Categories
Uncategorized

বি’য়ের রা’তে এক না’রীর বিভী’ষিকা’ময় যৌ’ন মি’লনের অভিজ্ঞতা

BBC কিছু প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণে নারীদের জন্য তার বিয়ের দিনটি হয়ে পড়ে বিভী’ষিকা’ময়।
“বিয়ের পর যখন তিনি আমার সামনে পোশাক খুলতে শুরু করেন, তখন আমি ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম,” বলছিলেন এলমিরা (ছদ্মনাম)।

“আমি বার বার নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে এখন আমার বিয়ে হয়ে গেছে। তাই আমার সাথে এগুলোই হবে।”

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

এলমিরার তখন বয়স ছিল ২৭ বছর। সবেমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে একজন দোভাষী হিসেবে কাজ শুরু করেছেন।

এলমিরার স্বামীকে বেছে নিয়েছিলেন তার বাবা-মা। এলমিরা সেই বিয়েতে সম্মতিও জানিয়েছিলেন। শুধুমাত্র তার “মা’কে খুশি করতে”।

“ওই লোকটি ছিল আমাদের প্রতিবেশী, আমরা একেবারে আলাদা মানুষ ছিলাম; সে শিক্ষিত ছিল না, আমাদের মধ্যে কোন কিছুতেই কোন মিল ছিল না,” বলেন এলমিরা।
“আমার ভাই, আমাকে তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল, এবং তারা আমাকে বলেছিল যে সে একজন ভাল লোক। প্রতিবেশীকে বিয়ে করছি দেখে, মা খুব খুশি ছিলেন। কারণ আমি তার কাছাকাছি থাকতে পারবো, সে আমার খোঁজ খবর নিতে পারবে।

বাড়িতে বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই এলমিরা তার মা’কে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে তিনি এখনই বিয়ে করতে চাননা।

এলমিরার মা এই বিষয়টি আত্মীয় স্বজনদের জানিয়ে দিলে তারা এলমিরাকে চাপ দিতে থাকেন। অনেকেই স’ন্দেহ করছিলেন যে এলমিরা হয়তো কুমারী নন।

কিন্তু সত্যিটা হল বিয়ের রাতেই এলমিরা প্রথমবার যৌ’নমি’লন করেছিলেন।

প্রথম রাতেই তিনি জানতে পারেন যে তার স্বামী তার অনুভূতি এবং আত্ম-সম্মানবোধকে বিন্দুমাত্র পরোয়া করেননা।

কুমারীদের ‘ছিপি আঁটা বোতল’ বলে বি’পদে এক অধ্যাপক!

যীশুখ্রীস্টকে বিয়ে করেছেন যে নারীরা

BBC বিয়ের রাতে নব দম্পতির শোবার ঘরে আড়ি পেতে থাকেন দুই পরিবারের কয়েকজন সদস্য। যা ককেশাসের নিয়মিত প্রথা।
“তিনি শুধু আমার উপর হা’মলে পড়েন, যখন আমার মাথা আলমারির সঙ্গে ধা’ক্কা লাগতে থাকে, তখনই শুনি দরজায় টোকা পড়ছে আর পাশের ঘর থেকে নারী কণ্ঠ ভেসে আসছে ‘অ্যাই আস্তে, চুপচাপ থাকো।'”- “বিষয়টা কি জঘ’ন্য!”- বলেন এলমিরা।

আসলে দরজা পিছনে ছিলেন এলমিরার মা, দুই ফুফু/খালা, তার শাশুড়ী, এবং আরেকজন দূরবর্তী আত্মীয় (যিনি দরজায় টোকা দিয়ে চেঁচিয়েছিলেন)।

স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী বিয়ের রাতে বর কনের ঘরের বাইরে দুই পরিবারের সদস্যদের বা’ধ্যতা’মূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়, যেন নববধূর কুমা’রীত্ব প্রমাণ করা যায়।

আমার সেই দূরবর্তী আত্মীয় ‘ইঙ্গি’ এর ভূমিকা পালন করছিলেন: ইঙ্গি বলতে বোঝায় এমন একজন বিবাহিতা নারীকে যিনি নবদম্পতির সঙ্গে বরের বাড়িতে যান।

তার কাজ হলো সারা রাত নবদম্পতির শোবার ঘরের পাশে বসে থাকা।

তার দায়িত্বগুলোর মধ্যে একটি হল পরামর্শ দেয়া।

ধারণা করা হয়, যৌ’নমি’লনে অনভিজ্ঞ নববধূ হয়তো রাতের বেলা শোবার ঘরের বাইরে বেরিয়ে অভিজ্ঞ নারীদের থেকে পরামর্শ চাইতে পারেন।

ইঙ্গির আরেকটি দায়িত্ব হল বিয়ের প্রথম রাতের পর নবদ’ম্পতির বিছা’নার চাদর সংগ্রহ করা।

“আমি একইসঙ্গে যন্ত্র’ণায় কাতরাচ্ছিলাম আবার বি’ব্রত বোধ করছিলাম। ভাবছিলাম, বিয়ে মানে কি এগুলোই?”

BBC বিশ্বের ২০টি দেশে এখনও বিছানার চাদর দেখে নববধূর কুমা’রীত্ব পরীক্ষার চল রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *