Categories
Uncategorized

মাত্র পাওয়া। ডা. মিল’নের সঙ্গে অ’ন্তর’ঙ্গ সম্প’র্ক ছিলো শাবরিনার

দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় হৃ’দরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগকে অ’নিয়মের স্বর্গরাজ্য করে রেখেছেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। আর ছায়া হয়ে পাশে থেকেছেন ‘ইউনিট প্রধান’ ডা. কামরুল হাসান মি’লন। গত এক বছর ধরে কার্ডিয়াক সার্জারির বিভাগীয় প্রধানের কক্ষ এবং পদবি অ’বৈধভাবে দখ’ল করে রেখেছেন মি’লন। তাদের অ’নিয়মে অ’তিষ্ঠ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

জাতীয় হৃ’দরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের একটি ইউনিটের প্রধানের দায়িত্বে আছেন ডা. কামরুল হাসান মি’লন। তার অধীনেই রেজিস্ট্রার চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। অভি’যোগ রয়েছে, মি’লনের ছত্রছায়াতেই অ’নিয়মের চূড়ায় উঠিছিলেন সাবরিনা।

সাবরিনার কর্মকা’ণ্ডের অনুস’ন্ধানে হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে টানা তিন দিন সময় সংবাদ। সহকর্মী বা অধীন’স্ত কেউই সরাসরি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে সা’হস করেন না। তবে সবার ভেতরেই ক্ষো’ভ, রয়েছে অভি’যোগের ফিরি’স্তিও।অভি’যোগ রয়েছে, সাবরিনা দিনের পর দিন কাজ না করেই নিতেন বেতন। ডা. মি’লনের সুনজরে থাকায় অনুপস্থিত থাকার পরও নাম উঠে যেত হাজিরা খাতায়।

একজন স্টাফ জানান, ওনাকে একদিনও আমি দেখিনি।সাবরিনা-মি’লনের ঘনি’ষ্ঠতায় চ’টে গিয়েছিলেন সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীও। এ নিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই মি’লনের সঙ্গে বিবাদেও জড়ায় জেকেজি কর্নধার আরিফ। এ ঘটনায় জিডিও হয় থানায়।সাবরিনা বলেন, যদি এরকম কোনো সম্পর্ক হত, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার বিরু’দ্ধে মাম’লাই করত।

কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে আসে সা’প, পদে না থেকেও কার্ডিয়াক সার্জারির বিভাগীয় প্রধানের কক্ষটি দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখেছেন ‘ইউনিট প্রধান’ কামরুল হাসান মিলন। নিজের নামের পাশেও লিখে রেখেছেন বিভাগীয় প্রধান। বাধ্য হয়ে বর্তমান বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রামাপদ সরকার ছোট একটি কক্ষে নেমপ্লেট লাগিয়ে কোনোমতে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে রাজিন হননি ডা. কামরুল হাসান মিল’ন।মি’লন বলেন, পরিচালক সাহেব বলেছেন, মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার আগে তাকে জানাতে।প্রশ্নের মুখোমুখি হৃদরোগ ইনস্টিটিউট প্রশাসনও। চোখের সামনে সবকিছু ঘটার পরও লিখিত অ’ভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে, বলছে হাসপাতাল প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *