপযোগী ফলের মান ভালো রাখতে নিচ্ছেন বাড়তি পরিচর্যা। এখন পর্যন্ত বাগানে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা আর ফল বিক্রিতে লাভের আশা করছেন কয়েকগুণ। ইতোমধ্যে তারা এ বাগান থেকে লক্ষাধিক টাকার চারা বিক্রিও করেছেন। এসব বাগান দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্থানীয় অনেক কৃষক পেয়ারার সাথে মিশ্র পদ্ধতিতে এখন মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

মাল্টা চাষি জাকির হোসেন জানান, মাল্টা একটা বিদেশি ফল আমাদের দেশের এ ফলের মার্কেট ভালো এবং মাল্টা চাষ অনেক লাভবান আমার বাগানে প্রথম ফল এসেছে, ফল ইতিমধ্যে বিক্রির উপযোগী হয়েছে অনেক পার্টি ফল কিনার জন্য যোগাযোগ করছেন কিন্তু এখন ৮০ থেকে ৯০ টাকা করে তারা চাচ্ছেন কিন্তু আমি চাচ্ছি আরেকটু বেশি একটু বেশি পেলেই বিক্রি করে দেব।

মাল্টা চাষি সেলিম উদ্দিন জানান, আমরা দুজন মিলে দু বছর আগে মাল্টা বাগান করেছি এ বছরে প্রথম ফল এসেছে ফলের মান অনেক ভালো এখন বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত আছি, আর কিছুদিন পরেই এগুলো বিক্রি করার উপযুক্ত হয়ে পড়বে। তিনি জানান, অন্যান্য ফলের তুলনায় একটা মাল্টা বাগান এর খরচ খুবই কম। যেমন আপনি এক বিঘা জমিতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা খরচ করেন সেখানে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা আপনি লাভের আশা করতে পারেন।

এসব বাগান দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্থানীয় অনেক চাষিই মিশ্র পদ্ধতিতে এ চাষ শুরু করেছেন তাদের মধ্যে মসলেম হোসেন জানান, গ্রামের পাশের দুটি ছেলে মাল্টা বাগান করেছে পাশাপাশি তারা চারা বিক্রির জন্য নার্সারি গড়ে তুলেছে আমি তাদের কাচ থেকে কিছু চারা কিনে আমার পেয়ারা বাগান এর সাথে মিশ্র চাষ শুরু করেছি।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

আরেক মাল্টা চাষি রেজুয়ান জানান, তিনি ডিগ্রি লেখাপড়া শেষে চাকুরির পেছনে ছুটে চাকুরি না পেয়ে গ্রামের জাকির ও সেলিম ভায়ের কাছ থেকে ৫০ টাকা দরে মাল্টার চারা কিনে ৮ বিঘা জমিতে মাল্টার চাষ শুরু করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *