Categories
Uncategorized

বিএন’পি সাং’সদ রুমিন ফার’হানার অন্তর’ঙ্গ ছবি ভাই’রাল!

আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান শওকত আজিজ রাসেলের সঙ্গে বিএনপির সাংসদ রুমিন ফারহানার অন্তর’ঙ্গ ছবি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাই’রাল হয়েছে। নিজেকে অবিবাহিত দাবি করা রুমিন ফারহা’নাকে ছবিতে শওকত আজিজের সঙ্গে অনৈ’তিক ভাবে দেখা যাচ্ছে। আর এ ঘটনায় বিব্র’তকর অবস্থায় পড়েছে বিএনপি।




রুমিন ফারহানা জাতিকে প্রতিনিয়ত জ্ঞান দেন। টক শােতে গিয়ে বড় বড় কথা বলেন। সংসদেও নী’তি বাক্য ছাড়ে’ন। অথচ তার অনৈ’তিক জীবনের কাহি’নী প্রকাশিত হলাে।পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ হাসেমের পুত্র আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান শওকত আজিজ রাসেলের সঙ্গে রুমিন ফারহানার এই অন্তর’ঙ্গ ঘনি’ষ্ঠতা প্রকাশ্যে এসেছে।




ব্যক্তিজীবনে রুমিন ফারহানা নিজেকে অবি’বাহিত দাবি করেন। তাহলে শওকত আজিজ রাসেলের সঙ্গে তার কি স’ম্পর্ক?  এজন্যই হয়তাে অনেক ত্যা’গী পরী’ক্ষিতদেরকে বাদ দিয়ে তাকেই তারেক জিয়া মহিলা সাংসদ হিসেবে মনােনয়ন দিয়েছিলাে।




সর্বশেষ এখন প্রতিদিন আমরা প্রতা’রক সাহেদের কথা বলছি, সাহেদ প্রতা’রক ভ’ণ্ড এবং টক শােতে এসে সুশীল সেজে’ছেন, এই অভি’যােগ করা হচ্ছে। তাহলে রুমিন ফারহানা কি? তিনিও তাে টক শােতে জাতিকে জ্ঞান দেন। অথচ নিজেকে রেখেছেন অনৈ’তিকতায় ভরা এক অন্ধ’কার জগতে। আজকের সাবরিনা, মিঠু কিংবা সাহেদরা যে বিএনপির রুমিন ফারহানাদের সৃষ্টি এই ছবি সেই কথাই বলছে । সুত্রঃ দৈনিক রংপুর।

Categories
Uncategorized

নতুন দ্ব’ন্দ্বে ভারত ও পাকিস্তান, কেউ কাওকে ছাড় দিতে নারাজ

চি’রশ’ক্র হিসেবে পরিচিত ভারত ও পাকিস্তান। সীমান্ত উ’ত্তে’জনা তো রয়েছেই, ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ইস্যুতেই দ্ব’ন্দ্বে জ’ড়িয়ে পড়ে এই দুই প্রতিবেশী।

এবার চাল নিয়ে দ্ব’ন্দ্বে জ’ড়াল ভারত ও পাকিস্তান। তবে এটি সব ধরনের চাল নিয়ে নয়, বাসমতি চাল নিয়ে নতুন করে বি’রোধে জড়িয়েছে এই দুই দেশ।

স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয় এই চাল দুই দেশেরই বিশেষ কিছু অঞ্চলেই শুধু উৎপন্ন হয়।

সম্প্রতি ভারতের পক্ষ থেকে বাসমতি চালকে ‘ভারতীয় পণ্য’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কাছে আবেদন করার পর এই বি’রো’ধের সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতের এই আবেদনে আ’প’ত্তি উঠেছে পাকিস্তানে। তারা বলছে, শুধু ভারতে নয়, এই একই চাল পাকিস্তানেও উৎপাদিত হয়। ফলে বাসমতি চালকে শুধু ভারতীয় পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত হবে না।

পাকিস্তানি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই চালকে শুধুমাত্র ভারতীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হলে তারা মা’রা’ত্মকভাবে ক্ষ’তিগ্র’স্ত হবেন। এজন্য ভারতীয় আবেদনের বি’রুদ্ধে পা’ল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তারা পাকিস্তান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

কিন্তু ভারতীয় কর্মকর্তারা বলছেন, ভারতের এই আবেদনে পাকিস্তানের উ’দ্বি’গ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। পাকিস্তান চাইলে ভারতের মতো তারাও এই পণ্যটিকে নিজেদের দাবি করে আবেদন করতে পারে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাসমতি চালের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক এবং পাকিস্তান ও ভারত এই দুটো দেশই এই জোটের দেশগুলোর কাছে প্রচুর পরিমাণে বাসমতি চাল রফতানি করে থাকে।

কী আছে ভারতের আবেদনে?
ভারত সরকার সম্প্রতি এই বাসমতি চালের জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই ট্যাগের জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কাছে আবেদন করেছে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অফিসিয়াল জার্নালে ভারতের এই আবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর।

এই আবেদনে বলা হয়েছে, বাসমতি চাল ভারতীয় উপমহাদেশের একেবারে স্বতন্ত্র একটি চাল। আকারে এটি লম্বাটে। অনন্য স্বাদ ও সুগন্ধের কারণে সারা বিশ্বে ভারতীয় এই চালের সুখ্যাতি রয়েছে।

ভারত বলছে, হিমালয়ের পাদদেশীয় অঞ্চল, বিশেষত ইন্দো-গাঙ্গেয় অঞ্চলে বাসমতি চাল উৎপন্ন হয়।

ভারতে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান ড. অশোক কুমার সিং বলেছেন, সবচেয়ে ভাল মানের বাসমতি চাল উৎপাদিত হয় ভারতের যে সাতটি রাজ্যে সেগুলোকে ইতোমধ্যে জাতীয়ভাবে জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই দেওয়া হয়েছে।

“জম্মুর তিনটি জেলা, অরুণাচল, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরাখণ্ড ও উত্তর প্রদেশের কিছু এলাকায় ভাল মানের বাসমতি উৎপন্ন চাল হয়। এসব রাজ্যকে ইতোমধ্যেই জিআই ট্যাগ দেওয়া হয়েছে। জাতীয়ভাবে এই ট্যাগ দেওয়ার পর সেটা আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিতে হয়। ভারত এখন সেটাই করেছে।”

পাকিস্তানের উ’দ্বে’গ
পাকিস্তান মনে করে ভারতের এধরনের পদক্ষেপ নেওয়া একেবারেই উচিত হয়নি। কারণ এই চাল শুধু ভারতে নয়, পাকিস্তানেও উৎপাদিত হয়।

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর, বালুচিস্তান এবং পাঞ্জাবে উৎপাদিত বাসমতি চালের খ্যাতি রয়েছে ইউরোপের বাজারে।

ভারতীয় এই আবেদনের পর পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের মধ্যে উ’দ্বে’গ তৈরি হয়েছে যে দিল্লিকে এই ট্যাগ দেওয়া হলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে পাকিস্তানের বাসমতি চাল রপ্তানির বাজারে বড় ধরনের ধস নামবে।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে উ’দ্বে’গ প্রকাশের পর পাকিস্তান সরকারও ভারতীয় আবেদনের জবাবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কাছে পাল্টা আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এজন্য তারা সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও এই খাতের সঙ্গে বেসরকারি পর্যায়ে যারা যারা জড়িত তাদের সঙ্গেও আলাপ আলোচনা শুরু করেছে।

পাকিস্তানি কর্মকর্তারা আশা করছেন যে ভারতের এই আবেদন শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে। তারা বলছেন, সফল কূটনীতির মাধ্যমে তারা দিল্লির এই পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেবেন।কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে খুব শিগগিরই তারা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কাছে ভারতীয় আবেদনের বি’পরী’তে পা”ল্টা আবেদন দায়ের করবেন।

পাকিস্তান কী ঠেকাতে পারবে?
ভারতের আবেদনের পর এবিষয়ে পাকিস্তান সরকার তৎপর হয়ে উঠেছে এবং তাদের পরবর্তী পদক্ষেপের ব্যাপারে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলাপ আলোচনা শুরু করেছে।

পাকিস্তানি পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ সেনেটের একটি প্যানেলও ভারতীয় আবেদন ঠেকানোর ব্যাপারে সক্রিয় হয়েছে।

সেনেট কমিটির চেয়ারম্যান মির্জা মোহাম্মদ আফ্রিদি বলেছেন, পাকিস্তানে জিআই আইনটি পাস হয়েছে এবছরের মার্চ মাসে কিন্তু ভারতে বহু আগেই সেটা করা হয়েছে।
“ভারত এথেকে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে,” বলেন তিনি।

তিনি আশা করেন যে সরকারের গৃহীত উদ্যোগের ফলে ভারতের আবেদন ব্যর্থ হবে এবং তারাও “মেইড ইন পাকিস্তান” এই ট্যাগ লাগিয়ে বাসমতি চালের রফতানি অব্যাহত রাখতে পারবেন।

পাকিস্তানে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান মুজিব খান বলেছেন, ২০০৬ সালের ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এক আইনে বাসমতি চাল ভারত ও পাকিস্তানের যৌথ পণ্য হিসেবে ইতোমধ্যেই উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতীয় আবেদনের বি’রো’ধিতা করতে পাকিস্তানের প্রস্তুতি চলছে এবং ইউরোপিয়ান কাউন্সিলে হেরে গেলেও তারা ইউরোপিয়ান কোর্ট অব জাস্টিসের কাছে নিয়ে যাবেন।

Categories
Uncategorized

মধুমিতার ছবির ভাইরাল হবার পর এবার ভাইরাল তার ভিডিও

কলকাতার স্টার জলসা টেলিভিশনে প্রচারিত ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ ধারাবাহিকে ‘পাখি’ চরিত্রে অভিনয় করে তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পান মধুমিতা সরকার। দর্শকরা তাকে ‘পাখি’ নামেই চেনেন।

ব্যক্তি জীবনে তিনি সংসার পেতেছিলেন সৌরভ চক্রবর্তীর সঙ্গে সংসার পেতেছিলেন তিনি। গত বছরের শেষের দিকে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এরপর চলচ্চিত্র ও ওয়েব সিরিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন টালিগঞ্জের এ অভিনেত্রী।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব মধুমিতা। সোশ্যাল মিডিয়া তার একের পর এক উষ্ণ ছবি প্রকাশের পর আলোচনায় আসেন তিনি।

প্রায়ই ফটোশুটের খোলামেলা ছবি প্রকাশ করেন নেট দুনিয়ায়। তারই ধারাবাহিকতায় এই অভিনেত্রীর ভক্তরা সম্প্রতি কমেন্টের মাধ্যমে আবদারের ঝড় তোলেন ভিডিও শুটের জন্য।

অবশেষে ভক্তদের খুশি করতে বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) মধুমিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও টিজার পোস্ট করেছেন। এতে এলো চুল, খোলা পিঠে ঝড় তুলেছেন তিনি। ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আর একটু অপেক্ষা’।

তবে ভিডিওটি কোনো সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের কিনা তা তিনি উল্লেখ করেননি। বর্তমানে এই অভিনেত্রী মৈনাক ভৌমিক পরিচালিত ‘চিনি’ সিনেমার শুটিং করছেন।

Categories
Uncategorized

কেউ এড়িয়ে যাবেন না, একজন প্রবাসীর বউয়ের লজ্জাজনক কিছু কথা

কাল সারারাত আমার জামাই আমার পা টি’পে দিছে ভাবী! পায়ের ব্য’থায় ঘুমোতে পারছিলাম না। –আরে ভাবী আমি অ’সুস্থ থাকলে তো আমার জামাই আমার ছায়া-ব্লাউজ পর্যন্ত ধুয়ে দেয়। বলেই একজন আরেকজনের গায়ে হেসে লু’টিয়ে পড়ছে। -কি হলো তানহা’র মা, এতো চুপচা’প কেনো? তুমিও কিছু বলো তোমার জামাইয়ের কথা!

আমি এক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে উত্তর দেই, জুইয়ের মাঃ তোমারই তো শান্তি, চাইলেই দেশে বসে ৮/১০ টা প্রেম করতে পারো,জামাই টের ও পাবেনা। আমার জামাই তো খালি স’ন্দে’হ করে আমাকে। -কি বলেন ভাবী? জামাই থাকতে প্রেম কেনো করবো? জুইয়ের মাঃ এতো সুন্দর তুমি,ব’য়স ও কম। ক্যামনে থাকো জামাই ছাড়া?নিজের রুপ-যৌ’বন এইভাবে ন’ষ্ট করিওনা।তোমার জামাই বিদেশে কতো জনের সাথে ঘুমায় তা কি তোমারে বলে?

না জেনে মন্তব্য করা কি ঠিক ভাবী? যদি তিনি পাপ করে তার কৈফত তিনি আল্লাহ্‌র কাছে দেবে।আমি কেনো পাপের বোঝা মাথায় নেবো।জুইয়ের মাঃ শোন! এই পাপ-পূন্যের ভাত নেই আজকাল। শশুড় বাড়ির মানুষ কোনদিন আপন হয় না।নিজে ব্যাংক-ব্যালেন্স করো। জমি-জমা কেনো,নাহলে যখন শুনবা জামাই আরেকটা বিয়া করছে তখন আমার কথা মনে কইর‍্যা পস্তাবা। আমি আর জুইয়ের মা’র কথায় কান দিলাম না। তানহা’র ব’য়স যখন ৩ বছর তখন শেষ এসেছিলো তানহা’র আব্বু। এখন তানহা’র ব’য়স ৫ বছর চলছে। বিয়ের পর থেকে ৬ বছরে ৩ বার এসেছেন তিনি। তাও প্রত্যেকবার ৩/৪ মাসের বেশী থাকেন নি।

প্রত্যেকবার যখন তিনি আসেন আমার মনে হয় আমাদের নতুন বিয়ে হয়েছে,খুব অচেনা লাগে মানুষটাকে, তবে তিনি মানুষ হিসেবে খা’রাপ না। দেশে থাকলে অন্য ভাবীদের বরদের মতোই আমার খেয়াল রাখতো।বিয়ের আগে যে আমি প্রেম করিনি তা কিন্তু নয়,সত্যি বলতে লজ্জা নেই,কলেজ লাইফে একটা ছেলেকে খুব ভালোবাসতাম, কিন্তু সেইম এইজ এর রিলেশনে যা হয় আর কি?বিয়ে আর হয়নি।আহারে! ছেলেটা আমার বিয়ের দিন ঘুমের ঔষধ খেয়ে হাসপাতালে ছিলো,কিন্ত কিছুই করার ছিলোনা আমার। এখন মাঝে মাঝে স্কুল আর কলেজের সেইবন্ধু-বান্ধবীদের সাথে স্মৃ’তিময় দিনগুলোর কথা ভাবি।

স্মৃ’তিগুলো খুব আ’ঘাত করে আমাকে,ফিরে যেতে ইচ্ছে হয় ছেলেবেলায়। ‘তানহা’ আমার একমাত্র মে’য়ে।তানহা’র আব্বুর এখন একটা ছেলের সখ। আমার জীবন অনেকটা রুপকথার রাজা-রানীর মতো,”অবশেষে তারা সু’খে-শান্তিতে বসবাস করতে লাগলো”এরকম।তাই পরেরবার একটা ছেলে হলে বাচ্চা নেয়ার ঝামেলা থেকে বেঁচে যাই। কেনোনা অন্যান্য ভাবীদের মতো আমার অ’সুস্থ অবস্থায় খেয়াল নেয়ার মতো কেউ থাকেনা। নিজের ঔষধ নিজের কিনে খেতে হয়, নিজের সংসারের রান্নার বাজার নিজের করতে হয়।তার উপরে শাশুড়ি,ননদিনী কিংবা শশুড় বাড়ির অন্যান্য আত্নীয়-স্বজনদের মন জোগিয়ে চলতে হয়।

বছর এর বছর এভাবেই স’ন্তান লালনপালন আর পরিবারের দেখাশুনা করেই কে’টে যায় আমাদের মতো প্রবাসী স্বা’মীর স্ত্রীদের। দিনশেষে ভালোবেসে ‘ভালোবাসি’ বলার মতো মানুষটা পাশে থাকেনা। মুখে তুলে একবারের জন্যও অন্যান্য ভাবীদের বরের মতো কেউ খাইয়ে দেয়না কিংবা ঈদ-কুরবানীতে কেউ শপিংমলে নিয়ে যেয়ে নিজের পছন্দের শাড়ি-চুড়ি কিনে দেয়না। আমার’তো আগে শাশুড়ি আর ননদের জন্য কিনতে হয়। সবশেষে তানহা’র জন্য কেনাকা’টা করে নিজের জন্য কিছু কেনার ইচ্ছেটা কেনো জানি ম’রে যায়। টাকা-পয়সার অভাব নেই আমার প্রবাসী স্বা’মীর। কিন্তু এসবের মাঝে শান্তি খুঁজে পাইনা আমি।

এতো প্রতিক্ষার পর যখন একবার স্বা’মী বিদেশ থেকে ফিরে তখন তিনি শশুড় বাড়ির আত্নীয়-স্বজন নিয়ে এতোই ব্যস্ত থাকে যে আমাকে আর সময় দিতে পারেনা। যে কয়টা দিন দেশে থাকে দিন শেষে রাত্রের সময়টুকু তাকে কাছে পাই, তখন মনে হয় আমার আর তার সম্প’র্ক শুধু বিছানার মাঝেই সীমাবদ্ধ। তবে আমি তানহা’র বাবার দোষ দিচ্ছি না। তাকেও তো আত্নীয়-স্বজন এর মন জোগিয়ে চলতে হয়। নাহলে গুরুজনদের কটু কথা শুনতে হবে,”এতোদিন পর দেশে এসে বউয়ের আঁচলের নিচে রইলো”ননদ আর ভাশুরের ছেলে মে’য়েরা ব্যস্ত থাকে তাদের মামা কিংবা চাচা বিদেশ থেকে কি এনেছে তাই নিয়ে। কোনটা আনতে বলে আনা হলোনা, কে কোনটা পায়নি সেই অভিযোগ নিয়ে। মাঝে মাঝে অনেক অভিযোগের বোঝা আমার মাথায় ও পরে,”আমি নাকি বিদেশি জিনিস বাপের বাড়ি নিয়ে যাই”। বিয়ের আগে তিনি নাকি এমন ছিলেন না। তবে আমি তো জানি আমার আর তার সম্প’র্ক কতোটা ফরমাল।

শেষবার যখন তানহা’র আব্বু এসেছিলো সামান্য কিছু বিদেশি চকলেট আমার বোনের ছেলে মে’য়েদের দেয়ায় আমার শাশুড়ি আমাকে অকথ্য ভাষায় অ’পমান করে। সেদিন খুব কেঁদেছিলাম আমি, মুখ বুঝে সংসার টিকিয়ে রাখতে সবকিছু সহ্য করতে হয় আমাদের মতো না’রীর। আমাদের মতো বিবেকবান মে’য়েরা আর যাই পারুক সংসার ভাঙতে পারেনা। আমার উচ্চস্বরে হাসতে নেই আবার পরপুরু’ষের সাথে দাঁড়িয়ে কথা বলতে নেই। তাহলেই যে মানুষ কথা তুলবে “তানহা’র মা’র স্বা’মী বিদেশে থাকে আর সে অন্যপুরু’ষের সাথে হাসাহাসি করে”। এইসব অ’পবাদ যে কতটা য’ন্ত্রণাদায়ক বুঝি আমি।

আমাদের মতো প্রবাসী স্বা’মীর স্ত্রী’দের কা’ন্না শুধু রাতের বালিশের মাঝেই সীমাবদ্ধ রাখতে হয়। ভাবতে ভাবতে তানহা’র কোচিং ছুটি হয়ে যায়।এখন বাসায় ফেরার পথে বাজার আর শাশুড়ির ঔষধ নিতে হবে। রাতের রান্না করে তানহা’কে পড়াতে হবে। তারপর বাসার প্রয়োজন বুঝিয়ে দিয়ে একবার যদি তানহা’র আব্বুর ফোন পাই।তারপর আবার সকাল,ফজরের নামাজের পর সবার জন্য নাস্তা বানিয়ে তানহা’কে নিয়ে স্কুলে আসবো। আবার বিকেল হবে,ভাবীদের গল্প শুনবো কোচিং এ এসে। তারপর আবার রাত হবে,চোখের অশ্রু ও ফুরিয়ে যাবে। একদিন বুড়ি হয়ে যাবো, কিন্তু আমার গল্প সবার অজানাই থেকে যাবে।

Categories
Uncategorized

বি’য়ের রা’তে এক না’রীর বিভী’ষিকা’ময় যৌ’ন মি’লনের অভিজ্ঞতা

BBC কিছু প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণে নারীদের জন্য তার বিয়ের দিনটি হয়ে পড়ে বিভী’ষিকা’ময়।
“বিয়ের পর যখন তিনি আমার সামনে পোশাক খুলতে শুরু করেন, তখন আমি ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম,” বলছিলেন এলমিরা (ছদ্মনাম)।

“আমি বার বার নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে এখন আমার বিয়ে হয়ে গেছে। তাই আমার সাথে এগুলোই হবে।”

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

এলমিরার তখন বয়স ছিল ২৭ বছর। সবেমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে একজন দোভাষী হিসেবে কাজ শুরু করেছেন।

এলমিরার স্বামীকে বেছে নিয়েছিলেন তার বাবা-মা। এলমিরা সেই বিয়েতে সম্মতিও জানিয়েছিলেন। শুধুমাত্র তার “মা’কে খুশি করতে”।

“ওই লোকটি ছিল আমাদের প্রতিবেশী, আমরা একেবারে আলাদা মানুষ ছিলাম; সে শিক্ষিত ছিল না, আমাদের মধ্যে কোন কিছুতেই কোন মিল ছিল না,” বলেন এলমিরা।
“আমার ভাই, আমাকে তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল, এবং তারা আমাকে বলেছিল যে সে একজন ভাল লোক। প্রতিবেশীকে বিয়ে করছি দেখে, মা খুব খুশি ছিলেন। কারণ আমি তার কাছাকাছি থাকতে পারবো, সে আমার খোঁজ খবর নিতে পারবে।

বাড়িতে বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই এলমিরা তার মা’কে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে তিনি এখনই বিয়ে করতে চাননা।

এলমিরার মা এই বিষয়টি আত্মীয় স্বজনদের জানিয়ে দিলে তারা এলমিরাকে চাপ দিতে থাকেন। অনেকেই স’ন্দেহ করছিলেন যে এলমিরা হয়তো কুমারী নন।

কিন্তু সত্যিটা হল বিয়ের রাতেই এলমিরা প্রথমবার যৌ’নমি’লন করেছিলেন।

প্রথম রাতেই তিনি জানতে পারেন যে তার স্বামী তার অনুভূতি এবং আত্ম-সম্মানবোধকে বিন্দুমাত্র পরোয়া করেননা।

কুমারীদের ‘ছিপি আঁটা বোতল’ বলে বি’পদে এক অধ্যাপক!

যীশুখ্রীস্টকে বিয়ে করেছেন যে নারীরা

BBC বিয়ের রাতে নব দম্পতির শোবার ঘরে আড়ি পেতে থাকেন দুই পরিবারের কয়েকজন সদস্য। যা ককেশাসের নিয়মিত প্রথা।
“তিনি শুধু আমার উপর হা’মলে পড়েন, যখন আমার মাথা আলমারির সঙ্গে ধা’ক্কা লাগতে থাকে, তখনই শুনি দরজায় টোকা পড়ছে আর পাশের ঘর থেকে নারী কণ্ঠ ভেসে আসছে ‘অ্যাই আস্তে, চুপচাপ থাকো।'”- “বিষয়টা কি জঘ’ন্য!”- বলেন এলমিরা।

আসলে দরজা পিছনে ছিলেন এলমিরার মা, দুই ফুফু/খালা, তার শাশুড়ী, এবং আরেকজন দূরবর্তী আত্মীয় (যিনি দরজায় টোকা দিয়ে চেঁচিয়েছিলেন)।

স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী বিয়ের রাতে বর কনের ঘরের বাইরে দুই পরিবারের সদস্যদের বা’ধ্যতা’মূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়, যেন নববধূর কুমা’রীত্ব প্রমাণ করা যায়।

আমার সেই দূরবর্তী আত্মীয় ‘ইঙ্গি’ এর ভূমিকা পালন করছিলেন: ইঙ্গি বলতে বোঝায় এমন একজন বিবাহিতা নারীকে যিনি নবদম্পতির সঙ্গে বরের বাড়িতে যান।

তার কাজ হলো সারা রাত নবদম্পতির শোবার ঘরের পাশে বসে থাকা।

তার দায়িত্বগুলোর মধ্যে একটি হল পরামর্শ দেয়া।

ধারণা করা হয়, যৌ’নমি’লনে অনভিজ্ঞ নববধূ হয়তো রাতের বেলা শোবার ঘরের বাইরে বেরিয়ে অভিজ্ঞ নারীদের থেকে পরামর্শ চাইতে পারেন।

ইঙ্গির আরেকটি দায়িত্ব হল বিয়ের প্রথম রাতের পর নবদ’ম্পতির বিছা’নার চাদর সংগ্রহ করা।

“আমি একইসঙ্গে যন্ত্র’ণায় কাতরাচ্ছিলাম আবার বি’ব্রত বোধ করছিলাম। ভাবছিলাম, বিয়ে মানে কি এগুলোই?”

BBC বিশ্বের ২০টি দেশে এখনও বিছানার চাদর দেখে নববধূর কুমা’রীত্ব পরীক্ষার চল রয়েছে।

Categories
Uncategorized

শিক্ষকতা ছেড়ে পতি’তাবৃত্তি, দিনে চার খদ্দের, ঘণ্টায় ২৭ হাজার টাকা নেন শিক্ষিকা!

এখনো চাইলে স্কুলে শিক্ষকতা করতে পারেন তিনি। তবে শিক্ষকতার চেয়ে পতি’তা কর্মী হয়ে থাকা’টা তার কাছে বেশি স্বাচ্ছন্দের। অবিবা’হিত ওই না’রী বর্তমানে চার সন্তানের মা। তার কাছে, পতি’তা পেশাটাই সবচেয়ে পারফেক্ট।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

কেন এই পেশা পছন্দ, সেটাও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের নটিংহামে বসবাস করেন ৩৪ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়া। একটা সময় তিনি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। তিনি বলেন, এমন কাজ আমা’র পছন্দের, যে কাজটা করা যায় ছে’লেমে’য়ের পড়াশোনার সময়। তারা যখন বিদ্যালয়ে থাকে, ওই সময় সময় দিতে পারলে ভালো হয়।

দিনে চারজন খদ্দেরকে সময় দেন ভিক্টোরিয়া। তিনি জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং অ্যাপ থেকে খদ্দের পান। এছাড়া অ্যাডা’ল্ট ভিডিও ধারণ করে ঘণ্টায় ২৭ হাজার ছয়শ ৯৭ টাকা আয় করেন। তবে তিনি দাবি করেছেন, পতি’তা কর্মী হলেও নিজেকে আদর্শ মা মনে করেন। ছে’লেমে’য়েদের কাছেও তিনি অনেক প্রিয় বলে জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, খদ্দেরদের এটা মা’থায় রাখা দরকার যে, আমি এখনো বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যেতে চাই এবং তারপর আমি খ’দ্দের সামলা’নোর চেষ্টা করব। বেশিরভাগ খদ্দের’কেই আমা’র বাচ্চাদের স্কুলে পড়ার সময় ম্যানেজ করি। ভিক্টোরিয়ার তিন ছে’লে ও এক মে’য়ে আছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির জন্য দুটি প্রামাণ্যচিত্রে কাজ করেছেন তিনি।

ওই সময় তিনি জানিয়েছেন, নিজের পেশাকে অনেক সম্মান করেন এবং নিজেকে ভালো মা বলে মনে করেন। তবে তিনি এও জানিয়েছেন, মে’য়ে যেন তার পদাঙ্ক অনুসরণ না করে, সবসময় সেটা চান।

Categories
Uncategorized

আল্লামা আহমদ শফী আর নেই

হেফাজত আমির আল্লামা আহমদ শফী আর নেই ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তিনি রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তে”কাল করেছেন। ইসলামী ঐক্যজোটের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আলতাফ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় হেফাজত ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর শারীরিক অবস্থা অব”নতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় আনা হয়েছিল। এরপরই তিনি মৃ”ত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা আল্লামা শফীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে শুক্রবার সন্ধ্যার আগে ঢাকায় এনে আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উল্লেখ্য, প্রায় শতবর্ষী আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি বার্ধ”ক্যজনিত দুর্ব”লতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।

Categories
Uncategorized

যেসব পুরু’ষ যৌ’নতায় অ’জ্ঞ সেই সব পুরু’ষদের জন্য এই ৫টি সুপার টিপস

১। পুরু’ষ বেশি ঘরের কাজ করলে মি’লনে উৎসাহ কমে যায়। বাড়িতে রান্নাবান্না বা বাসনপত্র ধোয়ার কাজ করেন যেসব পুরু’ষ, মি’লনের ক্ষেত্রে তাঁদের অংশগ্রহণ কম দেখা যায়।

২। সন্তান জন্ম দেওয়ার পরে মি’লনের বিষয়ে ৬ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে বলেন চিকিৎকরা। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৬ সপ্তাহ পরে ৬৫ শতাংশ ক্ষেত্রে না’রী প্রস্তুত থাকলেও পুরু’ষ নি’র্লিপ্ত থাকে।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

৩। পিতৃত্ব লাভের পরে পুরু’ষের যৌ’ন জীব’নেও পরিবর্তন আসে। সাধারণ ক্লান্তি ছাড়াও বা’চ্চার খেয়াল রাখতে গিয়ে ঘুম কম হওয়ায় পুরু’ষদের মি’লনের উৎসাহ কমে যায়। সুতরাং, বেশ কিছুটা সময়ে তারা নিরা’সক্ত থাকেন।

৪। মর্নিংওয়াকে যেতে হবে বলে অনেকে রা’তের মি’লন এড়িয়ে যায়। কিন্তু, যৌ’ন মি’লনের ফলে পুরু’ষের ক্ষেত্রে মিনিটে গড়ে ৪.২ ক্যালোরি এবং নারীর ক্ষেত্রে ৩.১ ক্যালোরি ক্ষয় করে যৌ’ন মি’লন। অর্থাৎ এটা দৌড়ানোর মতো ভাল ব্যায়াম না হলেও হাঁটার চাইতে ভাল।

৫। নারীর ওভি’উলেশন বা ডিম্বপা’তের সময়ে তাঁরা মি’লনে বেশি ইচ্ছুক থাকেন। কিন্তু অধিকাংশ পুরুষ এই সময়টার জন্য প্রস্তুত থাকেন না। ফলে, গুরুত্বপূর্ণ সময়টা ন’ষ্ট হয়।

Categories
Uncategorized

রাজধানীতে রমরমা দে’হ ব্যবসা! (ভিডিও)

রাজধানী ঢাকা ও এর আশেপাশের বিভিন্ন অঞ্চলে দে’হ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে সরকারী-বেসরকারী কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছা’ত্রীরা। তাদের এই ব্যবসা চলছে মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের ফ্ল্যাট বাসা কেন্দ্রিক। মিনি পতি’তালয় গুলোতে দে’হ ব্যবসার পাশাপাশি মাদ’কদ্রব্যের ব্যবহারও হয় ব্যাপক।

#########কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )#########

বিভিন্ন অনুসন্ধানে উঠে আসে, বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছা’ত্রীরা জড়িয়ে পড়ছে পতিতাবৃত্তিতে। আর ছাত্রদের একটি গ্রুপ জড়িয়ে পড়ছে চাহিদামত খদ্দেরের খোঁজে আর খদ্দে’রের সুবিধাজনক স্থানে প’তিতাবৃত্তিতে জড়িত ঐসব ছাত্রীদের পৌছে দিতে।তেমনই শনিবার ‘শ্রাবন্তী অরণ্য’ নামে একটি ফেসবুক পেইজে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। যাতে একটি আবাসিক হোটেলের অবস্থান বর্ণনা করা হয়।

ভিডিতে দেখা যায় আবাসিক হোটেলের ভয়াল চিত্র। আর এই পেইজের দাবি এটি রাজধানী ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত আবাসিক হোটেলের। তবে তারা উল্লেখ করেনি কোন হোটেলের দৃশ্য এটি। কিন্তু ভিডিওতে দেখা যায় একাধিক প’তিতা এবং খদ্দ’রকে।

Categories
Uncategorized

শেষ পর্যন্ত দীঘিও!

শিশুবেলাতেই একটি মোবাইল অপারেটরের বিজ্ঞাপনে মডেল হয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন দীঘি। এরপর ‘চাচ্চু’, ‘দাদী মা’, ‘পাঁচ টাকার প্রেম’সহ একের পর এক হিট ছবিতে অভিনয় করেন। শেষ পর্যন্ত সেই ছোট্ট দীঘিও এবার চিত্রনায়িকা হয়ে অভিনয় করতে যাচ্ছেন চলচ্চিত্রে।
#########কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- নারী ও-পুরুষের সকল প্রকার- জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )#########

সম্প্রতি শাপলা মিডিয়ার পাঁচ ছবিতে নায়িকা হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। তাও আবার এক নায়কের বিপরীতে পাঁচ ছবি। সিদ্ধান্তটা কি হুট করেই নেয়া?

উত্তরে তিনি বলেন, প্রথম থেকেই আমি কোন ছবি করবো আর কোনটা করবো না তার সিদ্ধান্ত নিতেন মা। মা বেঁচে নেই। এখন আমার সব সিদ্ধান্ত নেন বাবা। শাপলা মিডিয়া এই সময়ে সবচেয়ে বড় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সেলিম আংকেলও আমাকে মেয়ের মতো স্নেহ করেন।

বাবা ভেবে দেখেছেন এই ছবিতে কাজ করলে আমার জন্য ভালো হবে। আমিও বাবার কথায় রাজি হয়েছি। তাই বলতে পারেন ভেবে চিন্তেই সিদ্ধান্ত নেয়া।