Categories
Uncategorized

ডিজির বি’রুদ্ধে মুখ খোলাতেই বরখা’স্ত সাবরিনা?

জেকেজির কেলে’ঙ্কারি আজ ঘটেনি। গত ২৩ জুন করোনার ভু’য়া সনদ দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতা’রণার অভি’যোগে আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেফ’তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীকে গ্রে’প্তার করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান স্ত্রী ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে তখন গ্রে’প্তার করা হলো না। সাবরিনা গত ১৯ দিন বহাল তবিয়তেই ছিলেন। তিনি অফিস করেছেন। এমনকি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আত্নপক্ষ সমর্থনও করেছেন। তখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কোন ব্যবস্থাই নেয়নি।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

একজন সরকারী কর্মকর্তা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আত্নপক্ষ সমর্থন করেন কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু যখন গতকাল টেলিভিশন চ্যানেলে সাবরিনা বললেন যে, ভু’য়া রিপোর্টের ব্যাপারটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানতেন। এই কথা বলার পরপরই তড়িৎ গতিতে তার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলো। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে রেজিস্টার্ড চিকিৎসক থেকে বর’খাস্ত করা হলো।

প্রশ্ন হলো যে, সাবরিনা অপরাধ তো ১৯ দিনের পুরেনো। এতদিন কেন তাকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভি’যোগে বর’খাস্ত করা হলো না? জেকেজি কাণ্ডের শুরু থেকেই তো বলা হচ্ছিল কিভাবে একজন সরকারী কর্মকর্তা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হয়। এতদিন পর এখন কি হলো? নাকি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক যিনি সবকিছুর মূল হোতা তার বিরু’দ্ধে মুখ খোলার পরেই শা’স্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলো?

সাবরিনা অ’পরাধী তার বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াটা অবশ্যই দরকার। কিন্তু যখন আরেকজন অপরাধীর বিষয়ে মুখ খোলার জন্য কাউকে বর’খাস্ত করা হয় তখন প্রশ্ন উঠে যে, মূল অপরা’ধীরা কি তাহলে ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাবে?

কারণ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যা কিছু অপকর্ম তার দায়ভার অবশ্যই প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালককে নিতে হবে। তাকে এটাও বলতে হবে যে, জেকেজি কাণ্ডের পরে এতদিনে কেন ব্যবস্থা নেননি? সাবরিনাকে কেন সে সময় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়নি? কেন তাকে তখন দো’ষী সব্যস্ত করা হয়নি? এখন কেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *