Categories
Uncategorized

দুর্গম পাহাড়ে লো’মহ’র্ষক ধ’র্ষণ

ভারত-বাংলাদেশের নো ম্যান্স ল্যান্ডের কাছাকাছি মেঘালয়ের পাদদেশে দুর্গাপুর থানার দুর্গম পাহাড়র চূড়ায় ধ’র্ষণ পরবর্তী লো’মহ’র্ষক হ’ত্যা মামলা রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফ’তার ও বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকাল ৩টা ৩০মিনিটের সময় নেত্রকোণা জেলা পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী প্রেস কনফারেন্স এর মাধ্যমে জানান।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর থানার কালিয়াকোড় এলাকায় আবু সালেকের ছোট মেয়ে হাফছানা খাতুন (১৬) মানুষিক ভারসাম্যহীনকে ১ জুলাই সকাল ১১ ঘটিকায় বাড়ীর পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের ঢালুস্থান থেকে কচুর লতি উঠাতে যায়। পরবর্তী সময়ে বাড়ীতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুজি করে।

পরবর্তী সময়ে থানায় সাধারণ ডায়রী করে। দুর্গাপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মাহবুবা শারমিন নেলি পুলিশ সুপার আলী আকবর মুন্সীর নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এলাকাবাসীর সহায়তায় দুর্গাপুর থানাধীন কামারখালী গ্রামে উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে ও চূড়ায় খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের অংশের সমতল ভূমি হতে প্রায় ১৬০ ফুট সু-উচ্চ পাহাড়ে

আলু তোলার গর্তে লতা-পাতা দিয়ে ঢাকা গলায় শক্তভাবে উড়না বাঁধা অবস্থায় হাফসানার মৃ’তদে’হ উদ্ধার করে। পুলিশ সুপার আলী আকবর মুন্সীর নির্দেশনায় দুর্গাপুর থানা পুলিশ মূল অপরাধী হাফছানার ভগ্নিপতি আবুল কাশেমকে আটক করে। আবুল কাশেম হাফছানাকে ধ’র্ষণ পরবর্তী হ’ত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে আজ ৯ জুলাই বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দী প্রধান করে।

এ চাঞ্চল্যকর ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে অপরাধীকে সনাক্ত করায় নেত্রকোণা জেলার পুলিশ সুপার বলেন অপরাধ করে কেউ পার পাবে না, অপরাধীকে আমরা সনাক্ত করব। অপরাধ কররে আইনের আওতায় আসতে হবে। এতে করে অপরাধের প্রবণতা হ্রাস পাবে।

প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে চাঞ্চল্যকর হ’ত্যাকাণ্ড ও বিভিন্ন অপরাধ নিমূলে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলে জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. ফকরুজ্জামান জুয়েল(পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলআমিন হোসেন, সহকারি পুলিশ সুপার মাহবুবা শারমিন নেলি ও মুর্শেদা খাতুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *