Categories
Uncategorized

(১৮+) গল্পটা আপনার জীবন বদলে দিতে পারে… দয়া_করে_গল্পটা_পড়ুন ???

মেয়ে: বিঁড়ি ফেল….. প্যান্ট খুইলা এইদিকে আয়। হাতে সময় বেশি নাই…. মোটে দুই বার করতে পারবি। একবার এখন…আরেকবার যাইবার আগে। মাঝখানের টাইমে গফ-সফ করবো। আমারে আজেবাজে জাগায় মুখ দিতে কইবি না… টুপি পরাই ল…এক ফোঁটা ভিত্রে পড়লে খবর আছে। আর টেহা এডভান্স।

হাতে টেহা দিবি…. এর পর পায়জামা খুলুম। আগে না… ছেলে: টাকা নিন…এখানে একশ টাকার পাঁচটি নোট আছে। আপনি সান্ত হোন। আমার কোন তাড়াহুড়ো নেই।

মেয়ে: আমার তাড়াহুড়ো আছে…. কাছে আয় সোহাগ করি। ছেলে: আমার সোহাগ লাগবে না… আমি আপনার সাথে কিছুক্ষণ গল্প করতে পারি ?? মেয়ে: ওরে আমার ঘুঘুচান রে…! সোহাগ লাগবো না…! এইখানে কি ** চুষতে আসছো?? ছেলে: আমি সত্যি গল্প করতে এসেছি….. আমার কথা বলার মতো কেউ নেই। আমি আগামী এক ঘন্টার মধ্যে যতোটা সম্ভব সিগারেট খাবো… এবং আপনার সাথে গল্প করবো। এক ঘন্টা পরেই চলে যাবো আমি। আমার কোন ধরনের শরীর লাগবে না।

মেয়ে: মাওলানা সাব.. তোর মতলব আছে ঠিক ঠাওর করতে পারতেসি না…. আমার কাছে দেওয়ার মতো খালি শরীর আছে। আমার কাছে কোন গল্প নাই। ছেলে: আপনার নাম বলুন.. বাড়ি কোথায় আপনার?? মেয়ে: নাম বিউটি… বাড়ি দিয়া কাম নাই। ছেলে: ও আচ্ছা বিউটি খাটের উপর পা তুলে বসলো… এখন সে আয়নার নিজের চোখ দেখছে। শফিক এখনো চেয়ারে বসে আছে। রুমের ফ্যানটা খটখট শব্দ করছে। এই রুম থেকে বাহিরে আলো-বাতাস যাবার কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। সিগারেটের ধোঁয়া কড়া হয়ে যাচ্ছে।

মেয়ে: একটা বিঁড়ি দে তো….! ছেলে: শফিক বিউটির দিকে একটা সিগারেট এগিয়ে দিলো। মেয়ে: এখানে আসছস ক্যান….?? ছেলে: এখন ঠিক এই মুহূর্তে আমার প্রেমিকা তার নতুন স্বামীর সাথে বাসর ঘরে….. আজ সন্ধ্যায় তার বিয়ে হয়ে গেছে। মেয়ে: ইশ….! আহারে… কঠিন পিরিত বুঝি ?? ছেলে: হুম…. পাঁচ বছর প্রেম। আজকে চোখের পলকে সব শেষ।

মেয়ে: তোর প্রেমিকারে অন্য ব্যাটা বিছানায় দিবে দেইখা এই শোকে তুই অন্য বেডিরে বিছানায় কাইত করতে আসছস.?? ছেলে: না… আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ রাতে আত্মহত্যা করবো। এবং তার আগে কারো পাশে বসে কিছুক্ষণ কথা বলবো… কেন মরে যাচ্ছি… না মরলে কি হতো… এসব। এমন কারো সাথে, যার আমার মৃত্যুতে কিছুই আসবে যাবে না। কোন অপরিচিত মানুষকে পাশে বসিয়ে এক ঘন্টা আলাপ করা যায় না… তাই পতিতালয় শেষ ঠিকানা।

মেয়ে: সুইসাইড করবি….?? বাব্বাহ… পোলার হেডম আছে কইলাম। তা করবি ক্যামনে….?? গলায় দড়ি দিয়া না বিষ খাইয়া…?? ছেলে: এখান‌ থেকে হয়ে কোন ট্রাকের নীচে ঝাপ দিবো। মেয়ে: ভালো সিদ্ধান্ত… তোর মতো পোলাপানের মইরা যাওয়াই ভালো.. নিজের প্রেমিকারে অন্য বেড়ায় বিছানায় নিয়া যায়। ছিঃ! ছেলে: ঠিক।

মেয়ে: তবে মইরা যাওনের আগে তোর একটা গল্প শোনায় তাইলে…. ট্যাহা দিসস। ট্যাহা হালাল করি। ছেলে: জ্বী বলুন। মেয়ে: বিউটি বড় একটা সিগারেট পাফ দিয়ে ধোঁয়া ছাড়ালো। মেয়েটার সিগারেট খাওয়াটা ইন্টারেস্টিং। শফিক এর আগে কখনো কোন মেয়ের সিগারেট খাওয়া দেখে নি।

মেয়ে: একটা মাইয়া আছিলো…. গার্মেন্টস কাম করতো। বাপে ছাইড়া গেছে অনেক আগে। মা আছে… আর দুইটা ভাই-বোন। দুইটাই স্কুলে যায়। ছোট একটা ঝুপড়িতে ভাড়া দিয়া আর ভাই বোনের স্কুলের বেতন দিয়াই মেয়েটার হাতের ট্যাকা শেষ….. গার্মেন্টসের খাটনি আর ঘরের ঘানি টানা… এইডাই সংসার। পোড়া কপাল…. একদিন মার অসুখ করলো। টি.বি রোগ। মায়ের ওষুধের ট্যাকা নাই।

গার্মেন্টসের কামের লগে ছুটির দিনে মাইনষের বাড়িতে কাম করন লাগে। এর মধ্যে এক বাড়ির দারোয়ানের চোখ পড়সে মাইয়াডির উপর। প্রতিদিন ফলো করে…. ট্যাকার লোভ দেখায়। কয় মায়েরে হাসপাতালে ভর্তি কইরা দিবো। গ্রামে নিয়া বিয়ে করবো… মাইয়াডা সেই ব্যাটারে শাসায়।

একদিন সেই ব্যাডা মাইয়ার গায়ে হাত দিয়া বসে…. মাইয়া মেজাজ থুইয়া ব্যাডার মুখে একদলা থু দিয়া চইলা যায়। সেদিন রাতে গার্মেন্টস থেইকা বাড়িতে ফিরনের পথে সেই ব্যাডা আর তার ইয়ার দোস্তরা মিল্লা মাইয়াডারে তুইল্লা একটা গ্যারেজে নিয়া গেলো…. সেখানে সবাই মিল্লা মাইয়াডারে রেপ করলো। মাইয়াডা যখন মেঝেতে কাপড় জড়ায়ে ব্যাথায় কানতেসিলো, তখন সে ব্যাডা মাইয়াডার মুখে দুইটা একশ টাকার নোট ছুইড়া কইলো, যা মাগী…. দলাম যখন মাগনা দেবো ক্যান….?

ব্যাখ্যাগুলা চইলা যাওনের অনেক পরে মাইয়াডা ট্যাকাগুলা হাতে তুইলা নিলো….. ভাবলো গার্মেন্টসে ১০ ঘন্টা কইরা খাইটা মাস শেষে তিনহাজার ট্যাকা পাই….. ঘরে মা’ডা মইরা যাইতেসে। ভাই বইন দুইডার খাওন নাই। এর থেকে ৩০ মিনিটের যন্ত্রনায় দুইশ ট্যাকা…. এই নিমকহারাম দুনিয়ার জন্য এইডাই ভালো। সেই দিন থেইকাই শুরু। মাইয়াডা নিজের সম্ভ্রম বেচলো… বিউটি নাম নিলো। খারাপ জীবনে আইলোও। কিন্তু তার মা’র চিকিৎসা হইসে…. ভাই-বোন দুইটার স্কুল যাইতে পারসে।

ছেলে: বিউটি… আমি লজ্জিত। আপনার সাথে যা হয়েছে এটার জন্য আমি লজ্জিত মেয়ে: তুই নিজের জন্য লজ্জিত হ হারামজাদা… বয়স কতো…..?? ২৪-২৫…?? একটা মাইয়া ছাইড়া গেছে বইলা মরার চিন্তা কইরা ফেলছস। ঘরে মা নাই…..?? যে মা ২৫ বছর ধইরা পালসে হের কথা ভুইলা গেলি পাঁচ বছর প্রেম করা ছেমড়ির লাইগা….?? লজ্জা করে না….?? আমি নিজের শরীর বেচতে পারলে তুই কি আমার চেয়েও খারাপ….??

ছেলে: না… আমি অবশ্যই খারাপ না । মেয়ে: ঘরত যা…. মার পা ছুইয়া সালাম কইরা নতুন জীবন শুরু কর। আমি বেশ্যা…. বেশ্যার কথা জগত শুনে না। তুই আমার কথাটা রাখ মইরা গেলি তো হাইরা গেলি… জগত নিষ্ঠুর। তুই জগতের উপর লাত্থি মাইরা নিজেরে সামনে দিয়া যা। যে ছেমড়ি তোরে অন্য বেড্যার কাছে সুখ খুঁজতে গেছে….

নিজেরে সেই ব্যাডার চেয়ে বড় কেউ বানায়ে দেখা। ছেমড়ি সেই দিন বুঝবো তুই আজকে মইরা গেলে ছেড়ি কাঁদবো না…. ছেমড়ি কিছুই আসবো যাইবো না। ছেলে: বিউটি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ…. আমি আসি। আমার এক্ষুনি যেতে হবে। আপনি ভালো থাকবেন।

মেয়ে: ট্যাকাটা নিয়া যা… তুই আমার শরীর ছোঁস না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *