Categories
Uncategorized

তারেক জিয়া নয় খালেদার পরে যিনি হচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপারসন

তারেক জিয়া নামটি বাংলাদেশে অনেক পরিচিত একটি নাম যদিও তিনি রাষ্ট্রনায়ক কিংবা দেশ শাসন কোনটারি দায়িত্বে ছিলেন নাহ।কিন্তু তা না হলেও বিএনপির দলএর দায়িত্বভার অনেকটাই ছিল তার হাতে ন্যস্ত।কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এখন মন থেকে উঠে গেছেন সয়ং মা খালেদা জিয়ার ও।দুর্নীতির মামলায় ২৫ মাস কারাভোগের পর নির্বাহী আদেশে ছয় মাস দণ্ড স্থগিত হওয়ায় শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। অতীতে কয়েকবার কারামুক্তির পর বেগম জিয়ার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন থাকলেও এবারের কারামুক্তিতে সেই চিত্র একেবারেই বিপরীত।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবারের কারাজীবন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অভিশাপ। তিনি আজ রাজনীতি শূন্য। তার এই রাজনীতি শূন্য করার নেপথ্যে নায়ক তারই পুত্র তারেক রহমান।এসব কারনে তারেকের উপরে তিনি এখন ততটা আস্থাশীলও নন। কারণ তারেক তার মুক্তির ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন না। খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য কোনো রকম চেষ্টাও করেননি। বরং তিনি মনে করছেন তাকে দীর্ঘদিন জেলে রাখার বিষয়ে যে চক্রটি কাজ করেছে তার মধ্যে তারেক অন্যতম। যার ফলে কারামুক্ত হয়ে বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে ভাবছেন খালেদা জিয়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জিয়া পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে এমনটাই জানা গেছে। সূত্রটি আরো জানায়, এবারের জেল জীবন শেষে খালেদা জিয়া এখন ছোট ছেলে কোকোর স্ত্রী শর্মিলার উপরে আস্থাশীল।জেলে থাকা অবস্থায় তিনি প্রায়ই দেশে এসে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন।খোঁজখবর নিতেন। এছাড়া তারেক রহমান ও জোবায়দা রহমান দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করায় ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলাকে নিয়েই নতুন করে ভাবছেন খালেদা জিয়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির নীতি নির্ধারণী ও দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খালেদা জিয়া এখন মনে করেন তারেক রহমান তার কার্যক্রমে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি মায়ের চেয়ে বেশি ভালোবাসেন ক্ষমতাকে। তাই বর্তমানে তারেকের যেকোন কর্মসূচিতে সরাসরি বিরোধিতা করেন খালেদা জিয়া।দায়িত্বশীল নেতারা আরো বলেন,

যেকোন পরামর্শের জন্য সিনিয়র নেতাদের সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগ করার কথাও বলেছেন খালেদা জিয়া। এছাড়া ডাক্তার জোবায়দা রহমান তেমন কোনো খোঁজখবর রাখেননি জেলে থাকা অবস্থায়। ফলে শর্মিলার প্রতি আলাদা ভালোবাসা জন্ম নিয়েছে বেগম জিয়ার। তাই জিয়া পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে তাকে নিয়েই নতুন চিন্তাভাবনা খালেদার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *