Categories
Uncategorized

তামিম-মুশফিকদের জন্য বিসিবির ‘ অ্যাপ’

করোনাভাইরাসের সংকটময় সময়ের মধ্যেও একক অনুশীলনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহীমসহ আরও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। বিসিবি তাদের মৌখিক অনুমতিও দিয়েছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকায় কোন ক্রিকেটার মাঠে অনুশীলন শুরু করেননি।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

অনুশীলন শুরু করার উপায়ই বা কী? করোনার রেড জোনে পড়েছে শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম যেখানে অবস্থিত সেই মিরপুর। সেখানে গিয়ে অনুশীলন করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া এরই মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে তিন সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটার নাফিস ইকবাল, মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং নাজমুল ইসলাম অপু।

ফলে ক্রিকেটারদের বেলায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে বিসিবি। সবাই নিজ নিজ ঘরে থাকলেও করোনা থেকে বাঁচার শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারবে না কেউই। তাই ক্রিকেটারদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখার জন্য প্রযুক্তির সাহায্য নেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

যার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে তামিম-মুশফিকসহ প্রায় ৪০ জন ক্রিকেটারকে দেয়া হয়েছে করোনা অ্যাপ। যেখানে করোনা উপসর্গ সম্পর্কিত বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সব ক্রিকেটারকে। যা দেখে তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে পারবে বিসিবির মেডিকেল টিম।

এ কথা জানিয়েছেন খোদ বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী। ক্রিকেটারদের দেখভাল করার জন্য আগে থেকেই ‘অ্যাথলেট ম্যানেজম্যান্ট সফটওয়্যার’ ব্যবহার করতো বিসিবি। সেটির সঙ্গেই এবার করোনা সম্পর্কিত প্রশ্নাদি যোগ করা হয়েছে।

বিসিবি প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘আগে থেকেই বেশ কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করে আসছি আমরা। এর একটি অ্যাথলেট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার। সেটিরই সম্প্রসারিত অংশ এই কোভিড-১৯ ওয়েল বিয়িং অ্যাপ। এর মাধ্যমে ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখব আমরা।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্রিকেটারদের জনে জনে ফোন করে প্রতিদিন খোঁজ নেওয়াটা খুব কঠিন ব্যাপার হতো। অ্যাপের মাধ্যমে সেটি খুব সহজেই করতে পারব আমরা। ক্রিকেটাররা নিজেদের ফোনে এই অ্যাপ ব্যবহার করবে। সেখানে একটি প্রশ্নপত্র থাকবে ওদের জন্য। ওরা এর জবাব দেবে প্রথমে। তারপর প্রতিদিন সকালে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থা ওরা জানাবে। যা করতে সর্বোচ্চ ৩০-৪০ সেকেন্ড লাগবে।’

ক্রিকেটাররা নিজেদের অবস্থা সম্পর্কে জানানোর পর বাকি কাজ করবে বিসিবির মেডিকেল টিম, ‘আমাদের ডাক্তাররা মনিটর করবেন পুরো ব্যাপারটি। যদি কেউ কোনো লক্ষণের কথা বলে থাকে, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও তারাই নেবেন।’

আপাতত জাতীয় দল, অনূর্ধ্ব-১৯ দল এবং চুক্তিতে থাকা নারী ক্রিকেটারদের এই অ্যাপের আওতায় আনা হচ্ছে জানিয়ে নিজামউদ্দিন বলেন, ‘জাতীয় দলের আশপাশে থাকা ৩০-৩৫ জন থাকবে। সেই সঙ্গে চুক্তিতে থাকা নারী এবং অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররাও এর আওতায় থাকছে। আপাতত ৭০ জনকে নিয়ে প্রথম পর্যায় শুরু করছি আমরা। পরে ধীরে ধীরে এর আওতা বাড়বে। সাপোর্ট স্টাফসহ অন্যরাও যুক্ত হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *