Categories
Uncategorized

ছেলে-বউয়ের অ’ত্যাচা’রে ঘর ছাড়তে বা’ধ্য হলেন মা!

শেষ বয়সে মায়ের জায়গা হয়নি ছেলের সংসারে। বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালিয়ে মাকে ঘর ছাড়তে বাধ্য করেছেন ছেলে ও তার বউ। তাই বাধ্য হয়ে জীবন বাঁচাতে বাড়ি ছেড়েছেন মা। বড় আশা নিয়ে ভারতে ছোট ছেলের কাছে যাওয়ার জন্য বেনাপোলে চেকপোস্টে এসেছেন। কিন্তু ছোট ছেলেও তাকে নেবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

কবিরাজ: তপন দেব । নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে বেনাপোল চেকপোস্ট আর্ন্তজাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে বৃদ্ধাকে দেখা যায়। ১১ দিন ধরে অনাহারে অর্ধহারে এখানেই তিনি পড়ে আছেন।

মা সুনতি হালদার জানান, তার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। বড় ছেলে বাবুল হালদার থাকেন বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ উপজেলার হলগাপাড়া মহেশপুর গ্রামে আর ছোট ছেলে ও দুই মেয়ে থাকেন কলকাতায়। স্বামী নরেল হালদার থাকেন ভারতে আর বাংলাদেশে বড় ছেলের সঙ্গে থাকতেন তিনি। ছেলে বাবুল হালদারের সামনে তার স্ত্রী কথায় কথায় বিভিন্নভাবে তাকে শারীরিক নির্যাতন করতো। অবশেষে কষ্ট সইতে না পেরে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছেন ভারতে ছোট ছেলের কাছে যাবেন বলে। কিন্তু পাসপোর্ট না থাকায় আটকে পড়ে আছেন বেনাপোল সীমান্তের প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে।

ছেলের বউ নির্যাতন করলেও পুলিশকে অভিযোগ দেননি কেন জানতে চাইলে সুনতি হালদার বলেন, এসব কথা বললে পুলিশ তো আগে ছেলেকে ধরে নিয়ে যাবে। অনেক কষ্টে তাকে মানুষ করেছি। পুলিশ তাকে মারবে আঘাত পড়বে আমার কলিজায়। সেটা আমি দেখতে পারব না বলে কাউকে বলিনি।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাসিন হোসেন জানান, তিনি অফিস যাওয়ার পথে কদিন ধরে দেখছেন ওই বৃদ্ধ নারী প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে পড়ে আছেন। কয়েকবার খাবারও কিনে দিয়েছেন। বিষয়টি তিনি পোর্টথানা পুলিশ ও বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। এছাড়া তার পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।

বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের নিরাপত্তাকর্মী আমিরুল ইসলাম জানান, বৃদ্ধ নারীর কষ্টের কথা শুনে তিনি ভারতে তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু তার ছেলে জানিয়েছে মাকে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব না। পরে ফোন কেটে দেন। আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *