Categories
Uncategorized

ঠাণ্ডা ও ফ্লু সারাতে খান পাকা আম

আম কাঁচা অথবা পাকা যেভাবেই খাওয়া হোক তা আমাদের শরীরের জন্যে খুবই উপকারী। অনেক ক্ষেত্রে পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের গুণ আরও বেশি। আম আমাদের শরীরকে সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে।

জেনে নিন পাকা আমের পুষ্টিগুণ-

১. রসাল ফল আম স্মৃতিশক্তি উন্নত করে। এই ফলে থাকা গ্লুটামিক অ্যাসিড মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উজ্জীবিত করে মনোযোগ বাড়িয়ে দেয়।

২. হৃদরোগ ও আলঝেইমার প্রতিরোধ করে মৌসুমি ফল আম। এতে রয়েছে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন, যা ভিটামিন এ’র উৎস। এই ফল হৃদরোগ, ভুলে যাওয়া রোগ আলঝেইমার, পার্কিনসন্স ও আথ্রাইটিস প্রতিরোধ করে।

৩. আমে রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। শারীরিক প্রশিক্ষণের পর শরীরে পটাশিয়াম ঘাটতি মেটাতে আম খেতে পারেন। প্রতিদিন দৌড়ঝাঁপে শরীর থেকে যে লবণ বের হয়ে যায়, তার ঘাটতিও পূরণ করে আম।

৪. এ সময় অনেকে ঠাণ্ডা বা ফ্লুতে আক্রান্ত হতে পারেন। আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও ডি রয়েছে। তাই ঠাণ্ডা ও ফ্লু দূর করতে পারে।

৫. আমে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে। এই ফল দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।

৬. আমে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও ফলিক অ্যাসিড, যা গর্ভবতীদের জন্য ও গর্ভে থাকা শিশুর জন্য উপকারী।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

৭. আমে থাকা ভিটামিন এ, সি ও ই শরীরে ফ্রি র‌্যাডিকেল বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানকে প্রতিরোধ করে।

৭. আমে প্রচুর আঁশ থাকায় হজম ভালো হয়। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য আম খুবই উপকারী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *