Categories
Uncategorized

প’র্ন ছবিতে পারিশ্র’মিক কত? চা’ঞ্চ’ল্যকর কিছু তথ্য

প’র্নজগত নিয়ে দেশে দেশে বিত’র্কের শেষ নেই। তবুও এর প্রতিই মানুষের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি যে জিনিস খোঁজা হয় সেটা প’র্ন। ফলে বর্তমান সময়ে প’র্ন ‘শিল্পে’র বাজার গরম। দিন দিন বাড়ছে চাহি’দা।

কবিরাজ: তপন দেব । নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

প’র্নস্টাররা আগে লুকিয়ে থাকতেন একটা শ্রেণির মধ্যেই। কিন্তু এখন তাঁরা মেইনস্ট্রিম সিনেমায় চলে আ’সছেন। বাজার বেশ গরম। ছবি হিট হচ্ছে ‘পটাপট। পরিচালক, প্রযোজকরা ছবি হিটের আরও সহজ পদ্ধতি আবি’ষ্কার ক’রেছেন। কিন্তু এত কিছুর পরেও, কে কত কামিয়েছেন বা কামাচ্ছেন প’র্ন শিল্পে, তা নিয়ে কোনও সম্যক ধারণা নেই কারোরই।

স’ম্প্রতি এ নিয়ে সমীক্ষা করেন একটি বিখ্যাত সংবাদ চ্যানেল (CNBC)। তাদের সমীক্ষা অনুযায়ী, মহিলা শিল্পীদেরই পারিশ্র’মিক সবচেয়ে বেশি। যাঁর মধ্যে যৌ’ন আবেদন যত বেশি, তাঁর দর তত বেশি। তাছাড়া, এই শিল্পের বাইরেও যাঁর একটা পরিচিতি আছে, তাঁর দর বেশি। যেমন কোনও মডেল, কোনও মেইনস্ট্রিম অভিনেত্রী।

নতুনদের মধ্যে আবার অন্য সমীকরণ। যে যত নতুন, তাঁর দর বেশি। যেমন, জীবনে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে যিনি এলেন, তাঁর পারিশ্র’মিক বেশি। ধীরে ধীরে সেই দর পড়তে থাকে, যদি না তাঁর ছবির চাহি’দা বাড়তে শুরু করে। যদি কোনওভাবে কোনও শিল্পীর চাহি’দা বাড়তে শুরু করে, তাঁর পারিশ্র’মিকও বাড়তে থাকে। এখানে অবশ্যই পারফর্মেন্সটা একটা বড় ফ্যাক্টর।

মহিলা শিল্পী
সাধারণত ট্র্যাডিশনাল দৃ’শ্যের (কোনও নারী-পুরুষের দৃ’শ্য) ক্ষেত্রে অভিনেত্রীদের আয় প্রায় ৮০০ ডলার থেকে ১০০০ ডলার। নামকরা অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রে সেটা ১৫০০ ডলারও হতে পারে। আবার কখনও সখনও তা ২০০০ ডলারের অংকও ছুঁয়ে যায়। নতুনদের ক্ষেত্রে ৩০০ ডলারের আশপাশে। তবে নবাগতারা ভিন্ন ভিন্ন দৃ’শ্যের জন্য আ’লাদা আ’লাদা পারিশ্র’মিক চাইতে পারেন।

পুরুষ শিল্পী
নীলছবির ক্ষেত্রে পুরুষশিল্পীর চাহি’দা নির্ভর করে প্রয়োজনের উপর। মানে ট্র্যাডিশনাল (স্ট্রেট) ছবির ক্ষেত্রে পুরুষের প্রয়োজন। নচেৎ নয়। আয়ের দিকে দিয়েও তাঁরা কিছুটা পিছিয়ে। পর্দায় তাঁদের পারফর্মেন্সের উপর পুরোটা নির্ভর করে না। ব্য’তিক্রম অবশ্যই আছে। যাঁরা তারকা পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন, তাঁদের চাহি’দা অবশ্যই বেশি। তাঁদের ছাড়া সাধারণত, পুরুষ শিল্পীরা ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার আয় করেন। নামকরা শিল্পীরা পান ৭০০ থেকে ৯০০ ডলার। সুপারস্টারদের আয় ১৫০০ ডলারের মত।

ক্যামেরার পিছনে
পরিচালকরা মোটামুটি ১০০০ থেকে ১৫০০ ডলার আয় করেন। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অবশ্য ৩০০০ ডলারও পারিশ্র’মিক পান পরিচালকরা।

লেখকরা পান খুবই কম। ২৫০ থেকে ৪০০ ডলার। অবশ্য কীই বা লেখেন? ক্যামেরা পার্সনদেরও আয় কম। ৫০০ থেকে ৭০০ ডলার। যাঁদের নিজেদের ক্যামেরা আছে, তাঁদের চাহি’দা বেশি। ক্যানন 5D মা’র্ক III থাকলে রেটটা বেশি। সুযোগ বেশি। সাধারণত দুই থেকে চার দিন চলে প্রোডাকশনের কাজ। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আট দিনেও গড়াতে পারে।

সাউন্ড টেকনিশিয়ানরা পান ৩০০ থেকে ৪০০ ডলার। প্রোডাকশন অ্যাসিট্যান্টের আয় ১০০ থেকে ২০০ ডলার।

মেনস্ট্রিম ফিল্মের মতো এখানেও স্টিল ফোটোগ্রাফার থাকে। তাঁদের আয় প্রতিদিন ৫০০ ডলার। অবশ্য সারাদিনের জন্য। মানে যতক্ষণ শু’টিং চলবে, ততক্ষণের জন্য। মেক আপ আর্টিস্টরাও একটা গোটা দিনের জন্য ৫০০ ডলার পান। তবে তাঁরা অল্প সময়ের জন্য কাজ করলে, অর্থাৎ মেক-আপের কাজ সেরে বেরিয়ে গেলে ১০০ থেকে ১৫০ ডলার পান।

তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কেউ কেউ টেকেন ৫ থেকে ৬ মাস। কেউ টেকেন ২ থেকে ৫ বছর। অবশ্য এমনও তারকা আছেন, যাঁরা টিকে গেছেন বেশ কিছু বছর। তবে সংখ্যাটা কম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *