Categories
Uncategorized

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পৃথিবীতে ছিটকে পড়ল চীনের রকেট

উৎক্ষেপণের এক সপ্তাহ পর অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পৃথিবীতে আবার ছিটকে পড়েছে চীনের একটি রকেট। গত সোমবার ১০০ ফিট দীর্ঘ ওই রকেটটি আটলান্টিক মহাসাগরে আঁচড়ে পড়ে। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানান, এটি ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসা কয়েকদশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় মহাশূন্য জঞ্জাল। লং মার্চ ৫বি নামের এ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয় গত ৫ মে। যেটি নতুন তৈরি চীনের ক্রু ক্যাপসুলের মডেল বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলো। কক্ষপথে প্রায় এক সপ্তাহ ভ্রমণের পর রকেটের মূল অংশ আবারও বায়ুমন্ডলে ফিরে আসে সকাল ১১ টায়।

প্রতি ঘন্টায় যার গতি ছিল কয়েক হাজার মাইল। হার্বাডের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোনাথন ম্যাকডয়েল মহাশূন্য কক্ষপথে নজর রাখছিলেন। তিনি এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘১৯৯১ সালে স্যালুয়েট-৭ পতনের পর এটিই সবচেয়ে বড় ভগ্নাংশ যা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসল।’ যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস কমান্ড জানায়, পশ্চিম আফ্রিকায় আটলান্টিকের উপকূলে পড়া এ মহাশূন্য যানের একটি ক্ষুদ্র অংশ একটি ছোট বাসের সমান।

উৎক্ষেপণের এক সপ্তাহ পর অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পৃথিবীতে আবার ছিটকে পড়েছে চীনের একটি রকেট। গত সোমবার ১০০ ফিট দীর্ঘ ওই রকেটটি আটলান্টিক মহাসাগরে আঁচড়ে পড়ে। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানান, এটি ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসা কয়েকদশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় মহাশূন্য জঞ্জাল। লং মার্চ ৫বি নামের এ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয় গত ৫ মে। যেটি নতুন তৈরি চীনের ক্রু ক্যাপসুলের মডেল বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলো। কক্ষপথে প্রায় এক সপ্তাহ ভ্রমণের পর রকেটের মূল অংশ আবারও বায়ুমন্ডলে ফিরে আসে সকাল ১১ টায়।

প্রতি ঘন্টায় যার গতি ছিল কয়েক হাজার মাইল। হার্বাডের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোনাথন ম্যাকডয়েল মহাশূন্য কক্ষপথে নজর রাখছিলেন। তিনি এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘১৯৯১ সালে স্যালুয়েট-৭ পতনের পর এটিই সবচেয়ে বড় ভগ্নাংশ যা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসল।’ যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস কমান্ড জানায়, পশ্চিম আফ্রিকায় আটলান্টিকের উপকূলে পড়া এ মহাশূন্য যানের একটি ক্ষুদ্র অংশ একটি ছোট বাসের সমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *