Categories
Uncategorized

সম্প্রতি আজারবাইজানিদের হত্যায় সর্বাত্মক সহায়তা দিচ্ছে তিন দেশ

নার্গোনা-কারাবাখ সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ফ্রান্সের সমন্বয়ে গঠিত ওএসসিই মিনস্ক গ্রুপ আর্মেনিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে। আজারবাইনে হামলায় দেশটিকে তারা সবধরনের সামরিক সহায়তা দিচ্ছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিপেস তাইপ এরদোয়ান এ মন্তব্য করেন।

ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য ইরাক, সিরিয়া এমনকি বালকানে অতীতে কি হয়েছে আমরা দেখেছি। এখন লিবিয়া এবং কারাবাখে একই ধরনের বৈষম্য এবং বিচ্ছিন্নতা চলছে। এসব কর্মকাণ্ডে মূলত প্রাণহানি আর কান্না ছাড়া কিছুই জুটছে না।’ সিরনাক প্রদেশে ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে) প্রাদেশিক কংগ্রেস সম্মেলনে দেয়া ভাষণে এরদোয়ান এ কথা বলেন।

দ্য অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন ইন ইউরোপ (ওএসসিই) ১৯৯২ সালে আপার কারাবাখ সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মিনস্ক গ্রুপ গঠন করে। এখনো পর্যন্ত কোনো সমধানই দিতে পারেনি তারা।

আমাদের আজারবাইজানের ভাইয়েরা বর্তমানে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে কঠিন সংগ্রাম করছেন। কেনো তারা এ যুদ্ধ লড়ছেন? আর্মেনিয়ার দখল থেকে আজারবাইজানের ভূখণ্ড স্বাধীন করার জন্য তারা লড়াই করছেন। এর চেয়ে চরম সত্য আর কি হতে পারে?’ বলেন এরদোয়ান।

এরদোয়ান জোর দিয়ে বলেন, গেল ৩০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ফ্রান্স এ সংকটের সমাধান করতে পারেনি। ফেরত দেয়নি আজারবাইজানিদের ভূখণ্ড। এখন আজারবাইজানের ভাইয়েরা তাদের দখল হয়ে যাওয়া ভূখণ্ড স্বাধীন করতে লড়াই করছেন। আল্লাহ তাদের সহায়ক হউন। আমি বিশ্বাস করি আর্মেনিয়ার দখল থেকে তারা তাদের ভূখণ্ড স্বাধীন করতে পারবেন। আমরা তাদের জন্য দোয়া করি। আমি আশা করি তারা সফল হবে।

২৭ অক্টোবর আজারবাইজানের বসতি এবং সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আর্মেনিয়ার হামলার পর দু’পক্ষের মধ্যে সংঘাত বাধে। স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে দু’পক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় যুদ্ধবিরতি কার্যকর।

১০ অক্টোবর বন্দিমুক্তি এবং সংঘাতে নিহতদের মরদেহ ফেরত দেয়ার শর্তে প্রথম যুদ্ধিবিরতিতে একমত হয় বাকু এবং ইয়েরেভান। কার্যকরের কয়েক মিনিটের মধ্যে তা লঙ্ঘন করে আর্মেনিয়া। পরে দ্বিতীয় যুদ্ধবিরতিতে একমত হয় দু’পক্ষ। কার্যকরের এক ঘণ্টার মধ্যে আবারো তা লঙ্ঘন করে ইয়েরেভান। আজারবাইজানের গানজা শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ১৩ জনকে হত্যা করে আর্মেনিয়া। আহত হয় অন্তত ৫০ জন।

আপার কারাবাখ সংঘাত

১৯৯১ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আজারবাইজানের ভূখণ্ড নার্গোনো-কারাবাখ দখল করে নেয়া আর্মেনিয়া। তারপর থেকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশ দুটির মধ্যে উত্তেজনা চলছে। গেলো ৩০ বছর ধরে আজারবাইজানের ২০ শতাংশ ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে আর্মেনিয়া।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গো’পন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

১৯৯২ সালে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ফ্রান্স, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে ওএসসিই মিনস্ক গ্রুপ গঠন করা হয়। ১৯৯৪ সালে যুদ্ধবিরতির একটি চুক্তিতে একমত হয় আজারবাইজান-আর্মেনিয়া। কিন্তু সংকটের কোনো সমাধান হয়নি।

জাতিসংঘের বেশ কয়েকটি প্রস্তাবনা এবং অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা আজারবাইজানের ভূখণ্ড ছেড়ে দেয়ার জন্য আর্মেনিয়ার প্রতি আহ্বান জানালেও তাতে সাড়া দেয়নি ইয়েরেভান।

আজারবাইজানের আত্মরক্ষা এবং নার্গোনো কারাবাখ থেকে আর্মেনিয়ার উচ্ছেদ দাবি করে বাকুকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বশক্তিগুলো যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *