Categories
Uncategorized

২০ বছরে ৭’শ লঞ্চ’ডুবি, ২০ হাজার মানুষের মৃ’ত্যু

রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকা সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চ’ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে নি’হতদের স্বজনদের আ’হাজারিতে ভারি হয়েছে দু’র্ঘটনাস্থালের আশপাশের এলাকা। কিন্তু একের পর এক ঘটেই চলেছে লঞ্চ’ডুবির ঘটনা। এসব দু’র্ঘটনায় শত শত প্রা’ণহানী হলেও ল’ঞ্চডুবি রো’ধে নেয়া হয়না কার্যকর কোনো ব্যবস্থা। ফিটনেস না থাকা, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই, ট্রাফিক সিগন্যাল অ’মান্য করাসহ কোনো ঘটনাতেই বিচার না হওয়ায় একই ঘটনার পু’নরাবৃত্তি ঘটতেই থাকে।

২০১৪ সালে ৪ আগষ্ট। স্মরণকালের ভয়াবহ ল’ঞ্চডুবি ঘটে পদ্মার বুকে। ঈদের পর হওয়ায় লঞ্চে ছিলো ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী। ভরাবর্ষার উত্তাল পদ্মায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডু’বে যায় পিনাক ৬। ঘটনার পর পেরিয়েছে ৬ বছর। কিন্তু বিচার কাজ এখনও চলছে। পিনাক ডুবির মাত্র তিন মাস আগেই মেঘনাতেও লঞ্চ ডু’বে মা’রা যান শতাধিক মানুষ। একইরকম ঘটনা আরো আছে।

সবগুলো ঘ’টনাতেই গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি। কিন্তু ফলাফল শূন্য। বেশ কিছুদিন বিরতি দিয়ে আবারও ঘটলো ল’ঞ্চডুবি। সোমবার (২৯ জুন) সকালে দুটি লঞ্চের সং’ঘর্ষে বুড়িগঙ্গায় যাত্রীসহ ডু’বে যায় মর্নিং বার্ড নামের একটি লঞ্চ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নকশায় ত্রুটি, অদক্ষ ইঞ্জিন অপারেটর, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন ছাড়াও বি’চারহীনতার কারণে ব’ন্ধ হয় না লঞ্চ দুর্ঘটনা।

ফায়ার সার্ভিস সাবেক মহাপরিচালক বি. জে. আলী আহমেদ খান বলেন, বাংলাদেশে নৌ দুর্ঘটনা অহরহ ঘটছেই। অপরাধ কে করছে আর অ’পরাধীদের যদি শা’স্তি না হয় যার জন্য অনেকেই অনৈতিক কাজ করেই যায়।

শুধু তাই নয় এক্ষেত্র কর্তৃপক্ষগুলোও থাকেন উ’দাসীন। বি. জে. আলী আহমেদ খান আরও বলেন, দু’র্নীতি সব জায়গাতেই আছে। সব কিছু মিলিয়ে আমাদেরও তদারকির গাফিলতি রয়েছে। যে কারণে পরিসংখ্যান বলছে, গত ২০ বছরে প্রায় ৭শ লঞ্চ ডু’বিতে মা’রা গেছেন ২০ হাজার মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *