Categories
Uncategorized

কিডনি বি’কলের আগাম লক্ষণ অ’বহেলা করলেই বি’পদ!

মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো কিডনি। শরীরের সব বর্জ্য পদার্থের ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে কিডনি। জীবনযাত্রায় অনিয়ম, পানি কম খাওয়াসহ নানা বদঅভ্যাসের কারণে কিডনি তার কার্যকারিতা হারাতে বসে। কিডনি সংক্রমিত হওয়ার পাশপাশি মূত্রনালির সংক্রমণও দেখা দেয়। তবে কিডনি সংক্রমণের কয়েকটি লক্ষণ প্রথম থেকে শরীরে প্রকাশ পায়। যেগুলো হেলাফেলা করা মোটেও উচিত নয়। জেনে নিন কিডনি বিকল হওয়ার লক্ষণসমূহ-

এসময় জ্বর, শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, পিঠে বা পেটের যেকোনো এক পাশে ব্যথা, কুঁচকিতে ব্যথা, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং বমি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ঘন ঘন মূত্র ত্যাগ, প্রস্রাবের রং গাঢ় ও দুর্গন্ধযু’ক্ত হওয়া বা র’ক্তও ​বের হতে পারে।

যদি এমন কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় তবে অনেকেই ভাবেন বেশি করে পানি খেলেই বোধ হয় ঠিক হয়ে যাবে। বিষয়টি কিন্তু এতোটা সহ’জ নয়। এসব লক্ষণের শুরুতেই চিকিৎসকের পরাম’র্শ নিন এতে করে আপনার কিডনি দু’টোর সুস্বাস্থ্য পুনরায় ফিরে পেতে পারেন।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

যদিও ঘরোয়া বিভিন্ন উপায়ে কিডনির সংক্রমণ কমিয়ে তা বিকলের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। তবে প্রথমত, চিকিৎসকের পরাম’র্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করিয়ে কিডনির সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে। এর পাশাপাশি ঘরোয়া এসব টোট’কা মানতে পারেন-

১. প্রচুর পানি পান করতে হবে। এতে করে ঘন ঘন প্রস্রাব হবে। এর ফলে প্রস্রাবের সঙ্গে শরীরের বিষাক্ত সব উপাদান বেরিয়ে আসবে। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস করে পানি পান করুন।

২. ভিটামিন সি জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন। কারণ এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকে। এই উপাদানটি শরীরের বিভিন্ন কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে সুরক্ষা দেয়, ফলে কিডনির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। কিডনি ইনফেকশন থেকে বাঁ’চাতে পারে ভিটামিন সি।

৩. জানেন তো? প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। আপেলের রসে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমূহ রয়েছে যা কিডনির সুস্বাস্থ্য রক্ষায় কাজ করে। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণও দূর করতে পারে আপেলের গুণাগুণ।

৪. পেটে ব্যথার কারণে অ্যাস্পিরিন জাতীয় ব্যথা’নাশক ওষুধ গ্রহণে বিরত থাকুন। ব্যথা কমানোর সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হলো গরম সেঁক দেয়া।

৫. ধনেপাতার রস কিডনিতে থাকা ব্যাকটেরিয়াসমূহকে ধ্বংস করতে পারে। পাশাপাশি গ্যাস্ট্রিক ও মূত্রনালির সমস্যা থেকে নিস্তার মেলে ধনেপাতার গুণাগুণে। এতে প্রচুর পরিমাণে ইনফ্লেমেটরি উপাদনসমূহ রয়েছে। যা কিডনির সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *