Categories
Uncategorized

বঙ্গোপসাগ’রে সৃ’ষ্ট লঘুচা’পে- ই’লিশ না পেয়ে ম’হাবিপাকে জেলে’রা।

দীর্ঘ ৬৫ দিনের নি’ষেধাজ্ঞার পর থেকে আশানুরূপ ই’লিশ পাচ্ছেন না জেলে’রা। এজন্য তারা পড়েছেন ম’হাবিপাকে। আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন- এ চার মাস ই’লিশের ভরা মৌসুম। বছরজুড়ে এই অ’ঞ্চলের জেলে’রা এই দি’নগুলোর অ’পেক্ষায় থাকে। কিন্তু বঙ্গোপসাগ’রে সৃষ্ট লঘুচা’পে উ’পকূলজুড়ে বৈ’রী আ’বহাওয়ার প্রভাবে সাগর উ’ত্তাল থাকায় জেলে’রা নি’রাপদে আ’শ্রয় নিয়েছে।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ মানুষ মাছ শি’কারের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে নি’বন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৩ হাজার ৭৯৪ জন। তবে জেলেদের দাবি, প্রকৃত সংখ্যা এর অনেক বেশি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাগর উ’ত্তাল থাকায় জেলে’রা সবাই ’নি’রাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। জী’বনের ঝুঁকি নিয়েও যারা সাগরে বেরিয়ে পড়েছেন তারা ফিরছেন খালি হাতে। এই আ’বহাওয়া কবে ঠিক হবে আর তারা মাছ শি’কারে যাবে এ নিয়ে তারা বড় দু’শ্চিন্তায় আছে।

সাগ’রে মাছ শি’কারি কোড়ালিয়া গ্রামের মোঃ রফিক প্যাদা জানান, সাগর উ’ত্তাল থাকায় ৮ -১০ দিন কোনো কামাই বাণিজ্য নাই, সাগ’রে মাছ নাই।

তিনি আরও বলেন, মাছ পাইলে জী’বনের ঝুঁ’কি নিয়ে হইলে মাছ ধরতে যাইতাম। যারা ঝুঁ’কি নিয়ে মাছ ধরতে গিয়েছিল ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, তারা অল্পকিছু মাছ পাইছে। এ জন্য কেউ জী’বনের ঝুঁ’কি নিয়ে যায় না।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কোড়ালিয়া ঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী সভাপতি জহির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, গত কয়েকদিন ধরে আড়তে কোনো ই’লিশ আসছে না। আ’বহাওয়া খা’রাপ থাকায় সিং’হভাগ জেলে নৌকা-ট্রলার নিয়ে এখন তীরে আছে। অনেকে মৎস্য বন্দর মহিপুর গিয়েও আশ্রয় নিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *